E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Transcom Foods Limited
Mobile Version

লাকসামে বিএনপি নেতার বাড়িতে হামলা ভাংচুর, সংঘর্ষে আহত  ৮

২০১৮ এপ্রিল ২৭ ২২:৫৯:২৬
লাকসামে বিএনপি নেতার বাড়িতে হামলা ভাংচুর, সংঘর্ষে আহত  ৮

লাকসাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি : লাকসামে বিএনপির নেতার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পারিবারিক কলহের জের ধরে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অতšত ৮ জন আহত হয়েছে । গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলা কান্দিরপাড় ইউনিয়ন সালেপুর ৭নং ওয়ার্ডের বিএনপি সাধারন সম্পাদক আবু সায়েদ বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে। 

কান্দিরপাড় ইউনিয়নের বিএনপি’র ওয়ার্ড কমিটির সাধারন সম্পাদক আবু সায়েদ অভিযোগ করে বলেন, পারিবারিক কলহের জের ধরে গতকাল রাতে মনির ও সায়েদের নেতৃত্বে স্থাণীয় কয়েকজন দুর্বৃত্ত আমার পরিবারবর্গদের উপর অতর্কিত ভাবে মারধর করে। বসত ঘরে থাকা আসবাবপত্র, ভাংচুর ও লুটপাট করে প্রায় নগদ ৭০ হাজার টাকা, স্বর্নালংকার ও মোবাইল নিয়ে যায়।

জেসমিন আক্তারের স্বামী মনির হোসেন বলেন, আমার স্ত্রী পর পুরুষদের সাথে সম্পর্ক থাকার বিষয়টি আমি আমার সায়েদ মামাকে জানালে মামা স্থানীয় লোকজন নিয়ে আমার শ্বশুড় বাড়ীতে আসেন। জেসমিনের অনৈতিক কার্যকলাপে বিষয়গুলো শুনলে আমার শ্বশুর-শ্বাশুড়ী ঘরের ভিতরে নিয়ে আমাকে ও যুবলীগের নেতা আবু হানিফ কে মারধর করে। বাইরে থাকা লোকজন উত্তেজিত হয়ে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষে সৃষ্টি হয়। কে বা কারা হামলা ভাংচুর ও লুটপাট করেছে আমি জানি না।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিএনপি নেতা আবু সায়েদের মেয়ে জেসমিন আক্তার সাথে বিবাহ হয় একই গ্রামের মনির হোসেনের সাথে। তাদের মধ্যে কিস্তির টাকা পরিশোধ না করায় জেসমিন বিভিন্ন ব্যক্তির থেকে ধার করে আসছিল। জেসমিন স্বামীর কাছে কিস্তির টাকা চাইতে গেলে মনিরের সাথে কথা কাটাকাটি হয়।

এর জের ধরে মনির তার মামা সায়েদের কাছে বিষয়টি জানালে, সায়েদ স্থানীয় লোকজন নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপি নেতার বাড়ীতে আসে। জেসমিন ও মনিরের বিষয় নিয়ে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে দুই পক্ষের লোকজনের সাথে বাকবিতন্ডা সৃষ্টি হয়। এতে দু’পক্ষের লোকজন সাথে সংর্ঘষে অšতত ৮ জন আহত হয়। আহতরা হলেন আবু হানিফ, মনির, আবু নোমান, জেসমিন আক্তার, সোহাগ, রোকেয়া, আশিক, সায়েদ। খবর শুনে লাকসাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার আরব হোসেন বলেন, আমি খবর শুনে ঘটনাস্থলে যাই। ওয়ার্ড যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হানিফের মাথায় রক্তাক্ত দেখে স্থানীয় লোকজন তাদেরকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায়। কি কারনে হামলা হয়েছে আমি তা জানি না।

এ বিষয়ে লাকসাম থানা এস আই বোরহান উদ্দিন জানান, খবর শুনে ঘটনাস্থলে গিয়েছি পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। দু’পক্ষের লোকজন এখনও কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

(সিএস/এসপি/এপ্রিল ২৭, ২০১৮)

পাঠকের মতামত:

২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test