E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Transcom Foods Limited
Mobile Version

সরিষাবাড়ীতে মেয়রের শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন

২০২০ আগস্ট ০৬ ১৮:১৫:১১
সরিষাবাড়ীতে মেয়রের শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন

জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে পৌর মেয়রের শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ। জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনের এমপি ও তথ্য প্রতিমন্ত্রী আলহাজ ডা. মো. মুরাদ হাসানকে নিয়ে ফেসবুক লাইভে আপত্তিকর মন্তব্যের প্রতিবাদে বৃহষ্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া একই দাবিতে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে পৃথক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ হারুন অর রশিদ স্বাক্ষরিত লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সহসভাপতি মুক্তিযোদ্ধা এম এ লতিফ।

সূত্র জানায়, মেয়র রুকুনুজ্জামান রোকন মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে তার Mayor Rukan আইডি থেকে ফেসবুক লাইভে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এমপিকে নিয়ে আক্রমণাত্মক, বিভ্রান্তিকর, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভীতি প্রদর্শনমূলক মন্তব্য করেন।পরদিন বুধবার উপজেলা যুবলীগের সদস্য ছামিউল হক খান বাদি হয়ে সরিষাবাড়ী থানায় রোকনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা (আইসিটি) আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরও মেয়র গ্রেফতার না হওয়ায় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতিতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এসময় দলীয় নেতৃবৃন্দ মেয়র রোকনকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি করেন। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করেন, মেয়র রোকনের দাদা মৃত আব্দুল গফুর মাস্টার ছিলেন একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে চিহ্নিত রাজাকার। তার নেতৃত্বে উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের পারপাড়া গ্রামে নিরীহ মানুষকে হত্যা, লুটতরাজ ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। মেয়র রোকন বিএনপির ডোনার হলেও কৌশলে আওয়ামী লীগে যোগদান করে দলীয় মনোনয়ন বাগিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি বিএনপির এজেণ্ডা বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগের মধ্যে বিশৃঙ্খলা এবং নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড শুরু করেন। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও যৌন কেলেঙ্কারিসহ শতাধিক অভিযোগে গত ১ মে সব কাউন্সিলর একযোগে মেয়রকে অনাস্থা ও একইদিন বিকেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় সভায় তাকে পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। এতে তিনি এলাকা ছাড়া হয়ে অজ্ঞাত স্থান থেকে তথ্য প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুক লাইভ ও স্ট্যাটাস দিয়ে বিভিন্ন আপত্তিকর মন্তব্য করে আসছেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মনির উদ্দিন, সহসভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান শাহজাদা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গণি, সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান এলিন, খোরশেদ আলম ভিপি, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি উপাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমাণ্ডার মোফাজ্জল হোসেন, পৌরসভার প্যানেল মেয়র মোহাম্মদ আলী, কাউন্সিলর শ্রী কাঁলাচান পাল, পোগলদিঘা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সামস উদ্দিন প্রমুখ।

(আরএম/এসপি/আগস্ট ০৬, ২০২০)

পাঠকের মতামত:

২২ সেপ্টেম্বর ২০২০

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test