E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Transcom Foods Limited
Mobile Version

জামিন, ডিভিশন ও চিকিৎসা চেয়ে রফিকুল ইসলাম মিয়ার আবেদন

২০১৮ নভেম্বর ২১ ১৫:৪৪:৫৩
জামিন, ডিভিশন ও চিকিৎসা চেয়ে রফিকুল ইসলাম মিয়ার আবেদন

স্টাফ রিপোর্টার : সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করার দায়ে তিন বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়া জামিন আবেদন করেছেন। বুধবার দুপুর আড়াইটায় ঢাকা মহানগর হাকিম মাহমুদা আক্তারের আদালতে এ আবেদন করা হয়েছে।

রফিকুল ইসলাম মিয়ার আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ এ তথ্য জানিয়েছেন। রফিকুল ইসলাম মিয়ার পক্ষে আদালতে তিনিই জামিন আবেদন করেছেন। জামিন আবেদনের পাশাপাশি রফিকুল ইসলাম মিয়ার কারাগারে ডিভিশন ও চিকিৎসাও চাওয়া হয়েছে।

এর আগে আজ (বুধবার) দুপুর সাড়ে ১২টা ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে তিন বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়াকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে নেয়ার পর তাকে আদালতের হাজাতখানায় রাখা হয়েছে। বিকেল ৩টার দিকে তাকে আদালতে তোলা এবং আবেদনের বিষয়ে শুনানি হতে পারে।

মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গুলশানে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে নিজ বাসায় ফেরার পথে রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর আগে এদিন দুপুরে রাজধানীর উত্তরা থানায় করা দুদকের মামলায় রফিকুল ইসলাম মিয়াকে তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. শেখ গোলাম মাহাবুব। পাশাপাশি তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।

রফিকুল ইসলাম মিয়া পলাতক থাকায় (আদালতে হাজির না হওয়ায়) তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। রফিকুল ইসলাম মিয়া ঢাকা-১৬ আসন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। এ ছাড়া বিএনপির মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যও তিনি।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০১ সালের ৭ এপ্রিল সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে তার যাবতীয় সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল করার জন্য ৪৫ দিনের সময় দিয়ে একটি নোটিশ দেয় দুদক। ২০০১ সালের ১০ জুন তিনি দুদকের নোটিশটি গ্রহণ করেন।

নোটিশ গ্রহণ করার পরও তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থাৎ ২০০১ সালের ২৫ জুলাই পর্যন্ত কোনো সম্পদের হিসাব দাখিল করেনি। হিসাব বিবরণী দাখিল না করায় ২০০৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর দুদকের অফিসার লিয়াকত হোসেন বাদি হয়ে রাজধানীর উত্তরা থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর রফিকুল ইসলাম মিয়ার বিরুদ্ধে দুদক তদন্ত শেষ করে ১৯৫৭ সালের দুর্নীতি দমন আইনের ৪(২) অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০১৭ সালের ১৪ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। বিভিন্ন সময় ৬ জন এ মামলায় সাক্ষ্য দেন।

(ওএস/এসপি/নভেম্বর ২১, ২০১৮)

পাঠকের মতামত:

১৩ ডিসেম্বর ২০১৮

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test