নবী নেওয়াজ, পাবনা : অবশেষে মহামান্য হাইকোর্ট থেকে চূড়ান্ত রায় পেয়েছেন জমি ক্রয় সুত্রে প্রকৃত মালিক এর ওয়ারিশ ইব্রাহিম গং। পাবনা জেলা সাথিয়া উপজেলার আতাইকুলা থানাধীন বৃহস্পতিপুর গ্রামের ইব্রাহিম হোসেন গং এর পৈত্রীক সম্পত্তির উপর হাই কোর্ট ও নিম্ন আদালতে  ৩ টি মামলা ছিল। যাহা পাবনা জেলা জজ আদালত থেকে রায় পেয়েছেন মামলার বাদী ইব্রাহিম গং এবং হাইকোর্ট থেকেও রীট মামলা রায় পেয়েছেন ইব্রাহিম গং।

ইব্রাহিম বলেন, আমি ইব্রাহিম আমার মায়ের নামে স্বরগ্রাম মৌজার ১৯৬০/৬১সালে খরিদ করা সম্পত্তি যার এস,এ নং-২৫ এ খাজনা খারিজ দিয়ে আসছি। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আর এস রেকর্ড হয় আর এস খতিয়ান নং-৮৯. তারপর খাজনা দিয়ে আসছি। ২০১২ইং সাল পর্যন্ত খাজনা পরিশোধ করা হয় পরবর্তী সময় খাজনা পরিশোধ করতে গেলে ভূমি অফিস থেকে বলে যে ক তফসিল ভূক্ত ভূমির খাজনা নেওয়া যাবে না। তারপর আমরা ট্রাইব্যুনালে মামলা করি তার মামলা নং১৩৭৭//১৩। মামলার চলমান অবস্থায় ১৭/০৫/১৫ইং তারিখে ইউ এন ও সাথিয়া সম্পত্তির লীজ প্রদান করে। মহামান্য হাইকোর্টে নিজের বিরুদ্ধে রিট আবেদন করি, মহামান্য হাইকোর্ট রিট নং ৬০৯১/১৫ ,১৪/১২/১৫ইং তারিখে আবেদনকারী আমাদের (ইব্রাহিম গণের) পক্ষে রায় দেন এবং তা বর্তমান ভোগ দখলে আছে। দীর্ঘদিন পর মামলা নং ১৩৭৭/১৩ এ আংশিক রায় পাই। আংশিক রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে মামলা করি মামলা নং ৬২/১৭ ।যাহা গত ২৩/০৮/২০২৩ তারিখে পূর্ণাঙ্গ রায় বুঝিয়ে দেন আদালত। এদিকে সরকারও আপিলের বিরুদ্ধে মামলা করে যা জেলা জজ আদালতে চলমান।

উক্ত সম্পত্তি রায় পাওয়ার পর ইব্রাহিম গন তফসিল বর্ণিত সম্পতি ভোগ দখল নেয় । পাবনা জেলা জজকোর্ট ও মহামান্য হাইকোর্ট থেকে প্রাপ্ত রায়ের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সাথিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা ভূমির সহকারি কর্মকর্তার অবগতির জন্য জমা দেন।

এ বিষয়ে সাঁথিয়ার ভুলবারীয়া ইউনিয়নের স্বরগ্রামে তফসিল বর্ণিত সম্পত্তির সরজমিনে গেলে দেখা যায় ইব্রাহিমগণ তার সম্পত্তি দখলে নিয়ে সম্পত্তির পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করছেন।

পার্শ্ববর্তী জমির মালিক ও এলাকাবাসী জানান, সম্পদটি প্রকৃত অর্থেই ইব্রাহিম গং এর বাবা আফাজ চেয়ারম্যান এর স্ত্রী অর্থাৎ ইব্রাহিম গনের মায়ের নামে তারাই ভোগ দখলে ছিল এবং পাবনা জেলা জজ আদালত ও হাইকোর্ট থেকে রায় পেয়ে তারাই এখন দখলে আছে।

(এন/এসপি/মার্চ ০২, ২০২৪)