E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Transcom Foods Limited
Mobile Version

রাণীনগরে হত-দরিদ্রদের জন্য গৃহ নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে

২০১৮ জুলাই ২৪ ১৫:৫১:১৬
রাণীনগরে হত-দরিদ্রদের জন্য গৃহ নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি : ‘জমি আছে ঘর নেই’ এই প্রকল্পের আওতায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অর্থায়নে নওগাঁর রাণীনগর উপজেলায় তৃনমূল স্তরের অসহায় অতিদরিদ্র পরিবারের জন্য গৃহ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। আর দ্রুত এগিয়ে চলছে এই ঘর নির্মাণের কাজ। 

২০১৭-১৮ অর্থ বছরে আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় যেসব পরিবারের বসত বাড়ি করার মত জমি আছে কিন্তু বসত ঘর তৈরি করার মত আর্থিক অবস্থা নেই সে সব পরিবার অন্যর বাড়িতে রাত কাটায় এমন ৩শত ৮৫টি পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এই গৃহ নির্মাণ কাজ গুলোর তত্ত্বাবধান করছেন। তবে কাজ গত জুন মাসের মধ্যে শেষ করার কথা থাকলেও তা এখনও চলমান।

জানা গেছে, উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫টি ইউনিয়ন অসহায় অতিদরিদ্র পরিবারের জন্য বরাদ্দ পেয়েছে। ইউনিয়ন গুলো হলো সদর ইউনিয়নে ৬৫টি, কাশিমপুর ইউনিযনে ৭৯টি, কালিগ্রাম ইউনিয়নে ৯৬টি, একডালা ইউনিয়নে ৫৯টি ও বড়গাছা ইউনিয়নে ৮৬টি ঘর বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। ৩ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা দিয়ে এই ৩ শত ৮৫ টি ঘর নির্মাণের কাজ করা হচ্ছে। একটি পরিবারকে একটি করে গৃহ নির্মাণ করে দেয়া হবে। প্রতিটি গৃহ নির্মানে ১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ।

প্রতিটি ইউনিয়নে গৃহ নির্মাণ দ্রুত এগিয়ে চলছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকার্তার তত্ত্বাবধানে ঘর নির্মানের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আর গৃহ নির্মানের ক্ষেত্রে মধ্যে স্বত্বভোগী ঠিকাদার রাখা হয়নি। কাজ করছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। এই ধরনের উদ্যোগে সুবিধা ভোগীরা সুন্দর ঘর পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। সরকারি খরচে নিজের ঘরে থাকার স্বপ্ন কখনো দেখেনি বলে অভিমত প্রকাশ করেন অনেক অতিদরিদ্ররা। নির্মিত প্রতিটি ঘরের দৈঘ্য ২৪ ফুট প্রস্থ ১২ ফুট এবং উচ্চতা ৮ ফুট। টিনসেডের মেঝে পাঁকা ঘর নির্মান করা হচ্ছে। প্রতিটি ঘরের সাথে আধা পাকা লেট্রিন ও একটি করে নলকূপ বসিয়ে দেয়া হবে।

খট্টেশ্বর গ্রামের সুবিধাভোগী দিনমজুর মো: ছলিম উদ্দিন বলেন, বসতঘর ভেঙ্গে যাওয়ার পর অর্থের অভাবে ঘর নির্মাণ করতে না পেরে ছেলে মেয়ে নিয়ে প্রতিবেশী পরিবারের বারান্দায় রাত কাটাতাম। এখন সরকারের করে দেওয়া নতুন ঘরে ওঠার স্বপ্ন দেখছি।

রাণীনগর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: মেহেদী হাসান বলেন, বিভিন্ন জটিলতার কারণে প্রকল্পটি জুন মাসের মধ্যে শেষ করা সম্ভব হয়নি তবে আমরা আগামী মাসের মধ্যে প্রকল্পের সকল কাজ শেষ করবো।

রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোনিয়া বিনতে তাবিব জানান, প্রধানমন্ত্রীর নিজ তহবিল থেকে দেশব্যাপী যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। মূলত যাদের ঘর করার জায়গা আছে কিন্তু বাড়ি নির্মাণ করার মতো সামর্থ নেই সেই সব দরিদ্র পরিবারকে এই প্রকল্পের আওতায় এনে বসবাস করার মতো বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হচ্ছে।

(এসকেপি/এসপি/জুলাই ২৪, ২০১৮)

পাঠকের মতামত:

২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test