ঈশ্বরগঞ্জ প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে এবছর বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে চলছে ধান কাটার উৎসব তবে শ্রমিক সংকটের কারণে ধান পাকার পরও ধান কেটে সঠিক সময়ে ঘরে তুলতে পারছে না কৃষকরা।

অন্যদিকে ধানের উৎপাদন খরচের সাথে বাজার মূল্য মিলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কৃষকদের। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে উপজেলায় এবছর ১৯ হাজার ৯শ ৪০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে যা লক্ষ্য মাত্রার চেয়েও বেশি। উৎপাদিত ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮১ হাজার ১শ ৭৩ মে.টন। হাইব্রীড ও উফসী জাতের ৬ হাজার চাষীর মাঝে প্রণোদনার বীজ, ডিএপি ও এমওপি সার প্রদান করা হয়েছে। ধানের আবাদকৃত জাতের মধ্যে রয়েছে ব্রিধান-২৮,২৯,৫৮,৭৪,৮১,৮৪,৮৮,৮৯,৯৬ ও বঙ্গবন্ধু -১০০। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবাদ হয়েছে ব্রি-২৮। যদিও ব্রি-২৮ ধানের বর্তমান ফলন ভালো না হওয়ার কারণে আবাদ না করতে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলে জানান উপ- সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা। ইতোমধ্যে জমির প্রায় ৫০ ভাগ ধান পাকা হয়েছে কিন্তু ঘরে উঠেছে তার অর্ধেক।

উপজেলার হারুয়া গ্রামের কৃষক ইদ্রিস আলী (৬০) বলেন, এবছর অনেক ভালো ফসল হয়েছে তবে শ্রমিক সংকটের কারণে ধান কাটতে বেগ পেতে হচ্ছে।

ধান চাউলের ব্যবসায়ী ঝুটন সরকার বলেন, এখনও বাজারে খুব একটা ধান আসছে না। যেটুকু আসছে তা ৮৫০ থেকে ৯৫০ টাকা মণ দামে বিক্রি হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুসরাত জামান জানান, কৃষকদের কৃষি বিভাগের সেবা নেওয়ার আগ্রহ বৃদ্ধি ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের মাঠে তদারকি এবং আওহাওয়া অনুকূলে থাকার কারণে এবার বাম্পার ফলন হয়েছে। বীজ, সার ও সেচ সংকট না থাকার কারণে কৃষকরা সঠিকভাবে জমি চাষ করতে পেরেছে।

(এন/এসপি/এপ্রিল ২৯, ২০২৩)