E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Transcom Foods Limited
Mobile Version

দাগনভূঞায় অর্ধশতাধিক গ্রামীণ সড়কের বেহাল দশা

২০১৬ অক্টোবর ২০ ১৯:০১:১৮
দাগনভূঞায় অর্ধশতাধিক গ্রামীণ সড়কের বেহাল দশা

সৈয়দ মনির আহমদ, ফেনী : ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের খানাখন্দে ভরা অর্ধশতাধিক গ্রামীন সড়কে জনদুর্ভোগ বেড়েছে। যেন দেখার কেউ নেই। এসব সড়কে যানবাহন চলে হেলেদুলে। উপজেলার ৮ ইউনিয়ন ও ১ পৌরসভার বিভিন্ন সংযোগ সড়ক দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় প্রতিনিয়তই ঘটছে ২/৪টি দুর্ঘটনা।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, জনভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। বিভিন্ন সড়কের যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন সড়কের বেহাল দশার কারণে সিএনজি অটোরিক্সা ও রিক্সা ভাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে দ্বিগুন। বাধ্য হয়ে চালকদের দিতে হচ্ছে যাত্রীদের কষ্টার্জিত অতিরিক্ত অর্থ। এলজিইডির দুধমুখা-ভূঞারহাট সড়ক, তুলাতলী-রঘুনাথপুর সংযোগ সড়ক, সিলোনীয়া-আমুভূঞারহাট সড়ক, বিরলী-কোরাইশমুন্সি সড়ক, কৈখালী-কোরাইশমুন্সি সড়ক, দরবেশেরহাট-সিন্দুরপুর সড়ক, দরবেশেরহাট-কৌশল্যা সড়ক, চুঙ্গারপুল-চৌধুরীহাট সড়ক, দাগনভূঞা-গজারিয়া সড়ক, ওমরপুর-সিলোনিয়া সড়ক, জাঙ্গালিয়া-প্রতাপপুর সড়ক, কোরাইশমুন্সি-সেনবাগ সড়ক, কোরাইশমুন্সি-সেবারহাট সড়ক, বেকেরবাজার-বটতলা সড়ক, নতুনপুল-এতিমখানা বাজার সড়ক, এতিমখানা বাজার-চৌধুরীহাট সংযোগ সড়ক, এতিমখানা বাজার-এনায়েত ভূঞা বাজার সড়ক, এতিমখানা বাজার-তালতলা সড়ক, এতিমখানা বাজার দুধমুখা সড়কসহ অর্ধশতাধিক সড়ক’র সবকটি ব্যপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সড়কে বড়-বড় গর্ত দেখা দিয়েছে, কিনারা ভেঙ্গে বিলীন হয়ে গেছে পাশের খাল, পুকুর ও আবাদী জমিতে। সড়ক ও জনপদ বিভাগের ফেনী-সোনাইমুড়ি সড়কে প্রতিদিন চলাচল করে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াতকারী শতাধিক পন্যবাহী ট্রাক। অন্যদিকে অর্ধশতাধিক সড়কের দুরাবস্থার ফলে যানবাহন বিকল্প সড়কে চলাচল করায় ইতিমধ্যে সেসব সড়কে ফাটল ও আস্তর ক্ষতিগ্রস্থ হতে শুরু করেছে।

সড়ক নির্মান ও মেরামতে বরাবরই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিম্মমানের উপকরণ ব্যবহার ও পরিমিত বিটুমিন না দিয়ে কাজ করার অভিযোগ তুলেছেন বিভিন্ন সড়কের যাত্রী ও স্থানীয়রা। এলাকাবাসী জানিয়েছেন, কর্তৃপক্ষের যথাযথ তদারকির অভাবে ঠিকাদাররা নিম্নমানের কাজ করেও পার পেয়ে যাচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ফেনীর এক ঠিকাদার জানান, ফেনীতে ঠিকাদারের হাতে কাজ পৌছার অাগেই ৩-৪ দফা নথি পত্র বেছা বিক্রি হয়। যার ফলে বরাদ্দের ৩০% খোয়া যায়।

উপজেলা প্রকৌশলী মো. মোশাররেফ হোসেন বলেন, ইতিমধ্যে আমরা ক্ষতিগ্রস্থ সড়ক মেরামতের চাহিদাপত্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। বরাদ্ধ পেলে পর্যায়ক্রমে সবকটি সড়ক মেরামত করা হবে।
(এসআইএম/এএস/অক্টোবর ২০, ২০১৬)

পাঠকের মতামত:

২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test