E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Technomedia Limited
Mobile Version

পশ্চিমবঙ্গে ধেয়ে যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’

২০২১ সেপ্টেম্বর ২৫ ১৩:৫৭:০৮
পশ্চিমবঙ্গে ধেয়ে যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বঙ্গোপসাগরে অতি গভীর নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে তা ঘূর্ণিঝড়়ে পরিণত হতে পারে। এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হয়েছে ‘গুলাব’। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্থলভাগে এই ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়তে পারে। এরইমধ্যে ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কবার্তা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে পশ্চিবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

এই মূহূর্তে উত্তর-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে অতি গভীর নিম্নচাপ। তা ক্রমেই উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হওয়ার কথা। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী ১২ ঘণ্টায় এই অতি গভীর নিম্নচাপ আরও শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। তারপর রোববার ওড়িশার দক্ষিণে এবং অন্ধ্রপ্রদেশের উত্তরে কলিঙ্গপত্তনমের কাছ দিয়ে স্থলভাগ অতিক্রম করবে।

অন্যদিকে শনিবার পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবারের মধ্যে তা ওড়িশা ও বাংলার মধ্যে দিয়ে স্থলভাগে আঘাত হানতে পারে। ফলে রবিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।

সতর্কতা জারি করে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রোববার থেকেই উপকূলের কাছাকাছি জেলা অর্থাৎ দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া উত্তর ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া ও হুগলিতে রোববার থেকেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। কলকাতায় বৃষ্টি বাড়বে মঙ্গলবার। সেদিন শহরে বজ্রপাতসহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

শুধু কলকাতা নয়, মঙ্গলবার থেকে দুই মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রামসহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ভারী বৃষ্টি হবে বলেই জানিয়েছেন আবহবিদরা।

এই পরিস্থিতিতে শনিবার থেকে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে মাছ ধরতে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যে মৎস্যজীবীরা এরইমধ্যে চলে গেছেন, তাদের শনিবারের মধ্যে ফিরে আসার কথা বলা হয়েছে। প্রবল বর্ষণে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা ফের জলমগ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। শহরবাসীকে যেন আবারও যন্ত্রণায় ভুগতে না হয় সেজন্য লালবাজারে ইউনিফায়েড কমান্ড সেন্টার খুলেছে কলকাতা পুলিশ।

শুক্রবার দুপুর থেকেই চালু হয়ে গেছে বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য তৈরি হওয়া এই কেন্দ্র। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে যেন বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে একসঙ্গে কাজ করা যায় সেজন্য ওই কেন্দ্রে পুলিশ, পৌরসভা, এনডিআরএফ, দমকল, সিইএসসি এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কর্মকর্তারা থাকবেন।

(ওএস/এএস/সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১)

পাঠকের মতামত:

১৭ অক্টোবর ২০২১

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test