Pasteurized and Homogenized Full Cream Liquid Milk
E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Transcom Foods Limited
Mobile Version

পর্ব ২

আদাবর-শ্যামলীবাসীর আতঙ্কের নাম হাসু-কাসু!

২০১৯ নভেম্বর ০৬ ২৩:৩৬:৫২
আদাবর-শ্যামলীবাসীর আতঙ্কের নাম হাসু-কাসু!

স্টাফ রিপোর্টার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চলমান শুদ্ধি অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে রাজধানীর আদাবর থানায় বসবাসকারী স্থানীয় জনতার পক্ষে এবং আদাবর থানার দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও এসব কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত লোকদের নাম উল্লেখ করে থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রুবেল একটি খোলা চিঠি দিয়েছিলেন উত্তরাধিকার ৭১ নিউজকে। সেই চিঠিতে উল্লেখিত অভিযোগসমুহের বিস্তারিত উত্তরাধিকার ৭১ নিউজের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

তিনি একজন কাউন্সিলর। ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের জানমালের নিরাপত্তা ও উন্নয়নের দায়িত্ব তার কাঁধে। কিন্তু সেসবের কোন ধার ধারেন না তিনি। উল্টো দখল-চাঁদাবাজির রাজত্ব কায়েম করে বাসিন্দাদের জন্য এক আতঙ্কের নাম হয়ে উঠেছেন নিজেই। তিনি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবুল হাশেম ওরফে হাসু। ২০০২ সালে প্রথম কাউন্সিলর হওয়ার পর থেকেই এলাকায় দখল-চাঁদাবাজির শুরু। তখন ছিলেন বিএনপির অনেকের সঙ্গে ঘনিষ্ট। সরকার পরিবর্তন হলে সখ্যতা গড়েন আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে। এক পর্যায়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বও পান হাসু। তারপর শুরু করেন সরকারি দলের পরিচয়ে দখল-চাঁদাবাজি। তার বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে সংগঠন থেকেও তাকে বহিস্কার করা হয়। দল থেকে বহিস্কার হলেও থেমে থাকেনি হাসুর অপকর্ম। দ্বিতীয় দফা স্বতন্ত্র কাউন্সিলর হওয়ার পর তিনি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেন। নেশা হয়ে উঠে অন্যের জমি-সম্পত্তি দখল করা। গত কয়েক বছরে দখল, জালিয়াতি আর নানা অপকর্ম করে তিনি শতকোটি টাকার মালিক হয়েছেন। ব্যবহার করেন তিনটি দামি গাড়ি।

কাউন্সিলল হাসুর বাবা ফজর আলী এক সময় জীবিকার তাগিদে ক্ষুদ্র ব্যবসা করতেন। হাসু এবং তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে ছিল রিকশা চুরির অভিযোগও। জনপ্রতিনিধি হওয়ার পর থেকে হাসু এলাকায় এখন আতঙ্কের নাম। অভিযোগ আছে, কাউন্সিলর হাসু ও তার ভাই কাসু অবৈধ দখলবাজি করে শত বিঘা জমি, অসংখ্য ফ্ল্যাট- প্লট ও দোকানের মালিক হয়েছেন। তার দখলে শুধু সাধারণ মানুষের সম্পত্তি নয় রয়েছে সরকারি খাসজমিও। আদাবর থানা এলাকায় কেউ নতুন ভবন বা অন্য কোনো স্থাপনা তৈরি করতে হলে হাসুকে চাঁদা দিতে হয়। চাঁদা তোলার জন্য আছে তার আলাদা সন্ত্রাসী বাহিনীও।

এছাড়া বিভিন্ন দোকান, অফিস, হাসপাতাল থেকেও তার নামে মাসিক চাঁদা তোলা হয়। চাঁদা কেউ না দিলে অথবা তাদের মতের বাইরে কেউ গেলে নিজস্ব টর্চার সেলে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করা হয়। টর্চার সেলে নির্যাতন করে জোরপূর্বক আদায় করে থাকেন দাবীকৃত চাঁদা। এছাড়া এলাকার বড় মাপের মাদক ব্যবসায়ীও তার আশীর্বাদপুষ্ট।

মাদক ব্যবসা থেকেও হাসুর কাছে আসে বেশ বড় অঙ্কের টাকা। হাসু-কাসু নামে ‘স্টার লীগ’ পরিচালিত হয়ে হচ্ছে সব ধরনের অপকর্ম। কাউন্সিলর হাসু ও তার ভাই কাসু মিলে মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, আদাবর, শেখেরটেক, ঢাকা উদ্যান, চন্দ্রিমা উদ্যান, নবোদয় হাউজিং, সিলিকন বেলী, বেড়িবাঁধের নিম্নাঞ্চল এলাকায় দখল করেছেন অসংখ্য জমি। তাদের সহযোগী হিসেবে পরিচিত জুল হোসেন, মাহবুব, শাহ আলম খান, রহমত উল্ল্যাহ ও আবুল কালাম প্রমুখ হাসু-কাসুর পক্ষে অসংখ্য বাড়ি ও জমি দখল করে প্রথমে ও পরে বিভিন্ন কায়দায় তার কাগজপত্র করতেন। পরে ওইসব জমি বিক্রি করে যে টাকা আসতো তার বড় অংশই হাসু ও কাসু কাছে জমা হতো। কাউন্সিলয় হাসু চলাফেরা করেন টয়োটা হ্যারিয়ার, রেফ-৪, প্রাডো ইত্যাদি ভিবিন্ন অভিজাত গাড়িতে।

সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে অসংখ্য বাড়িঘর দখল করা এই দুই ভাইয়ের দৌরাত্ম্যে আদাবর এলাকার স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারাও রীতিমতো অতিষ্ঠ। কাউকে তোয়াক্কা না করে তারা দুজনই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে বেড়ান। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় জমেছে বিভিন্ন আইন শৃংখলা বাহিনীর কাছে। অনেক ক্ষেত্রেই ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস পান না সাধারণ জনতা। তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুললে মামলা-হামলাসহ নানা রকম হয়রানির শিকার হতে হয়। প্রাণের ভয়ে অনেকেই তাদের শেষ সম্বলটিও হারিয়েছেেন এই ভাই দ্বয়ের কাছে। এতসব অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও এবং শেখ হাসিনার বর্তমান সুদ্ধি অভিযান চলাকালে এই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে কেন এমন প্রশ্ন রাখা হয়েছে উল্লেখিত চিঠিতে।

অভিযোগ পত্রে আরো উল্লেখ করা হয়, কাউন্সিলর হাশেমের ডান হাত হিসেবে পরিচিত মাদক সম্রাট সেলিম মিয়া। তিনি মাদক ব্যবসা করে শতকোটি টাকার মালিক হয়েছেন। কাউন্সিলরের নির্দেশে সেলিম শেখেরটেকের রফিক হাউজিং এলাকা নিয়ন্ত্রণ করতেন এই সেমিম। সেলিমের সহযোগী হিসেবে কাজ করেন মানিক, টিপু, মকবুল, হীরা, জলিল, আল আমিন, মাসুদ, জসিম, জুয়েল, মোহাম্মদ আলী, মকবুল, আলমসহ আরো অনেকে। সেলিমের বোন ওই এলাকার ইয়াবা সম্রাজ্ঞী হিসেবে পরিচিত। কাউন্সিলর হওয়ার পরে আলিফ হাউজিং এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনায় হাসুর ক্যাডার বাহিনী প্রথমে পুলিশের সোর্সের উপর এবং পরে আদাবর থানার উপ-পরিদর্শক রঞ্জিতের ওপর হামলা করে। পুলিশের একটি মোটরসাইকেলও তারা পুড়িয়ে দিয়েছিল। অভিযোগ আছে মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে থেকে হাসু প্রতিমাসে নিয়োমিত মাসোহারা পান।

কাউন্সিলর হাসুর দখলবাজি অভিযোগঃ কাউন্সিলর হাসু ও তার ভাই কাসুর বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে, মামলা হামলা, ভুয়া দলিল তৈরি করে জাল স্বাক্ষরে সাধারণ মানুষের জমি দখলের নানা অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে, উত্তর আদাবরের ১৪৫/৩ নম্বরের দেলোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি প্লট দখল। আদাবর ৬ নং রোডের মাথায় ২০৩ দাগে ৬৪ কাঠা, ২০৯ দাগে ১৬০ কাঠা জমি দখল। এই জমির মালিক আলী হোসেন। হাজী মো. ইউসুফ নামের এক ব্যক্তির শেখেরটেক এলাকায় ৩ কাঠা, বায়তুল আমান হাউজিংয়ে সাড়ে ৫ কাঠা জমি দখল।

নবোদয় হাউজিং এলাকায় চারটি প্লট, মালেক গলিতে দুটি, আদাবরের বিভিন্ন রোডে সাতটি প্লট, আদাবরের ১০ নম্বর রোডের ৫৯৫ নম্বরের ১০ কাঠা প্লট, ১৩ নম্বর রোডে জমি দখল করে ১০টি দোকান, হোসনাবাদ মার্কেটের পাশে ১০ কাঠার প্লট দখল করে নিয়েছেন। আলিফ হাউজিংয়ের খাল দখল করে অফিস নির্মাণ, কমফোর্ট হাউজিং ও সুনিবিড় মধ্যস্কুল এলাকায়ও বেশ কয়েকটি প্লট দখলে রয়েছে তার। আজিজ গার্মেন্টসের জায়গা মাদ্রাসার নামে লিখে নেয়ার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। শেখেরটেক ও বায়তুল আমান হাউজিংয়ের ১০ নম্বর রোডের শেষ মাথায় ৫টি প্লট দখলে নিয়েছে হাসুর ঘনিষ্ঠ হাজী মোজাম্মেল হক ও অন্যরা। কমফোর্ট হাউজিংয়ের আদাবর ১৭/এ রোডের শেষ মাথায় ২টি প্লট, ১৬ নম্বর রোডের কাঁচা বাজারের সাত কাঠা জমি দখল এবং ১৬/এ রোডের মসজিদ গলিতে জমি দখল করে কাউন্সিলরের লোকজন ব্যবসা করছেন।

ভুক্তভোগীরা যা বলছেন: ২৫/১ শ্যামলীর আলী হোসেন বলেন, আদাবরে ৬ নং রোডের মাথায় ২০৩ দাগে ৬৪ কাঠা ও ২০৯ দাগে ১৬০ কাঠা পৈতৃক সম্পত্তি হাসু কাউন্সিলর দখল করে নিয়েছে। ২০৯ দাগের জমির জন্য ২০০৭ সালে মামলা করেছিলাম। সাত বছর মামলা চলার পরও কোন লাভ হয়নি।

আদাবর থানা ছাত্রলীগের পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান মশু হত্যার আসামী সেলিম আহমেদ জীবন ওরফে কসাই সেলিম ওরফে বিয়ার সেলিম ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর নিত্য অত্যাচার এবং বেপরোয়া তাণ্ডবে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী, যারা সবাই হাসু-কাসুর কাছের লোক। এলাকার নিরীহ জনতার উপর একের পর এক অন্যায় অত্যাচারের ষ্টিম রোলার চালাচ্ছে তারা। চিহ্নিত দূধর্ষ সন্ত্রাসী সেলিম আহমেদ জীবন আদাবর থানাধীন শেখেরটেক এলাকার শামসু মৃধা ওরফে কসাই শামসুর ছেলে ।

থানার সন্ত্রাসী তালিকায় নাম থাকার পরও সে প্রকার্শেই চলাফেরা করে। ছিনতাই, ডাকাতি, মোবাইলে হুমকি, অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়কে নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত করেছে এই সেলিম । গত ২৮ মে, ২০১৮ তে জাতীয় দৈনিক পত্রিকা 'দৈনিক ইত্তেফাকে' প্রকাশিত ‘রাজধানীতে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ১৩৮৪ জন’ শীর্ষক সংবাদে ৯৬৯নং তালিকায় রয়েছে সেলিম আহমেদ জীবন ওরফে কসাই সেলিম ওরফে বিয়ার সেলিম এর নাম জানানো হয়। মাদক বিক্রি, ভুমিদস্যুতা ও অস্ত্র ব্যবসায়ী হিসেবেও ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে সন্ত্রাসী সেলিমের ।

জানা যায় , বিগত ২০১৭ ইং সালের ৩রা সেপ্টেম্বর রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শেখেরটেক ১০ নম্বর সড়কে সেলিম বাহিনীর হামলায় মাথায় ইট ও রডের আঘাতে খুন হন ছাত্রলীগ নেতা মশিউর রহমান মশু। সে সময় নিহত মশিউরের বাবা জুলহাস ব্যাপারী আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে আদাবর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

মামলার আসামিরা হলেন সেলিম আহমেদ জীবন ওরফে কসাই সেলিম ওরফে বিয়ার সেলিম, মনোয়ার হোসেন জীবন ওরফে লেদু হাসান, মোল্লা স্বপন, সাগর, সাঈদ ওরফে পিচ্চি সাঈদ, ফরহাদ ও মো. হৃদয়। এ মামলায় আসামীরা গ্রেফতার হয়ে আদালতের মাধ্যমে জামিনে বেড়িয়ে আসে । এরপর থেকেই বিভিন্নভাবে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার সহ মাদক, ছিনতাই ও ভূমি দখলে লিপ্ত আছে বলেও তার চিঠিতে উল্লেখ করেন ছাত্রলীগনেতা রুবেল ।

ছাত্রলীগনেতা মশু হত্যা মামলার আরেক আসামী ও সেলিমের সহযোগী মনোয়ার হোসেন জীবন ওরফে লেদু হাসান আদাবর থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক । সে ২০১০ সালে ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ওহেদুজ্জামান রুমী হত্যামামলার চার্জশিটভুক্ত আসামিও। আরেক আসামী মোল্লা স্বপনও এই মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি। এছাড়া ২০০৩ সালে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস আর পলাশ হত্যায় যে মামলা হয় সেই মামলার চার্জশিটেও লেদু হাসানের নাম আছে বলে জানানো হয়।

বর্তমানে সেলিম আহমেদ জীবন ওরফে কসাই সেলিম ওরফে বিয়ার সেলিম তার ভাগ্নে মিরাজ, শরীফ , ইরফান, সমীর , রেহান, বিজয় ও জুয়েলের মাধ্যমে এলাকায় ইয়াবার ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ইতোপূর্বে র‍্যাবের অভিযানে সেলিমের স্ত্রী লিপি আক্তার বিদেশি মদ ও বিয়ার সহ গ্রেফতার হয়েছিলেন। চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও বহু মামলার আসামী সেলিম গংদেরকে গ্রেফতার করে উপযুক্ত শাস্তি প্রদানে পুলিশ সুপার ও র‍্যাব-২ এর সদয় হস্তক্ষেপ দাবী জানানো হয়।

অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, আদাবরের যুব সমাজ, ছাত্রসমাজ ও রাজনৈতিক সমাজ ধ্বংসের হাতিয়ার রায়হান।
রায়হান বিটিভির নির্মাতা শহিদুল ইসলাম হত্যা মামলার এক নম্বর আসামি, আদাবর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ আহমেদের উপর হামলা মামলার অন্যতম আসামি, আদাবর থানায় ১০০পিস ইয়াবা ও হিরোইন মামলার আসামি বলেও জানানো হয়। এছাড়া রায়হান শেকেরটেক দশে পতিতাবৃত্তি ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে থানা ছাত্রলীগনেতা রিয়াজ রায়হানকে এলাকা থেকে বের করে দেয় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। কিছুদিন আগে কমিশনার হাসুর ছত্রছায়ায় ছাত্রলীগের থানা সভাপতি রিয়াজের ওপর হামলা চালায় বলেও পুলিশের এজহার ও ভুক্তভোগীর অভিযোগ থেকে জানা যায়।

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক প্রবাসী মেয়ের থেকে ১লাখ ৭০ হাজার টাকা করেন এই রায়হান যার বিচার আদাবর থানার ওসি শাহীন এবং সাব ইন্সপেক্টর মেহেদির মাধ্যমে সমাধান হয়। এই রায়হান আসলে কার লোক তা স্প্রস্ট না হলেও তিনি কখনো শীর্ষ সন্ত্রাসী নবীর লোক, কখনো সাবেক ছাত্রলীগনেতা দুলালের লোক, কখনো ইদ্রিসের লোক, কখনো নবীর ভাই সুমনের লোক হয়, কখনো হাসুর লোক হয়ে বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম করছে বলে লিখিত অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করে উত্তরাধিকার ৭১ নিউজকে জানান আদাবর থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক।

উপরোক্ত অভিযোগ সমুহের ব্যাপারে অভিযুক্ত হাসু ও তার ভাই কাসুর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি।

(আর/এসপি/নভেম্বর ০৬, ২০১৯)

পাঠকের মতামত:

১৫ নভেম্বর ২০১৯

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test