E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Transcom Foods Limited
Mobile Version

ফেরি সংকটে দৌলতদিয়া : ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট

২০১৭ আগস্ট ২৭ ১৩:১৭:১০
ফেরি সংকটে দৌলতদিয়া : ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট

দেবাশীষ বিশ্বাস, রাজবাড়ী : দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার হিসাবে পরিচিত দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুট। ২১টি জেলার মানুষ এই রুট ব্যবহার করে থাকে। প্রতিদিন এই রুট দিয়ে পার হয় কয়েক হাজার যানবাহন। ঈদকে সামনে রেখে প্রস্তুতি গ্রহণ করলেও ঈদে ঢাকামুখী পশুবাহী ট্রাকের জন্য আলাদা কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করে নাই ঘাট সংশ্লিষ্টরা।  ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যাত্রীবাহী বাস যাত্রীদের সেই সাথে চরম ভোগান্তিতে পরেছে পশুবাহী ট্রাক।

সরেজমিনে প্রতিবেদন সংগ্রহের সময় দেখা যায়, দৌলতদিয়া ইউনিয়ন থেকে জিরো পযেন্ট পর্যন্ত যানজট লেগেই আছে। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে গত তিনদিন ধরে এই যানজট লেগেই আছে। ট্রাকের উপরে গরুকে হাতপাখা দিয়ে বাতাস করছে ব্যাপারীরা।

কুষ্টিয়া থেকে আসা আব্দুল খালেক জানায়, কোরবানীর গরু সাধারণত বিকালের দিকে ঢাকার উদ্যেশে রওনা দেয় কিন্তু দৌলতদিয়া প্রান্তে আটকে থাকতে হয় ৫-৬ ঘন্টা। তিনি জানান এ সময় এখানে রৌদ্রের প্রচন্ড তাপ থাকে। তিনি জানান এরই মাঝে দুইটি গরু মৃত্যুররণ করেছে।

বিআইডব্লিউটিসির সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, তাদের বহরে থাকা ১৮টি ফেরির মধ্যে ১৩টি ফেরি চলাচল করছে। তবে ফেরির সংখ্যা নিয়ে ঘাটে জীবিকার সাথে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসার সাথে যুক্ত মানুষগুলো জানিয়েছে ফেরির সংখ্যা ১০ থেকে ১১ টি। তিনি জানান তীব্র স্রোতের কারণে ফেরিগুলো বিকল হচ্ছে। তিনি জানান ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের কোন সমস্যা হবে না।

বিদ্যমান পরিস্থিতি সামলাতে বেগ পেতে হচ্ছে পুলিশকে। ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মৃদুল রঞ্জন দাস জানান, ফেরি স্বল্পতার কারণে যানজট নিয়ন্ত্রণ করতে আমাদের বেগ পেতে হচ্ছে।

তিনি জানান, পশুবাহী ব্যবসায়ীরা বলছে সব বাদ দিয়ে আমাদের গরুবাহী ট্রাকগুলো ছেড়ে দিতে। কোরবানীর পশুবাহী ট্রাককে অগ্রাধিকার দিয়ে পারাপার করছি। গতকাল দৌলতদিয়া মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে একটি ছোট বিক্ষোভ বের করে গরু ব্যবসায়ীরা।

নাম প্রকাশ না করার স্বর্তে ট্রাফিক পুলিশের এক সদস্য ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রায় ৩৬ বছর এই পেশায় আছি। নদীতে পানি বৃদ্ধির কারণে ফেরির ট্রিপ কমে যাওয়া এবং ঢাকাগামী পশুপারাপার নিয়ে আলাদা কোন পরিকল্পনাই গ্রহণ করা হয় নাই। যদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হতো তবে বর্তমানে ১৩টি ফেরি চলাচল করতো না।

তিনি জানান, নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি চলাচলে দ্বিগুণের বেশি সময় লাগছে সেক্ষেত্রে এখানে ফেরির দরকার ছিল ২০ থেকে ২৫টি।

(ডিবি/এসপি/আগস্ট ২৭, ২০১৭)

পাঠকের মতামত:

২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test