E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Transcom Foods Limited
Mobile Version

শিক্ষা খাতে কেমন বাজেট চাই

২০১৮ জুন ২৪ ২২:০৯:৩৭
শিক্ষা খাতে কেমন বাজেট চাই

ফারুক আহমাদ আরিফ, এনায়েতুল্লাহ কৌশিক, রায়হান ওয়াজেদ চৌধুরী, খাইরুল ইসলাম বাশার, আরিফুল ইসলাম, মেসবাউল হাসান, নাসিম শুভ, সাইফুল ইসলাম রনি, সাঈদুল ইসলাম, কবির আল মাহমুদ, ওয়াহিদ সোহান, হাসান বকস, মারুফ আহমেদ, ইমন, সাব্বির, হাবিব-

একটি জাতিকে সমৃদ্ধ করতে হলে তাকে সর্বপ্রথম যে দিকে মনযোগ দিতে হয় তা হচ্ছে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থা। মানুষকে দক্ষ, কর্মমুখর ও উন্নত করে মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে শিক্ষাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। বিশ্বের মাঝে হানাহানি বন্ধ করতে শিক্ষাই হতে পারে ভালো অস্ত্র। পৃথিবীর তাবত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যদি ৩০ শতাংশ একই ধরনের সিলেবাস পড়ায়। আর দেশিয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যদি অন্তত ৫০ শতাংশ একই সিলেবাস অনুস্বরণ করে তবে অনেকাংশে কাজ এগিয়ে যাবে। আমরা বাংলাদেশকে নিয়ে এমন স্বপ্ন দেখি যে বাঙালি জাতি একদিন বিশ্বকে নেতৃত্ব দিবে। বিশ্ববাসীকে সমৃদ্ধ করবে। এ ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে হবে সরকারকেই। বাংলাদেশের ১১ কোটি ২৪ লাখ ৯৭ হাজার ১২৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে বেসরকারি পর্যায়ে ৭ কোটি ৮১ লাখ ৫৪ হাজার ৭৭০ জন শিক্ষার্থীকে বাজেট থেকে বঞ্চিত করে কি জাতীয় উন্নতি সম্ভব?

গত ৭ জুন ২০১৮ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত জাতীয় সংসদে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার জাতীয় বাজেট পেশ করেছেন। অর্থমন্ত্রী মহোদয় তার বাজেট বক্তব্যে বলেছেন, “মানব সম্পদ উন্নয়নে প্রতিবেশী দেশসমূহের তুলনায় বাংলাদেশ অনেক দ্রুত অগ্রসর হয়েছে। ২০০৯ সালে বাংলাদেশের মানব সম্পদ উন্নয়ন সূচকের মান ছিল ০.৫৩৫। আর ইউএনডিপি’র ২০১৭ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী এটি এখন ০.৫৭৯। তদুপরি, বাংলাদেশ বর্তমানে‘medium human development country’ শ্রেণিভুক্ত একটি দেশ। বস্তুত, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মদক্ষতার বিকাশসহ মানবসম্পদ উন্নয়নের নিয়ামক খাতসমূহে অধিক সম্পদ সঞ্চালন এবং উপযুক্ত নীতি-কৌশল গ্রহণের ফলে এক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে।” আমরা বিশ্বাস করি, শিক্ষা খাতে যে উন্নতি ও অগ্রগতি সাধিত হয়েছে তা শিক্ষক-শিক্ষার্থী, শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান তথা সমগ্র জাতির অবদান রয়েছে।

চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৫৩ হাজার ৫৪ কোটি টাকা। যার মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ২২ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা অর্থাৎ ৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় ২৪ হাজার ৮৮৮ কোটি টাকা অর্থাৎ ৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ হিসেবে বাজেটের শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ১০ দশমিক ২ শতাংশ। এটি প্রকৃতপক্ষে গত বছরের বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দের চেয়ে ১ দশমিক ২৬ শতাংশ কম। কেননা ২০১৭-১৮ অর্থবছরে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ছিল ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যুরো অব এডুকেশনাল ইনফরমেশন অ্যান্ড স্টাটিসটিক্স (বেনবেইজ) এরAnnual Education Survey (AES)-2016 সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশে বর্তমানে ৪ লাখ ১৬ হাজার ৪৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সরকারি ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬২৩টি এবং বেসরকারি ২ লাখ ৮২ হাজার ৪২০টি। সর্বমোট শিক্ষার্থী আছে ১১ কোটি ২৪ লাখ ৯৭ হাজার ১২৪ জন। তার মধ্যে সরকারি বাজেট দেয়া হয় ৩ কোটি ৪৩ লাখ ৪২ হাজার ৩৫৪ জনকে। অপরদিকে বেসরকারি পর্যায়ে ৭ কোটি ৮১ লাখ ৫৪ হাজার ৭৭০ জন শিক্ষার্থী বাজেট থেকে বঞ্চিত হয়। মোট শিক্ষক আছে ২৯ লাখ ৭৬ হাজার ৫৬৬ জন। তার মধ্যে সরকারি ১০ লাখ ৬৪ হাজার ২৬৫ জন এবং বেসরকারি ১৯ লাখ ১২ হাজার ৩০১ জন। এই বিশাল অংশকে বাহিরে রেখে জাতীয় উন্নতি কীভাবে সাধিত হবে?

২০১৮-১৯ অর্থবছরে শিক্ষা খাতে বরাদ্দের চিত্রটি হচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ২২ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা। তার মধ্যে অনুন্নয়ন খাতে ১৪১৫৪ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন খাতে ৮৩১২ কোটি টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রেভিনিউ বাজেট ছিল ২০০৯৮ কোটি টাকা। তার মধ্যে অনুন্নয়ন খাতে ১২৬৮৭ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন খাতে ৭৪১১ কোটি টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বাজেটে ২২০২২ কোটি টাকার মধ্যে অনুন্নয়ন খাতে ১৩২৭০ এবং উন্নয়ন খাতে ৮৭৫২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রকৃত ব্যয় ছিল ১৭১৯৭ কোটি টাকা। তার মধ্যে অনুন্নয়ন খাতে ১১৭৪৬ এবং উন্নয়ন খাতে ৫৪৫১ কোটি টাকা।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ২৪ হাজার ৮৮৮কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। তার মধ্যে অনুন্নয়ন খাতে ১৮৮৭৪ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন খাতে ৬০১৪ কোটি টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রেভিনিউ বাজেট ছিল ২১৫১৮ কোটি টাকা। তার মধ্যে অনুন্নয়ন খাতে ১৭১৬৩ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন খাতে ৪৩৫৫ কোটি টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বাজেটে ২৩১৪১ কোটি টাকার মধ্যে অনুন্নয়ন খাতে ১৬৯৬৪ এবং উন্নয়ন খাতে ৬১৭৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রকৃত ব্যয় ছিল ২১৭১১ কোটি টাকা। তার মধ্যে অনুন্নয়ন খাতে ১৬৬৩৮ এবং উন্নয়ন খাতে ৫০৭৩ কোটি টাকা।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগে ৫৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। তার মধ্যে অনুন্নয়ন খাতে ৪৮৯৪ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন খাতে ৮০৬ কোটি টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রেভিনিউ বাজেট ছিল ৫১৪১ কোটি টাকা। তার মধ্যে অনুন্নয়ন খাতে ৪৪২৩ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন খাতে ৭১৮ কোটি টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বাজেটে ৫২৬৯ কোটি টাকার মধ্যে অনুন্নয়ন খাতে ৪৪৩০ এবং উন্নয়ন খাতে ৮৩৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রকৃত ব্যয় ছিল ৪৩৬০ কোটি টাকা। তার মধ্যে অনুন্নয়ন খাতে ৪০৭৭ এবং উন্নয়ন খাতে ২৮৩ কোটি টাকা।

মুভমেন্ট ফর ওয়ার্ল্ড এডুকেশন রাইটসের পক্ষ থেকে গত ২৭ মে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে অনুন্নয়ন ও উন্নয়ন মিলে সরকারি-বেসরকারি ৪ লাখ ১৬ হাজার ৪৩ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষা খাতে ৯০ হাজার ৩২৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল যা জাতীয় বাজেটের প্রায় ২১ শতাংশ। ইতিপূর্বের বরাদ্দগুলো সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেই সীমাবদ্ধ ছিল। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা খাতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করার দাবি উত্থাপন করা হয়েছিল (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, কলেজ, প্রাইমারি ও মাধ্যমিক স্কুল, কওমি এবং আলিয়া মাদরাসা, কারিগরি স্কুল ও কলেজ, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল)। এর মধ্যে অনুন্নয়ন খাতে ৫০ হাজার ৩২৬ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন খাতে ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের দাবি জানানো হয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা খাতে ৩৫ হাজার ৩২৬ কোটি টাকা ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা খাতে ৫৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের দাবি ছিল।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মুভমেন্ট ফর ওয়ার্ল্ড এডুকেশন রাইটসের প্রস্তাব ছিল ৩৫৩২৬ কোটি টাকার। তার মধ্যে অনুন্নয়ন খাতে ২১৩২৫ এবং উন্নয়ন খাতে ১৪০০০ কোটি টাকা কিন্তু সরকারের প্রস্তাব হচ্ছে ২২,৪৬৬ কোটি টাকা। তার মধ্যে অনুন্নয়ন খাতে ১৪১৫৪ এবং উন্নয়ন খাতে ৮৩১২ কোটি টাকা। তাতে কম হয়েছে ১২৮৬০ কোটি টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা খাতে প্রস্তাব ছিল ৫৫০০০ কোটি টাকার। তার মধ্যে অনুন্নয়ন খাতে ৩৪০০০ এবং উন্নয়ন খাতে ২১০০০ কোটি টাকা কিন্তু সরকারের প্রস্তাব হচ্ছে ২৪৮৮৮ কোটি টাকা। তার মধ্যে অনুন্নয়ন খাতে ১৮৮৭৪ এবং উন্নয়ন খাতে ৬০১৪। তাতে কম হয়েছে ৩০১১২কোটি টাকা।

প্রস্তাবিত বাজেটে আয়ের খাতসমূহ: মুভমেন্ট ফর ওয়ার্ল্ড এডুকেশন রাইটস প্রস্তাব করেছিল সরকারি উৎস হতে ৫৫ হাজার ৩২৬ কোটি টাকা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো দিবে ২৩ হাজার কোটি টাকা ও ১২ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক অনুদান। উল্লেখ্য বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো টিউশন ফি বাবদ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে যে অর্থ আদায় করে সেসব অর্থ, অর্থাৎ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০ এর ৪১ নং ধারা অনুযায়ী “ ১. কোন জনকল্যাণকামী ব্যক্তি, ব্যক্তিগোষ্ঠী, দাতব্য ট্রাস্ট বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নিঃশর্তভাবে প্রদত্ত দান; ২. কোন জনকল্যাণকামী ব্যক্তি, ব্যক্তিগোষ্ঠী, দাতব্য ট্রাস্ট, প্রতিষ্ঠান বা সরকার হইতে ঋণ; ৩. কোন জনকল্যাণকামী ব্যক্তি, ব্যক্তিগোষ্ঠী, দাতব্য ট্রাস্ট বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনুদান; ৪. শিক্ষার্থী ফি; ৫. বিভিন্ন খাতে সৃষ্ট সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আয় এবং সরকার বা বিশ্ববিদ্যালয় মুঞ্জরী কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত অন্যান্য উৎস” হতে প্রাপ্ত অর্থগুলো দিয়ে ১. শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, ২. একাডেমিক ব্যয়, ৩. অবকাঠামো উন্নয়ন কাজে ব্যয় করবে। এসব ব্যয়ের পর অবশিষ্ট যে অর্থ থাকবে তা সরকারকে দিয়ে দিতে বাধ্য থাকবে। সরকার সেই অর্থ দিয়ে ১. প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যে জমি প্রদান, ২. শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক উন্নত প্রশিক্ষণ ৩. সিলেবাস ও পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন, ৪. শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পেনশন, ৫. শতভাগ আবাসন (শিক্ষার্থী-শিক্ষক) ৬. যাতায়াত, ৭. গবেষণা, ৮. চিকিৎসা, ৯. বিদেশি ফেলোশিপসহ যাবতীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবে।

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মানে জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ এর পূর্ণ বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি লাভ, মানব সক্ষমতা উন্নয়ন, দারিদ্র বিমোচন, সামাজিক বৈষম্য নিরসনসহSustainable Development Goal (SDGs) এর ৪র্থ লক্ষ্য অর্থাৎEducation 2030 নির্ধারিত ৭টি টার্গেট অর্জনে সহায়ক হবে যদি শিক্ষা খাতে পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ দেয়া হয়।

উৎপাদন ভিত্তিতে জিডিপি নিরূপিত ১৫টি খাত নিয়ে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, শিক্ষা খাতে ২০১২-১৩ অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হচ্ছে ৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ। শিক্ষা খাতটি লোকপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা এমনকি বিদ্যুৎ খাত থেকেও বেশি জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। বাঙালি জাতিকে দক্ষ ও সমৃদ্ধ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলে বিশ্বের দরবারে শান্তি, শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা তৈরির মাধ্যমে বিশ্বের বুকে সম্প্রীতির বন্ধন স্থাপন করতে শিক্ষায় বাজেট বৃদ্ধি ছাড়া কোন বিকল্প পথ নেই। তাই আমাদের প্রস্তাবনা হচ্ছে শিক্ষা খাতে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে জাতীয় বাজেটের ২১ শতাংশ বিনিয়োগ করতে হবে।

লেখকবৃন্দ মুভমেন্ট ফর ওয়ার্ল্ড এডুকেশন রাইটস এর সাথে সম্পৃক্ত
২৪ জুন-২০১৮, ঢাকা, বাংলাদেশ

পাঠকের মতামত:

২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test