ইমরান হোসাইন, সিরাজগঞ্জ : উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও বর্ষনে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি আজও অব্যাহত রয়েছে। ফলে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বসতবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাস্তা-ঘাটে পানি উঠে পড়েছে, তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ন ফসলি জমির মাঠ। 

গত ২৪ ঘন্টায় যমুনা নদীর পানি ১১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে শনিবার (২৮ আগস্ট) সকালে সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাধ পয়েন্টে বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে কাজিপুর মেঘাই ঘাট পয়েন্টেও।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) সিরাজগঞ্জ’র শহর রক্ষা বাধ পয়েন্টের গেজ রিডার আব্দুল লতিফ জানান, শুক্রবার (২৭ আগস্ট) ভোর ছয়টা থেকে শনিবার (২৮ আগস্ট) ভোর ছয়টা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাধ পয়েন্টে ১১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।

যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জেলার নদী তিরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এ সমস্ত এলাকার বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাস্তা-ঘাট ও ফসলি জমিতে পানি উঠে পড়েছে। তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ন ফসলি জমি। ফলে বিপাকে পড়ছে জনসাধারন। অনেকেই বসতবাড়ি রেখে অন্যত্র আশ্রয় গ্রহন করছে। বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে এখনো শুরু হয়নি ত্রান তৎপরতা।

সিরাজগঞ্জ জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুর রহিম জানান, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যাপ্ত ত্রান মজুদ রয়েছে। ইতিমধ্যেই স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা প্রশাসনকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা প্রনয়ন করতে বলা হয়েছে। তালিকা প্রস্তুত হলেই ত্রান তৎপরতা শুরু করা হবে।

(আই/এসপি/আগস্ট ২৮, ২০২১)