Pasteurized and Homogenized Full Cream Liquid Milk
E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Transcom Foods Limited
Mobile Version

হঠাৎ ঝাঁজ বেড়েছে পেঁয়াজের

২০১৯ জুলাই ০৯ ১৮:০৩:১৭
হঠাৎ ঝাঁজ বেড়েছে পেঁয়াজের

স্টাফ রিপোর্টার : হঠাৎ করেই রাজধানীর বাজারগুলোতে ঝাঁজ বেড়েছে পেঁয়াজের। মাত্র তিনদিনের ব্যবধানে খুচরা পর্যায়ে পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা। খুচরা বাজারে এমন অস্বাভাবিক দাম বাড়লেও তিনদিনের মধ্যে পাইকারিতে পেঁয়াজের দামের দু’দফা উত্থান-পতন হয়েছে।

কারওয়ানবাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত শুক্রবার ব্যবসায়ীরা এক পাল্লা (৫ কেজি) দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করেন ১৩৫-১৪০ টাকা। অর্থাৎ প্রতিকেজির দাম পড়ে ২৭-২৮ টাকা। সেই পেঁয়াজের দাম রবিবার ৪৫ টাকা কেজি দরে ২২৫ টাকা বিক্রি হয়। তবে মঙ্গলবার দাম কিছুটা কমে ১৯০-২০০ টাকা পাল্লা বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ প্রতিকেজির দাম পড়ছে ৩৮-৪০ টাকা।

এদিকে খুচরা বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, মানভেদে দেশি পেঁয়াজ কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৫৫ টাকা। গত রবিবার থেকে এই দামে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। তবে গত শুক্রবার প্রতিকেজি ভালো মানের দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৩০-৩৫ টাকা। অর্থাৎ খুচরা বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ২০ টাকা।

রবিবার পাইকারিতে দাম বাড়ার প্রভাবে ওই দিন থেকেই খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দামে বড় ধরনের উত্থান হলেও, মঙ্গলবার পাইকারিতে দাম কমার প্রভাব এখনও খুচরা বাজারে পড়েনি। খুচরা বাজারে এখনও বাড়তি দামেই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে।

কারওয়ানবাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রুবেল মিয়া বলেন, বৃষ্টির কারণে গত দুদিনে পেঁয়াজের দাম হঠাৎ বেড়ে যায়। ওই সময় আমাদের প্রতিমণ পেঁয়াজ কেনা পড়ে ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৫৫০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ প্রতিকেজির দাম পড়ে ৩৮-৩৯ টাকা। এর সঙ্গে খরচ যোগ করে আমাদের ৪৫ টাকা দামে বিক্রি করতে হয়েছে

‘তবে আজ বাজারে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে। প্রতিমণ কেনা পড়ছে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ২৫০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ প্রতিকেজির দাম পড়ছে ৩০-৩২ টাকা। এই পেঁয়াজ আমরা ৩৫-৩৬ টাকা কেজি বিক্রি করছি। এ হিসাবে আজ পেঁয়াজের দাম প্রতিকেজিতে কমেছে ১০ টাকা করে’-বলেন রুবেল মিয়া।

এ দিকে শান্তিনগর গিয়ে দেখা যায়, ব্যবসায়ীরা প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করছেন ৫৫ টাকা করে। একই দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে খিলগাঁও এবং সেগুনবাগিচায়।

পেঁয়াজের বাড়তি দামের বিষয়ে শান্তিনগরের ব্যবসায়ী খায়রুল বলেন, বৃষ্টির কারণে পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। এছাড়া ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানির খরচ বাড়ার একটি প্রভাব রয়েছে। আর পাইকারিতে দাম বাড়ার কারণে আমাদের বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

কারওয়ানবাজারে তো আজ পেঁয়াজের দাম কমেছে, তাহলে আপনারা কমাচ্ছেন না কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে এই ব্যবসায়ী বলেন, আমাদের কাছে যে পেঁয়াজ রয়েছে, তা বাড়তি দামে কিনে আনা। আমরা পাইকারি থেকে আবার কম দামে পেঁয়াজ কিনতে পারলে দাম কমিয়ে দেব।

বাড়তি দামের পেঁয়াজ বিক্রির বিষয়ে এক ধরনের মন্তব্য করেন খিলগাঁওয়ের ব্যবসায়ী মো. সবুর। তিনি বলেন, গত শুক্রবার অপ্রত্যাশিতভাবে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমে ছিল। কিন্তু সোমবার পেঁয়াজ কিনতে গিয়ে দাম বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। পাইকারিতে দাম বাড়ার কারণে আমরাও বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি।

(ওএস/এসপি/জুলাই ০৯, ২০১৯)

পাঠকের মতামত:

১৯ অক্টোবর ২০১৯

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test