E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Transcom Foods Limited
Mobile Version

রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৮৩০০ করে বিল পাস

২০১৮ সেপ্টেম্বর ২০ ১৯:০২:৪৭
রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৮৩০০ করে বিল পাস

স্টাফ রিপোর্টার : রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৮ হাজার ৩০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ মজুরি ১১ হাজার ২০০ টাকা করে সংসদে বিল পাস হয়েছে। এ ছাড়া সরকারি কর্মচারীর মতো শ্রমিকরাও নববর্ষ ভাতা পাবেন। বর্তমানে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকরা ন্যূনতম মজুরি ৪ হাজার ১৫০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৬০০ টাকা পাচ্ছেন।

‘পণ্য উৎপাদনশীল রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান শ্রমিক (চাকরির শর্তাবলি) বিল-২০১৮’ নামে প্রস্তাবিত আইনটি বৃহস্পতিবার পাস হয়।

শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে বিলটি যাচাই-বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব নাকচ হয়।

নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী, বিলটিতে সরকারি শ্রমিকদের বেতন শতভাগ বাড়ানো হয়েছে। শ্রমিকদের এই মজুরি ২০১৫ সালের ১ জুলাই থেকে এবং ভাতা ২০১৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে বলে বিলে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন আইন অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীর মতো শ্রমিকরাও নববর্ষ ভাতা পাবেন।

সরকার গঠিত জাতীয় মজুরি ও উৎপাদনশীলতা কমিশন রাষ্ট্রায়ত্ত শ্রমিকদের এই বেতন ভাতা বৃদ্ধির সুপারিশ করে। ২০১৫ সালে সরকারি চাকুরেদের বেতন বাড়ানোর পর রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের মজুরি বাড়াতে সাবেক সচিব নজরুল ইসলাম খানকে চেয়ারম্যান করে ‘জাতীয় মজুরি ও উৎপাদনশীলতা কমিশন-২০১৫’ গঠন করা হয়।

এই কমিশন গত বছরের ৪ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দেয়। রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম ৮ হাজার ৩০০ টাকা ও সর্বোচ্চ ১১ হাজার ৬০০ টাকা মজুরি নির্ধারণের সুপারিশ করেছিল।

এর আগে ‘জাতীয় মজুরি ও উৎপাদনশীলতা কমিশন ২০১০’ রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের শ্রমিকদের মজুরি প্রায় ৭০ শতাংশ বাড়িয়ে সর্বোচ্চ মজুরি ৫ হাজার ৬০০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৪ হাজার ১৫০ টাকা নির্ধারণ করেছিল।

বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন, বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন, বাংলাদেশ টেক্সাটাইল মিলস কর্পোরেশন, বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন এবং বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনে কর্মরত শ্রমিকরা এই আইনের আওতায় পড়বেন বলে প্রস্তাবিত বিলে বলা হয়।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সময়ের নিরিখে ২০১২ সালের মজুরি কাঠামো বর্তমানে শ্রমিকদের চাহিদা পূরণে যথেষ্ট নয় বিধায় সরকার নতুন মজুরি কাঠামো প্রবর্তনের প্রয়োজন অনুভব করে। এ উদ্দেশ্যে গঠিত ‘জাতীয় মজুরি ও উৎপাদনশীলতা কমিশনের সুপারিশ মন্ত্রিপরিষদে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।’

(ওএস/এসপি/সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৮)

পাঠকের মতামত:

২৩ অক্টোবর ২০১৮

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test