Pasteurized and Homogenized Full Cream Liquid Milk
E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Transcom Foods Limited
Mobile Version

কালো তালিকায় ২৭ এমপি!

২০১৯ সেপ্টেম্বর ২১ ১৮:২৭:১৪
কালো তালিকায় ২৭ এমপি!

নিউজ ডেস্ক : শুধু ছাত্রলীগ, যুবলীগ নয়, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এমনকি মন্ত্রী, এমপিদেরও অপকর্মের তদন্ত করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল সূত্র বলছে যে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা এবং প্রধানমন্ত্রীর একটি নিজস্ব টিম এই কাজ প্রায় সম্পন্ন করে ফেলেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বিভিন্ন অপরাধ এবং অনৈতিক তৎপরতার সঙ্গে যুক্ত ২৭জন এমপিকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এরা দলের জন্য ক্ষতিকর। এমপি হয়ে এরা সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজির সঙ্গে জড়িত বলে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছেছে।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর নিজস্ব টিম দিয়ে এই অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখছেন। ধারণা করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী ফিরে আসার পর এমপিদের বিরুদ্ধেও এই ক্রাশ প্রোগ্রাম অব্যাহত করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে যে, এই ২৭জন এমপির মধ্যে ঢাকার এমপি অন্তত তিনজন। এদের একজনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে শ্মশানঘাটের জমি দখল করার অভিযোগ রয়েছে। আরেক এমপির বিরুদ্ধে রয়েছে টেন্ডারবাজিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসীদের লালন পালনের অভিযোগ।

বিভিন্ন সূত্র বলছে, মতিঝিল এলাকায় যেমন যুবলীগের ক্যাসিনোর বিষয়ে সাংসদ রাশেদ খান মেননের সম্মতি ছিল ঠিক তেমনি ঢাকার বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে এমপিদের যোগসাজশ রয়েছে বলে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। ঢাকা ছাড়াও নারায়ণগঞ্জের একজন প্রভাবশালী এমপি যার সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব দেখা দেয় তাঁকেও কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বরিশাল, যশোর, রাজশাহীসহ অন্তত ১৭টি জেলার ২৭ এমপির বিরুদ্ধে এধরণের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, প্রধানমন্ত্রী এসব অভিযোগের ব্যাপারে শূন্য সহিষ্ণুতা নীতি গ্রহণ করেছেন। তিনি একাধিক শীর্ষ নেতাকে বলেছেন, শুধুমাত্র ছাত্রলীগ, যুবলীগ নয় যারাই অপকর্মের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি এটাও বলেছেন যে, দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো।

সূত্র বলছে যে, এমপিদের বিরুদ্ধে নানারকম অবৈধ তৎপরতার অভিযোগ রয়েছে। তাঁদেরকে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা সতর্ক করে দিয়েছেন। শেষ সতর্কবার্তা যদি তারা গ্রহণ না করেন সেক্ষেত্রে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সংগঠনের নামে কেউ সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি করলে বা সন্ত্রাসীকে লালন করলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কাউন্সিলের আগে দলের একটি ক্লিন ইমেজ আওয়ামী লীগ সভাপতি তৈরি করতে চান। এই ক্লিন ইমেজের অংশ হিসেবেই তিনি এই অভিযানের নির্দেশ দিয়েছেন বলে দলের শীর্ষস্থানীয় একাধিক নেতা নিশ্চিত করেছেন।

(ওএস/এসপি/সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯)

পাঠকের মতামত:

২০ অক্টোবর ২০১৯

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test