E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Technomedia Limited
Mobile Version

মিতু হত্যা : হাইকোর্টে আসামি ভোলার জামিন

২০২১ সেপ্টেম্বর ১৫ ১৮:২৪:৫৩
মিতু হত্যা : হাইকোর্টে আসামি ভোলার জামিন

স্টাফ রিপোর্টার : চট্টগ্রামের সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আসামি এহতেশামুল হক ভোলার চার সপ্তাহের জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে মঞ্জুর জামিনের মেয়াদ শেষে তাকে বিচারিক (নিম্ন) আদালতে আত্মসমর্পণ করারও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

নিহত মিতুর বাবার দায়ের করা মামলায় জামিন সংক্রান্ত বিষয়ে করা আবেদনের শুনানি নিয়ে বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আজ আসামি ভোলার পক্ষে আইনজীবী হিসেবে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ হাসিবুর রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মিজানুর রহমান।

আইনজীবীরা জানান, সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যা মামলায় এহতেশামুল হক ভোলাকে চার সপ্তাহের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে জামিনের মেয়াদ শেষে তাকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম মহানগরীর নিজাম রোডে গুলি করে মিতুকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নগরীর পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাত পরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন এসপি বাবুল আক্তার।

মামলায় ওই বছর নগরীর বাকলিয়া এলাকার এহতেশামুল হক ভোলা ও তার সহযোগী মনিরকে গ্রেফতার করা হয়। পরে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশে ২০১৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর কারাগার থেকে মুক্তি পান ভোলা।

চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডে বাবুল আক্তার জড়িত বলে সন্দেহ করা হয়। এ নিয়ে গণমাধ্যমে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে আদালতের নির্দেশে গত বছরের জানুয়ারি মাসে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই)।

পিবিআইর তদন্তে বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততা উঠে আসে। এরপর বাবুল আক্তারের শ্বশুর বাদী হয়ে গত ১২ মে বাবুলকে আসামি করে পৃথক একটি মামলা করেন। এ মামলায় বাবুল আক্তার এখন কারাবন্দি।

যেভাবে হত্যাকাণ্ড

২০১৬ সালের ২৪ জুন বাবুল আক্তারের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে ওই বছরের ২৬ জুন আনোয়ার ও মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিম নামে দুজনকে গ্রেফতারের তথ্য জানায় পুলিশ। তারা আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে জানান, কামরুল ইসলাম সিকদার ওরফে মুছার ‘পরিকল্পনায়ই’ এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।

জবানবন্দিতে ওয়াসিম জানান, নবী, কালু, মুছা ও তিনি হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেন। হত্যার সময় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের সামনে ছিল মুসা, এরপর আনোয়ার ও একদম পেছনে ছিলেন তিনি। মোটরসাইকেলের পিছন থেকে তিনি প্রথমে মিতুকে গুলি করেন।

জিইসির মোড়ে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা নবী তার বুক, হাতে ও পিঠে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। ঘটনার সময় বাবুল আক্তারের ছেলেকে আটকে রেখেছিল মুসা। এরপর মৃত্যু নিশ্চিত করে তারা চলে যায়। পরে এ ঘটনায় সন্দেহভাজন দুই আসামি নূরুন্নবী ও রাশেদ পুলিশের বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়। এছাড়া মুছাসহ দুইজন আসামি পলাতক।

(ওএস/এসপি/সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১)

পাঠকের মতামত:

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test