Pasteurized and Homogenized Full Cream Liquid Milk
E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Transcom Foods Limited
Mobile Version

পাকিস্তানকে সত্যটা মানতে হবে : ভারত

২০১৯ আগস্ট ০৯ ১৮:৪৪:৩৭
পাকিস্তানকে সত্যটা মানতে হবে : ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে পাকিস্তান। তারই প্রেক্ষিতে ভারত বলছে, ‘কাশ্মীর-সংক্রান্ত সত্যটা পাকিস্তানকে মেনে নিতে হবে। এটাই সেই সময়। তারা কাশ্মীর নিয়ে বিশ্ব সম্প্রদায়কে যেভাবে বিভ্রান্ত করছে তা বন্ধ করতে হবে।’

টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শুক্রবার পাকিস্তানেরে উদ্দেশে এসব কথা বলেছে ভারত সরকার। ভারতের অভিযোগ, গোটা বিশ্বের কাছে ভীতিকর এক ধরনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের চিত্র তুলে ধরছে ইসলামাবাদ।

ভারত বলছে, ‘আমরা এটা ভাবছি যে, জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে ভারতীয় পদক্ষেপে পাকিস্তান কিছুটা দুর্বল। আমরা ভাবছি এটা কোনোভাবেই মানুষকে বিভ্রান্ত করবে না, যদি জম্মু-কাশ্মীরে উন্নয়ন অব্যাহত থাকে। কেন্দ্রীয় সরকার কাশ্মীর নিয়ে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার বিরুদ্ধে পাকিস্তানের প্রতিটি পদক্ষেপ একপাক্ষিক।’

ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এসব কথা বলেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রভিস কুমার। তিনি বলেন, ‘জম্মু-কাশ্মীরের মানুলের উন্নতির কথা মাথায় রেখেই সমস্ত রকমের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এ নিয়ে ইসলামাবাদ যে পদক্ষেপ নিয়েছে তা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হচ্ছে।’

ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত সমঝোতা এক্সপ্রেস বন্ধ করার পাকিস্তানের সিদ্ধান্ত নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘এটা খুবই অনভিপ্রেত আমরা এর জন্য দুঃখপ্রকাশ করছি।’ ভারত সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের বিষয়টি বিশ্বের অন্যান্য দেশ ও সংস্থাকে অবহিত করেছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই মুখপাত্র আরও জানান তারা কাশ্মীর নিয়ে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটা একান্তই তাদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। তবে বিরোধী দল কংগ্রেস এর আগে অভিযোগ তুলেছিল কাশ্মীর কখনোই ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় হতে পারে না।

গত ৫ আগস্ট সংবিধানে পাওয়া কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ নামে আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করে মোদি সরকার। আর কাশ্মীরিরা যাতে এর কোনো প্রতিবাদ করতে না পারে তাই সেখানে নেয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সেখানকার মানুষ এখন সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ।

মোদি সরকারের মাস্টারে প্ল্যানের কাছে হেরে বিক্ষোভে ফুঁষে উঠেছে কাশ্মীরের মানুষ। কারফিউ জারি থাকার কারণে সেখানে মানুষ সংঘবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ করতে পারছে না। এ ছাড়া সেখানকার সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রী এবং পাঁচ শতাধিক প্রভাবশালী স্থানীয় নেতাসহ সাধারণ মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বিশ্বের অন্যতম সামরিকায়িত এলাকার একটি হলো কাশ্মীর। ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এতদিন কাশ্মীর প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা ছাড়া কোনো কিছুতেই ভারতীয় আইন মানতে বাধ্য ছিল না। কিন্তু মোদির কট্টর হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার তা বাতিল করেছে। এ ছাড়া রাজ্যের মর্যাদাও হারিয়েছে কাশ্মীর।

(ওএস/এসপি/আগস্ট ০৯, ২০১৯)

পাঠকের মতামত:

২৬ আগস্ট ২০১৯

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test