স্টাফ রিপোর্টার : প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা নিজ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, রোহিঙ্গারা যাতে ভোটার হতে না সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। দুয়েক জনের কর্মকাণ্ডের জন্য অনেক সময় কমিশনকে সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়। বিষয়টি লক্ষ্য রাখতে হবে। সবাইকে সচেতন হয়ে কাজ করতে হবে।

শুক্রবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনে বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের তৃতীয় বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এ কথা বলেন তিনি। বিকেল ৩টা থেকে অ্যাসোসিয়েশনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৬টা পর্যন্ত।

ইসি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এক সময় উপজেলা নির্বাচন অফিস ছিল না। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের সম্বল ছিল একটি ব্যাগ। আর যাতায়াতের বাহন ছিল রিকশা। এখন সে অবস্থা নেই। আপনাদেরকে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেয়া হচ্ছে। ক্ষমতাও দেয়া হয়েছে। ক্ষমতা প্রয়োগ করতে হবে। আমরা যদি নিজেরা শক্তিশালী না হই তাহলে কী হবে? আগামীতে সব ধরনের নির্বাচনের দায়িত্ব নেয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের প্রস্তুতি নিতে বলেন তিনি।

সিইসি বলেন, আমরা এখন স্থানীয় সরকারের কোনো নির্বাচনে বাইরের কাউকে দায়িত্ব দেই না। আগামীতে সব ধরনের নির্বাচনের দায়িত্ব নেয়ার জন্য আপনাদেরকে যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। সেটা কতদিনে হবে জানি না। আপনারা ধীরে ধীরে নিজেদের যোগ্য করে তুলুন।

স্মার্টকার্ড নিয়ে ফ্রান্সের কোম্পানির সমালোচনা করে সিইসি বলেন, ২০১৭ সাল থেকে তারা আমাদের যন্ত্রণা দিয়েছেন। তারা সকালে এক কথা বিকেলে আরেক কথা বলেছে। তারা আমাদের ডাটাবেজও ব্যবহার করতে চেয়েছে, কিন্তু আমরা তা দেইনি।
কোম্পানিটি ভেবেছিল তারা না থাকলে হয়তো আমরা স্মার্টকার্ড আর নাগরিকদের দিতে পারবো না। কিন্তু গর্বের বিষয় হলো এটি এখন আমাদের দেশের ছেলেরা তৈরি করছে।

এ সময় নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীরসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

(ওএস/এসপি/সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯)