Pasteurized and Homogenized Full Cream Liquid Milk
E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Transcom Foods Limited
Mobile Version

আশঙ্কাজনক অবস্থায় নওয়াজ, বিদেশে নিতে বললেন সরকারি চিকিৎসকরা

২০১৯ নভেম্বর ০৬ ১৬:১৫:১৭
আশঙ্কাজনক অবস্থায় নওয়াজ, বিদেশে নিতে বললেন সরকারি চিকিৎসকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের শারীরিক অবস্থার কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। তার অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক। তার শারীরিক অবস্থা খারাপের দিকে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। গত মাসের শেষের দিকে হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন কারাবন্দি নওয়াজ। তারপরেই তাকে লাহোরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নওয়াজের চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা সরকারি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের প্রধান জানিয়েছেন তিনি মারাত্মক জেনেটিক সমস্যায় ভুগছেন। এ কারণে নওয়াজকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেয়ার কথা বলেছেন তিনি।

গত ২২ অক্টোবর নওয়াজ শরিফকে (৬৯) কারাগার থেকে সার্ভিসেস হসপিটালে ভর্তি করা হয়। সে সময় তার রক্তের প্লাটিলেট কমে দুই হাজারে নেমেছিল। বুধবার নওয়াজ শরিফকে ওই হাসপাতাল থেকে লাহোরের শরিফ মেডিকেল সিটিতে নেয়ার কথা রয়েছে।

তবে ডনের এক প্রতিবেদনে হাসপাতাল সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, সাবেক এই পাক প্রধানমন্ত্রী দু'সপ্তাহ ধরে যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তাকে সেখান থেকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, নওয়াজ শরিফ হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতে বিলম্ব করছিলেন যেন তিনি তার মেয়ে মরিয়ম নওয়াজের সঙ্গেই আসতে পারেন। কারণ বাবাকে দেখতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ায় ওই একই হাসপাতালে গত ২৩ অক্টোবর মরিয়মকেও ভর্তি করা হয়।

জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ এবং সার্ভিসেস হসপিটালের মেডিকেল বোর্ডের প্রধান মাহমুদ আয়াজের মধ্যে কথা হয়েছে। আর তাদের মধ্যে কথা হওয়ার পরেই নওয়াজকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা করার কথা বলা হয়েছে।

মাহমুদ আয়াজ বলেন, নওয়াজ শরিফকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সঙ্গে আমাদের কথা বলা উচিত।

তিনি আরও বলেন, যদি চিকিৎসকরা চান তাহলে তাকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ সেখানে তার অসুস্থতার সঠিক কারণ জেনে চিকিৎসা করা সম্ভব হবে।

(ওএস/এসপি/নভেম্বর ০৬, ২০১৯)

পাঠকের মতামত:

১৪ নভেম্বর ২০১৯

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test