Pasteurized and Homogenized Full Cream Liquid Milk
E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Transcom Foods Limited
Mobile Version

জুভেন্টাসে যাওয়ার গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন গার্দিওলা

২০১৯ মার্চ ১০ ১৫:১৫:৩৫
জুভেন্টাসে যাওয়ার গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন গার্দিওলা

স্পোর্টস ডেস্ক : মৌসুম শেষ হওয়ার চার মাসের মতো সময় বাকি থাকলেও, এখনই গরম হতে শুরু করেছে ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের দলবদলের বাজার। তারকা খেলোয়াড়দের ক্লাববদলের নানান খবরের মাঝে সবচেয়ে বেশি জোরালো হয়ে শোনা যাচ্ছে ম্যানচেস্টার সিটির স্প্যানিশ কোচ পেপ গার্দিওলার ক্লাব ছেড়ে ইতালিয়ান ক্লাব জুভেন্টাসে যাওয়ার গুঞ্জন।

শুরুতে এ গুঞ্জনের ব্যাপারে তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি গার্দিওলা। তবে গুঞ্জনের ডালপালা বিস্তৃত হতে দেখে ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে পড়েছেন এ স্প্যানিয়ার্ড। উড়িয়ে দিয়েছেন ক্লাব ছাড়ার সকল গুঞ্জন। উল্টো জানিয়েছেন ম্যান সিটিতে আরও বাড়তি এক বছর থাকতে পারেন তিনি।

বর্তমান ক্লাবের সঙ্গে গার্দিওলার চুক্তি রয়েছে আরও অন্তত দুই বছর। অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু না ঘটলে নিজের চুক্তির মেয়াদ পুরোটা শেষ করার ইচ্ছার কথাই জানিয়েছেন গার্দিওলা।

তিনি বলেন, ‘আমি জানি না বড় সংবাদমাধ্যমগুলো কী কারণে বলছে যে আমি ইতালি চলে যাবো। এখানে (ম্যান সিটি) আমার আরও দুই বছরের চুক্তি রয়েছে এবং তারা যদি আমাকে চাকরিচ্যুত না করে তাহলে আমি অন্য কোথাও যাচ্ছি না। আমি আশা করছি পরবর্তী কিংবা এর সঙ্গে বাড়তি আরও এক বছর ম্যান সিটিতেই থাকবো।’

এসময় জুভেন্টাসে যাওয়ার গুঞ্জনের ব্যাপারে তিনি আরও বলেন, ‘আগামী দুই বছরে আমি জুভেন্টাসে যাচ্ছি না। আমি জানি যে এখন সোশ্যাল মিডিয়ার বড় একটা প্রভাব রয়েছে। কিন্তু আমি এমন কিছু বুঝি না, সত্যি বলছি, আমি এসব কিছু বুঝি না।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কারো মন্তব্যের জের ধরে ফলাও করে খবর প্রচার করার ব্যাপারেও প্রতিক্রিয়া দেখান গার্দিওলা। তিনি বলেন, ‘কেউ যখন টুইটারে বলে যে আগামী চার বছরের জন্য গার্দিওলা জুভেন্টাসে যাচ্ছে, তখন কী কারণে বড় পত্রিকাগুলো সেটিকে ফলাও করে প্রচার করে? আমি বুঝি না মানুষ কেনো এমনটা বলছে। দয়া করে কেউ আমাকে কিংবা আমার এজেন্টকে কিংবা আমার ক্লাবকে ফোন করবেন না। ম্যাসমিলানো অ্যালেগ্রির (জুভেন্টাসের বর্তমান কোচ) জন্য আমার বেশ দুঃখবোধ হচ্ছে।’

(ওএস/এসপি/মার্চ ১০, ২০১৯)

পাঠকের মতামত:

২৪ মার্চ ২০১৯

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test