সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : ঈদকে সামনে রেখে দলকে শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির সাতক্ষীরা নতুন করে কার্যক্রম শুরু করেছে। এরই অংশ হিসেবে তারা জেলা জুড়ে রমজান শুরু থেকে লিফলেট বিতরণ শুরু করেছে।

লিফলেটে দেবহাটা উপজেলা সেক্রেটারী আবুল কালামসহ ২১১ জন শহীদের রক্ত, শতশত নেতা কর্মীর পঙ্গুত্ব বরণ, জলুম, নির্যাতন সত্ত্বেও ইসলামী সমাজ বিনির্মাণে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার তাগিদ দেয়া হয়েছে।
এদিকে ঈদকে সামনে রেখে জামায়াত শিবির নতুন করে মাথা চাড়া দেওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতির সঞ্চয় হয়েছে। জামায়াত নতুন করে সংগঠিত হয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটাতে পারে পরে তারা আশঙ্কা করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জামায়াত নেতা জানান, দলীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে পবিত্র ইদুল ফিতরকে সামনে রেখে সারা রমজান মাসব্যাপী ইসলামী ছাত্র শিবির প্রতি বছরের ন্যায় অর্থ সংগ্রহ অভিযানের অংশ হিসেবে যাকাত, ফেতরার টাকা গ্রহনের জন্য ধর্মপ্রাণ ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে ওই প্রচারপত্র বা লিফলেট বিতরণ করছে।

লিফলেটে তারা সংগৃহীত অর্থ গরীব ও মেধাবী ছাত্রদের মধ্যে কুরআন ও হাদীস সরবরাহ চিকিৎসা সেবায় আর্থিক সহযোগিতা প্রদান, শিক্ষাসেবা করণ বিতরণ ও লেন্ডিং লাইব্রেরীর ব্যবস্থা, অসহায় ছাত্রদের আবাসন ও ফরম ফিলাপের ব্যবস্থা, উচ্চ শিক্ষার জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়াসহ নানাবিধ কাজে ব্যবহারের কথা বলে সকলের দৃষ্টিগোচরের চেষ্টা করছে।

প্রচার পত্রে তারা পবিত্র কুরআনের সুরা রুম (৩৯) অর্থাৎ তোমরা আল্লাহুর সন্তুষ্টির জন্য যাকাত দাও, যাকাত প্রদানকারী প্রকৃতপদে তার মাল বর্ধিত করে। এছাড়া হাদিসের আলোকে উল্লেখ রয়েছে যে, জারীর ইবনে আব্দুল্লাহ (রা)বলেন, আমি নবী করিম (সা.)এর নিকট নামাজ কায়েম করা যাকাত প্রদান ও প্রত্যেক মুসলমানের জন্য কল্যাণকামী হওয়ার ব্যাপারে গ্রহণ করেছি ইত্যাদি। এছাড়া তারা সমাজের প্রতিটি অন্যায়, জাহেলিয়াত ও খোদাদ্রোহীতার বিরুদ্ধে তাদের বলিষ্ঠ ভূমিকার কথা উল্লেখ পূর্বক জিহাদ ফি সাবিবলিল্লাহর কাজকে আরো গতিশীল করার জন্য সকলকে আহবান জানিয়েছেন।

এদিকে এব্যাপারে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবীরের মোবাইলে শুক্রবার বিকেল চারটা ৪০ মিনিটে বারবার রিং করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

(আরকে/জেএ/জুলাই ২৫, ২০১৪)