Occasion Banner
E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Transcom Foods Limited
Mobile Version

হতাশ মনে বিদায় নিলাম : রানা দাশগুপ্ত

২০২০ জানুয়ারি ১৩ ১৮:৪০:১৩
হতাশ মনে বিদায় নিলাম : রানা দাশগুপ্ত

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ। দেড় ঘণ্টার সভা শেষে এই ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত বলেছেন, ‘হতাশ মনে এই নির্বাচন কমিশন থেকে আমাদের বিদায় নিতে হয়েছে। তারা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কথা বলেছেন, আমরা আমাদের হৃদয়ের অনুভূতির কথা বলেছি। আমরা বলতে চাই, এ আলোচনার মধ্য দিয়ে কোনো সমস্যার সুরাহা করতে পারিনি।’

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে এই বৈঠক হয়। ঐক্য পরিষদের আহ্বান, ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি বাদে যেকোনো দিন নির্বাচন করার জন্য।

রানা দাশগুপ্ত বলেন, ‘সরকারের হিসাব অনুযায়ী ২৯ জানুয়ারি সরস্বতী পূজা। আমরা বলার চেষ্টা করেছি, ২৯ জানুয়ারি সাড়ে ১০টার পর থেকে শ্রী পঞ্চমী তিথি শুরু হবে। তারপর দিন ৩০ জানুয়ারি বেলা ১১টার দিকে তিথির অবসান ঘটবে। নিয়ম হলো, শ্রী পঞ্চমী তিথির সকালবেলা সূর্যোদয়ের পর সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হয়। এটাই ধর্মীয় শাস্ত্রীয় রীতিনীতি বা বিধান।’

তিনি বলেন, ‘৩০ জানুয়ারি নির্বাচন হলে পূজা হবে কোথায়? আমাদের স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে উৎসবের সাথে পূজা হয়। নির্বাচন হলে কী করে পূজার্চনা করবে? তাহলে নির্বাচন হলে তো পূজা হবে না!’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আহ্বান জানিয়ে রানা দাশগুপ্ত বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের কথা হলো মন্ত্রিপরিষদে যেহেতু সিদ্ধান্ত হয়েছে ২৯ জানুয়ারি সরস্বতী পূজা, মন্ত্রিপরিষদ এ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না করলে এখান থেকে তারা পিছু হটতে পারবেন না।’

রানা দাশগুপ্ত বলেন, ‘সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে যদি শুভবুদ্ধির উদয় হয়, আমাদের অনুভূতিকে তারা যদি যথাযথ মর্যাদায় গ্রহণ করতে পারেন, তাহলে আড়াই কোটি মানুষের পক্ষ থেকে তাদের ধন্যবাদ জানাব। এও বলেছি, সরস্বতী পূজার দিন নির্বাচন হলে কী বার্তা যাবে সাধারণ মানুষের কাছে। দেশের বাইরে কী বার্তা যাবে? সেখানে বলা হবে তখন যে, বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতার যে সাংবিধানিক অধিকার, এটা ক্ষুণ্ন হচ্ছে।’

এই দুই সিটির ভোটের দিন পরিবর্তন না করার কারণে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হলে এর দায় নির্বাচন কমিশন ও সরকারকে নিতে হবে বলে জানায় এই হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ।

গত চার মাস আগে দুর্গা পূজার সপ্তমীর দিন রংপুরে সংসদীয় উপ-নির্বাচন হয়েছে জানিয়ে রানা দাশগুপ্ত বলেন, ‘আমরা সেটার বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ করেছিলাম।’

(ওএস/এসপি/জানুয়ারি ১৩, ২০২০)

পাঠকের মতামত:

০৩ আগস্ট ২০২০

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test