E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Transcom Foods Limited
Mobile Version

ঈদ উপলক্ষে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে চালু হচ্ছে একটি ইউনিট

২০১৮ আগস্ট ১৯ ১৬:৩৯:৩৩
ঈদ উপলক্ষে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে চালু হচ্ছে একটি ইউনিট

স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর : ঈদ-উল-আযাহায় দেশে নিরবিচ্চিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বন্ধ হয়ে যাওয়া দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যু কেন্দ্রের একটি ইউনিট চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পিডিবি। আগামী মঙ্গলবার থেকে কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়ার্ডের দ্বিতীয় ইউনিটটি চালু হবে। তবে তা ৭০ থেকে ৮০১২৫ মেগাওয়ার্ডের বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল হাকিম জানিয়েছেন,কেন্দ্রের ২টি ইউনিটে ৫২৫ মেদগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা রয়েছে। এর মধ্যে একটি ইউনিট সার্ভেসে রয়েছে। যার উৎপাদন ক্ষমতা ১২৫ মেগাওয়াট। আর বাকি ১২৫ এবং ২৭৪ মেগাওয়াটের ইউনিট দুটি পরবর্তীতে চালুর সিদ্ধান্ত রয়েছে।১২৫ মেগাওয়াটের ইউনিটটি চালু রাখতে হলে দৈনিক ১২০০ মেট্রিক টন কয়লার প্রয়োজন রয়েছে। আর ২৭৫ মেগাওয়াট ইউনিট চালু করতে প্রয়োজন পড়বে ২৮০০ মেট্রিক টন কয়লা।

এদিকে কয়লার অভাবে বড় পুকুরিয়ার তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ থাকায় লোড শেডিংয়ের যন্ত্রণায় কাতর উত্তরের ৮ জেলার মানুষ। দিনে রাতে নিন্মে চার উর্ধ্বে ছয় বার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। গড়ে হচ্ছে,৮ ঘন্টা লোড শেডিং।

তারমাত্রা দিনাজপুরে রোববার ৩৮ থেকে ৩৯ ডিগ্রী সেলসিয়াসে ওঠানামা করেছে। অসহ্য ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে এ অঞ্চলের জীবন যাত্রা। বিদ্যুতের লোড শেডিং এ শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় বিঘœ ঘটছে। সেই সাথে কল কারখানাগুলিতে চলছে বিপর্যয় কর অবস্থা।

উত্তরের ৮ জেলার জন্য প্রতিদিন বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয় ৬৫০ মেঘাওয়াট। তার মধ্যে বড় পুকুরিয়া থেকেই নেয়া হতো ৫২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। বড় পুকুরিয়ার কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩ টি উইনিট চালু রাখতে প্রতিদিন কয়লার প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ হাজার মেট্রিক টন।

নিকটস্থ খনির প্রতিদিন কয়লা উত্তোলনের পরিমাণ সর্বোচ্চ ৫ থেকে সাড়ে ৫ হাজার মেট্রিক টন। বর্তমানে খনির কোল ইয়ার্ড সম্পূর্ণটাই ফাঁকা। সেপ্টেম্বরের প্রথমার্ধে কয়লা উত্তোলনের কথা বলা হলেও বিষয়টি খুব একটা নিশ্চিত নয়। ইতোপূর্বে জ্বালানী মন্ত্রণালয় সূত্রে বলা হয়েছে বিদেশ থেকে কয়লা আমদানি করে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি সচল রাখা হবে। কিন্তু এমন কোনো আলামত খনি এলাকায় নেই।

চলতি মৌসুমে আবাদি জমিতে পানি নেই। এই মৌসুমের ধান আবাদ বৃষ্টির পানির উপর নির্ভরশীল। বৃষ্টি না হওয়ায় অনেক এলাকার চাষী স্যালো, ডিপ ও অন্যান্য উৎস ব্যবহারের কথা ভাবছে। কিন্তু সমস্যা দেখা দিয়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহে।

(এসএএস/এসপি/আগস্ট ১৯, ২০১৮)

পাঠকের মতামত:

২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test