E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Technomedia Limited
Mobile Version

তদন্ত কমিটি গঠন

আগৈলঝাড়ায় পাচারের সময় জব্দকৃত সার নিলামে বিক্রি

২০২১ অক্টোবর ২৮ ১৭:৫০:২৫
আগৈলঝাড়ায় পাচারের সময় জব্দকৃত সার নিলামে বিক্রি

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, বরিশাল : এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায় পাচারকালে জব্দকৃত ৫০ বস্তা ইউরিয়া সার নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা সার-বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, বুধবার দুপুরে সার-বীজ মনিটরিং কমিটির সদস্যেদের উপস্থিতিতে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিলামের মাধ্যমে সর্বোচ্চ দরদাতার কাছে ৩০ হাজার চারশ’ টাকা মূল্যে জব্দ করা সার বিক্রি করা হয়। 

নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্রে জানা গেছে, জব্দ করা সার নিলামে বিক্রি করা হলেও পাচারের সাথে জড়িত সার ডিলার আব্দুল জলিলের বিরুদ্ধে রহস্যজনক কারনে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি। ফলে সাধারণ জনগনের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অপরদিকে সার পাচারের ঘটনায় আগৈলঝাড়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এদিকে সার পাচারের ঘটনায় একাডেমীক সুপার ভাইজারকে আহ্বায়ক ও খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা ও সমবায় কর্মকর্তাকে সদস্য করে তিন সদস্যর তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবুল হাশেম। তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে তাদের প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন ইউএনও আবুল হাশেম।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে আগৈলঝাড়া উপজেলার বাশাইল বাজারের সারের ডিলার আবদুল জলিল হাওলাদারের পুত্র ফজলুল হক হাওলাদার নছিমনযোগে সরকারের ভর্তুকি দেওয়া ৫০ বস্তা ইউরিয়া সার গৌরনদী উপজেলার টরকী বন্দরে পাচার করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গৌরনদী উপজেলার পশ্চিম বার্থী এলাকা থেকে থানা পুলিশের উপস্থিতিতে পাচার করা সার জব্দ করেন উপজেলা প্রশাসন।

সূত্রে আরও জানা গেছে, সরকারের সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য ভর্তুকির সার পাচারের ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে। এ ঘটনায় সারের ডিলার মামলা থেকে রেহাই পেতে এবং তার লাইসেন্স রক্ষার জন্য অর্থের মিশন নিয়ে নানা তৎপরতা শুরু করেন।

আগৈলঝাড়া উপজেলার বাশাইল এলাকার অসংখ্য প্রান্তিক কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, ডিলার আবদুল জলিল কখনই তাদের চাহিদা মতো সার দেয়নি। এ ছাড়া প্রায় সময়ই সারের ডিলারের দোকান বন্ধ থাকায় তারা সরকারের ভর্তুকি দেওয়া সার নায্যমূল্যে ক্রয় করতে পারেননি। ফলে চড়ামূল্যে তাদের বাহির থেকে সার ক্রয় করতে হচ্ছে। কৃষকের ভাগ্য বঞ্ছিত করে সার পাচারের ঘটনায় তারা (কৃষক) ডিলার জলিল ও তার ছেলের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করেন।

(টিবি/এসপি/অক্টোবর ২৮, ২০২১)

পাঠকের মতামত:

০৮ ডিসেম্বর ২০২১

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test