E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Transcom Foods Limited
Mobile Version

নির্বাচনকে ঘিরে অবৈধ অস্ত্রের প্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে সতর্ক বিজিবি

২০১৮ সেপ্টেম্বর ১০ ১৪:০৪:১৪
নির্বাচনকে ঘিরে অবৈধ অস্ত্রের প্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে সতর্ক বিজিবি

স্টাফ রিপোর্টার : আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্ত দিয়ে যাতে অবৈধ অস্ত্র বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য সতর্কাবস্থায় রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পাশাপাশি নির্বাচনকালীন সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবে তারা। এসময় দেশে যাতে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি না হয়, সেজন্য সরকারি নিদের্শনা মোতাবেক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ।

সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পিলখানার বিজিবি সদর দফতরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম।

ভারতের নয়াদিল্লিতে বিজিবি ও বিএসএফের মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ে ৪৭তম সীমান্ত সম্মেলন শেষে আজ সোমবার দুপুরে পিলখানায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বিজিবি।

বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে মাঠে কাজ করে থাকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সরকার চাইলে আগামী জাতীয় নির্বাচনেও তারা এই দায়িত্ব পালন করবে।’

সাংবাদিকের করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকার যে আদেশ করবে বিজিবি সে আদেশ মোতাবেক কাজ করবে। সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি আমাদের এই দায়িত্ব পালন করতে হয়। নির্বাচনকালীন সীমান্ত যেন সুরক্ষিত থাকে সেজন্য আমরা ভারত ও মিয়ানমারের দুই বাহিনীর কাছে সহযোগিতা চেয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সীমিত জনবল দিয়ে যেন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেয়া যায় সেজন্য আলোচনা করেছি। কারণ নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করতে হলে আমাদের জনবল ভাগ হয়ে যাবে। ফলে তখন আন্তঃরাষ্ট্রীয় সীমান্ত যাতে সুরক্ষিত থাকে সেজন্য সহযোগিতা চেয়েছি।’

গত ৩-৮ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে বিজিবি ও বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ে ৪৭তম সীমান্ত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সীমান্ত সম্মেলনে আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিজিবি ডিজি।

সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হবে উল্লেখ করে বিজিবি প্রধান বলেন, ‘সীমান্ত হত্যা বন্ধে ভারতীয় ও মিয়ানমার সীমান্ত বাহিনীর সাথে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। ২০০১ সালে সীমান্তে ৭১ জন, ২০১০ সালে ৬০ জন, ২০১৫ সালে ৪৫ জন, ২০১৬ সালে ৩১ জন, ২০১৭ সালে ৫ জন এবং চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত ১ জন নিহত হয়েছে। এ থেকে স্পষ্ট যে, আমাদের চেষ্টা ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে আলোচনা ফলপ্রসূ হচ্ছে। আশা করছি, এটা সামনের দিনগুলোতে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব হবে।’

(ওএস/এসপি/সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৮)

পাঠকের মতামত:

১৮ নভেম্বর ২০১৮

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test