E Paper Of Daily Bangla 71
World Vision
Technomedia Limited
Mobile Version

কেন্দুয়ায় কলেজছাত্র জুয়েল হত্যায় গ্রেফতার ১, ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন

২০১৮ জুলাই ২২ ১৮:৪৫:২৩
কেন্দুয়ায় কলেজছাত্র জুয়েল হত্যায় গ্রেফতার ১, ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন

সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মা, কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) : নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলা সান্দিকোনা ইউনিয়নের ডাউকি গ্রামের সাবিজ মিয়া ছেলে কিশোরগঞ্জ ওয়ালিনেওয়াজ কলেজ ছাত্র জুয়েল হত্যা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্ধেহে পুলিশ ডাউকির পার্শ্ববর্তী রামপুর গ্রামের আছান উদ্দিনের ছেলে হলুদকে (২৭) গ্রেফতার করে রোববার সকালে নেত্রকোনা আদালতে পাঠিয়েছে। 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কেন্দুয়া থানা পুলিশের এস.আই আব্দুর রাজ্জাক জানান, হত্যার ঘটনার পর শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থল থেকে আছান উদ্দিনে ছেলে হলুদ, ডাউকি গ্রামের সাইদুল ইসলামের ছেলে তরিকুল ও আল ইসলামের ছেলে আবু সায়েমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তরিকুল ও আবু সায়েমকে তাদের পরিবারের সদস্যদের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়েছে। অপর দিকে জুয়েল হত্যা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্ধেহে আছান উদ্দিনের ছেলে হলুদকে গ্রেফতার দেখিয়ে হত্যার রহস্য উদঘাটনে আরো জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে রোববার সকালে নেত্রকোনা আদালতে পাঠানো হয়।

তদন্তকারী কর্মকর্তা ও জুয়েলের পারিবারিকসূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১ টায় নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে গিয়ে কলেজ ছাত্র জুয়েল আর বাড়ি ফিরে আসেনি। এদিনই এইচ.এস.সি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে জুয়েল কিশোরগঞ্জ ওয়ালিনেওয়াজ কলেজ থেকে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। বৃহস্পতিবার সারাদিন থেকে রাত সাড়ে ১০ টা পর্যন্ত হলুদ জুয়েলের সঙ্গেই ছিল।

এরপর মাছ শিকারের কথা বলে হলুদ জুয়েলের নিকট থেকে অজ্ঞাত স্থানে চলে যায়। সকালে গ্রাম পুলিশ ও জুয়েলের বাড়ির আশেপাশের লোকজন বাড়ির অদূরেই মসজিদের পাশে একটি লাশ পরে থাকতে দেখে জুয়েলের পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়। পরিবারের সদস্যরা লাশ সনাক্ত করে পুলিশে খবর দিলে কেন্দুয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান, ওসি ইমারত হোসেন গাজী, ওসি তদন্ত স্বপন চন্দ্র সরকার, এস.আই আব্দুর রাজ্জাক, এস.আই রায়হান, ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেন।

একটি সূত্রে জানা যায় জুয়েলের প্রতিবেশী বাড়িতে হলুদ সময়ে অসময়ে আসা যাওয়া করত। এ সুযোগে উঠতি বয়সী এক নারীর সঙ্গে হলুদের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। জুয়েল হলুদকে প্রায়েই এই বাড়িতে আসা যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা প্রদান করত। কেন্দুয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) স্বপন চন্দ্র সরকার জানান, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে নিয়ে আমরা সন্দেহ জনক সবদিক তদন্তকরে হত্যার রহস্য উদঘাটনে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

(এসবি/এসপি/জুলাই ২২, ২০১৮)

পাঠকের মতামত:

২৫ এপ্রিল ২০২৪

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test