Pasteurized and Homogenized Full Cream Liquid Milk
E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Transcom Foods Limited
Mobile Version

নয়াবাদ মসজিদে বাড়ছে দর্শনার্থীদের ভীড়

২০১৯ মে ২৫ ১৬:৩১:০৬
নয়াবাদ মসজিদে বাড়ছে দর্শনার্থীদের ভীড়

শাহ্ আলম শাহী, দিনাজপুর : মাহে রমজান ফজিলতের মাস উপলক্ষে দর্শনার্থী ও ভক্তদের ভীড় বাড়ছে দেশের প্রাচীন ঐতিহানিক স্থাপনা দিনাজপুরে নয়াবাদ মসজিদটি’তে। দর্শন করতে প্রতিদিন ভীড় বাড়ছে দেশ-বিদেশের অসংখ্য দর্শনার্থী’র । দিনাজপুরের প্রত্যান্ত অঞ্চলে অবস্থিত এই মসজিদের নিরিবিলি পরিবেশে এসে দর্শনার্থীরাও মুগ্ধ। তবে, শীত ও ঈদের সময় সবচেয়ে বেশি মানুষ বেড়াতে আসে এখানে।

এদিকে রক্ষণা-বেক্ষণের অভাবে মসজিদের অবকাঠামো অনেকটা নাজুক হয়ে পড়েছে। যদি অচীরেই এটি সংস্কার না করা হয় তাহলে স্থাপনাটি অনেক ঝুকির মুখে পড়বে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

দিনাজপুর শহর থেকে ২০কিলোমিটার দূরে কাহারোল উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের নয়াবাদ গ্রামে প্রাচীন ও ঐতিহাসিক এই নয়াবাদ মসজিদটি অবস্থিত। মসজিদের প্রবেশদ্বারের উপরে একটি ফারসি ভাষার রচিত লিপি থেকে জানা যায় সম্রাট দ্বিতীয় শাহ্ আলমের রাজত্ব কালে ১২০০ বাংলা সন ও ১৭৯৩ ইংরেজি খ্রিষ্টাব্দে প্রায় দেড় বিঘা জমির মাঝখানে এই মসজিদটি নির্মান করা হয়।

বিখ্যাত কান্তজিউ মন্দির নির্মানের সময় পশ্চিমা দেশ থেকে আসা মুসলমান স্থাপত্যকর্মীরা কান্তনগরের পার্শ্ববর্তী নয়াবাদ গ্রামের বসবাস শুরু করে। সেই গ্রামেই নামাজের জন্য তারা মসজিদটি নির্মান করেন। মসজিদটি আয়তাকার তিন গম্বুজবিশিষ্ট। চারকোনে চারটি অষ্টভূটাকৃতির টাওয়ার রয়েছে। সমস্ত দেয়াল জুড়ে পোড়ামাটি আয়তাকার ফলক রয়েছে মোট ১০৪টি। মসজিদের পাশে সেই সময়কার স্থাপত্যকর্মীদের কবরস্থানও রয়েছে।

দর্শনার্থীরা ঐতিহাসিক কান্তজিউ মন্দির দেখতে আসলে একবার হলেও পার্শ্ববর্তী এই নয়াবাদ মসজিদটি দেখে যায়। শহরের কোলাহল মুক্ত অপরূপ ও নিরিবিলি পরিবেশে মসজিদটি দেখে মন কাড়ে দর্শনার্থীদের। মসজিদটি দেখতে এসে অনেকে নামাজও পড়ে নেন এখানে।

প্রাচীন এই স্থাপনাটি রক্ষায় যদি অচীরেই সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা গ্রহন না করা হয়, তবে এটি বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

নয়াবাদ মসজিদকে ঘিরে একটি ছোট্ট মাদ্রাসাসহ অনেক উন্নয়নের কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্য করা হয়েছে। তবে মসজিদটি রক্ষায় দেয়াল, ছাদসহ স্থাপনাটি সংস্কার দ্রুত করা প্রয়োজন।

তবে, মসজিদের সমস্যাগুলো তুলে ধরে কাহারোল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসিম আহমেদ একটি প্রস্তাবনা স্থাপত্য অধিদপ্তরের নিকট পাঠানোর পরিকল্পনা গ্রহন করেছেন বলে এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন। অবকাঠামো রক্ষা ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় সর্বদা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানালেন এই কর্মকর্তা।আর এটা পত্মতাত্বিক বিভাগের অধিনে থাকায় এটা তারাই দেখা শোনা করছে।

(এসএএস/এসপি/মে ২৫, ২০১৯)

পাঠকের মতামত:

২০ অক্টোবর ২০১৯

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test