E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Transcom Foods Limited
Mobile Version

চিকিৎসার জন্য গরিবের পকেট খালি হয়ে যায় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২০১৮ ডিসেম্বর ০৫ ১৮:৪৫:২০
চিকিৎসার জন্য গরিবের পকেট খালি হয়ে যায় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার : সাফল্যের পাশাপাশি স্বাস্থ্য খাতে ব্যর্থতাও স্বীকার করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, চিকিৎসার জন্য অনেক সময় গরিবের পকেট খালি হয়ে যায়।

বিগত ১০ বছরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাফল্যের চিত্র তুলে ধরতে ‘সাফল্যের জোয়ারে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য : বিশ্বের বিস্ময়!’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘সাফল্যের পাশাপাশি আমাদের কিন্তু কিছু কিছু সীমাবদ্ধতা আছে, ব্যর্থতাও আছে। এটা অস্বীকার করতে পারব না। এটা একটা বড় সেক্টর। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষ সরকারের ওপর নির্ভর করে থাকে।’

তিনি বলেন, ‘গরিব মানুষগুলোর চিকিৎসার জন্য অনেক সময় পকেট খালি হয়ে যায়। আমরা সেই জায়গায় পৌঁছাতে পারিনি, তাদের সম্পূর্ণ সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা দিতে পারিনি। সবচেয়ে কম মূল্যে সর্বজনীন চিকিৎসা দিতে পারিনি। এ দুঃখ আমার থেকে গেল।’

নাসিম বলেন, ‘আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী যে দায়িত্ব দিয়েছেন তা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতে কী হবে সেটা ভবিষ্যৎ বলতে পারবে। তবে বিশ্বাস করি, শেখ হাসিনা পুনর্নির্বাচিত হবেন। স্বাস্থ্য খাতের সফলতার জন্য একটি ভোট দেশের জনগণের কাছে আমি চাই। কমিউনিটি ক্লিনিকের জন্য হলেও মানুষ শেখ হাসিনাকে একটি ভোট দেবেন।’

আগামী ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

স্বাস্থ্যখাতে গত ১০ বছরের সাফল্যের চিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘তিনটি জাতিসংঘ পুরস্কারসহ মোট ১৬টি আন্তর্জাতিক সম্মাননা ও পুরস্কার অর্জন করেছে স্বাস্থ্যখাত। গত দশ বছরে স্বাস্থ্যখাতে বাজেট বেড়েছে সাত গুণ।’

তিনি বলেন, ‘পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু মৃত্যুহার প্রতি হাজারে ৩৪ দশমিক ২ জন। গত ১০ বছরে ৭৪ ভাগ কমেছে। এক বছরের কম বয়সী শিশু মৃত্যু হার প্রতি হাজারে ৩১ জন। নবজাতক মৃত্যু হার প্রতি হাজারে ১৯ জন। মাতৃমৃত্যু হার প্রতি লাখে ১৭২ জন।’

সারা দেশে ১৩ হাজার ৭৭৯টি কমিউনিটি ক্লিনিক চালু হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘কমিউনিটি ক্লিনিক ও স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ৩০টি বিভিন্ন ধরনের হাসপাতাল নির্মিত হয়েছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে হয়েছে ২০৮টি নতুন হাসপাতাল। নতুন ১৮টি সরকারি ও ছয়টি সামরিক বাহিনীর অধীনে মেডিকেল কলেজ চালু হয়েছে। পুরনো মেডিকেল কলেজগুলোর জন্য ৭৫০টি আসন বাড়ানো হয়েছে। চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু হয়েছে।’

এ সময় মন্ত্রণালয় ও অধীন বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

(ওএস/অ/ডিসেম্বর ০৫, ২০১৮)

পাঠকের মতামত:

১৯ ডিসেম্বর ২০১৮

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test