Pasteurized and Homogenized Full Cream Liquid Milk
E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Transcom Foods Limited
Mobile Version

এবার বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হবে

২০১৯ জুন ১১ ২১:৩৩:৩৪
এবার বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হবে

স্টাফ রিপোর্টার: শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার ক্ষেত্রে নীতিমালার বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। তবে এবার অনেক বেশি সংখ্যক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে এক সম্পূরক প্রশ্নে সরকার দলীয় সাংসদ খন্দকার গোলাম ফারুক সাংসদদের সুপারিশের ভিত্তিতে এমপিওভুক্তির প্রস্তাব করেন। তার জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।

সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে খন্দকার গোলাম ফারুক সম্পূরক প্রশ্নে বলেন, তাঁরা রাজনৈতিক দল থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনের আগে এমপিওভুক্তির অঙ্গীকার ছিল। জনগণ সবকিছুর জন্য সাংসদদের কাছে আসেন। তিনি জানতে চান, শুধু নীতিমালা নয়, সাংসদদের কাছ থেকে তালিকা নিয়ে এবং তাঁদের সুপারিশের ভিত্তিতে এমপিওভুক্ত করা হবে কি না?

জবাবে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার সবকিছুতে যোগ্যতার মাপকাঠিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। অতীতে দেখা গেছে, কীভাবে দলীয় বিবেচনাকে অপব্যবহার করে দেশে যোগ্যতাকে ছুড়ে ফেলা হয়েছে, মানকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি, ন্যক্কারজনকভাবে সবক্ষেত্রে দলীয়করণ করা হয়েছে। বর্তমান সরকার জনগণের সরকার । জনগণের অধিকারের ব্যাপারে শেখ হাসিনার সরকার সচেতন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার ক্ষেত্রে যোগ্যতাকে বড় মাপকাঠি ধরা হচ্ছে। কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে যোগ্যতা শিথিল করারও ব্যবস্থা আছে। দুর্গম অঞ্চল, হাওর অঞ্চল, চরাঞ্চল, বিশেষায়িত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য ক্ষেত্রে শৈথিল্য দেখানোর সুযোগ নীতিমালায় নেই। নীতিমালার বাইরে গিয়ে কিছু করার সুযোগ আছে বলে তিনি মনে করেন না।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশ এখন অর্থনৈতিকভাবে ব্যাপকভাবে এগিয়ে গেছে। আর্থিক সামর্থ্য বেড়েছে। এ কারণে এবার আগের তুলনায় অনেক বেশি সংখ্যক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা যাবে। প্রত্যেক সাংসদের এলাকায় যেসব প্রতিষ্ঠান যোগ্য সেগুলো অবশ্যই এমপিওভুক্ত হবে। এবার আর ১০ বছর অপেক্ষা করতে হবে না। যেসব প্রতিষ্ঠান যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি, তারা যোগ্যতা অর্জন করলে এমপিওভুক্ত হবে।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, ২০১৮ সালে মাধ্যমিক স্তরে ঝরে পড়ার হার ৩৭ দশমিক ৬২ শতাংশ। সরকার দলের সাংসদ এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে মাধ্যমিক স্তরে ঝরে পড়ার এ তথ্য তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

শিক্ষামন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মাধ্যমিক স্তরে মেয়েদের ঝরে পড়ার হার ছেলেদের চেয়ে বেশি। তবে ঝরে পড়ার হার ক্রমে কমছে। ২০০৯ সালে ছেলেদের ঝরে পড়ার হার ছিল ৪২ দশমিক ১৫ শতাংশ, আর মেয়েদের ক্ষেত্রে এই হার ছিল ৬৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ। ২০১৮ সালে ছেলেদের ঝরে পড়ার হার ৩৬ শতাংশ আর মেয়েদের ৪০ দশমিক ১৯ শতাংশ।

সরকারি দলের সাংসদ মাহফুজুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক জরিপ (২০১৮) অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষা থেকে ঝরে পড়ার হার ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ। দারিদ্র্য, অভিভাবকের অসচেতনতা, শিশুশ্রম, অশিক্ষা, বাল্য বিবাহ ও দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা ঝরে পড়ে।

(ওএস/পিএস/১১ জুন, ২০১৯)

পাঠকের মতামত:

২০ জুন ২০১৯

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test