নীহার রঞ্জন কুন্ডু, ময়মনসিংহ : একজন মানবিক পুলিশ অফিসার ১ নং ফাঁড়ির ইনচার্জ ইনেসপেক্টর সহিদুল ইসলাম। তিনি কোতোয়ালী থানা অফিসার ইনচার্জ মাইন উদ্দিনের  নেতৃত্বে ফুটপাতের হকারদের বিষয়ে কথা বলে কোন প্রকার চাঁদা ছাড়া ব্যবসা করার সুযোগ করে দিয়েছেন বলে ফুটপাতের হকাররা বলছেন। গত ২১ রমজান ২ শতাদিক দরিদ্র হকাররা পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ্য হয়। এর পুর্বে রমজানের অনেক আগে থেকেই প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপে হকারদের ব্যবসা বন্ধ থাকে। সেই থেকে ফুটপাতে হকাররা বসতে পারেননি। তারা মানবেতর জীবন যাপন করছিলেন।

জানা যায়, হকাররা বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের কাছে গেলেও তারা কোন সুরাহা করতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এ সময় তাদের পরিবার পরিজন খুবই অসহায় অবস্থায় দিনাতিপাত করতে হয়। পরবর্তীতে সকল অসহায় হকার/ব্যবসায়ী মিলে উর্ধতন পুলিশ কর্মকর্তাদের দ্বারস্থ হইলে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ও ১ নং ফাঁড়ির ইনচার্জ সহিদুল ইসলাম ২১ শে রমজান থেকে ঈদপূর্ব রাত পর্যন্ত্য ফুটপাতে বসে হকাররা ব্যবসা করতে পারবে, তবে কাউকে চাঁদা দিতে পারবে না। তারা ফ্রি তে চাঁদামুক্ত ফুটপাতে বসে ব্যবসা করবে।

ফুটপাতে বসে ব্যবসা করছে এমন লোকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা পুলিশ কোন প্রকার চাঁদা দেয় না। ফুটপাত নেতাদের সাথে কথা হলে তারা বলেন ফাঁড়ির স্যার আমাদের ফ্রিতে ব্যবসা করার সুযোগ করে দিয়েছেন এবং স্যার সার্বক্ষণিক তার ফোর্স দিয়ে পুরো গাঙ্গিনাপাড় নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছেন। ফুটপাত বিষয়ে মার্কেট মালিক সমিতির একাদিক নেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায় হকারদের কারনে তাদের কোন সমস্যা হচ্ছেনা। যেহেতু গাঙ্গীনার পাড় বড় বড় মার্কেটে নিম্নশ্রেনীর মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে বিধায় তাদের জন্যে একটু সহানুভূতি।

১ নং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সহিদুল ইসলাম জানান, ২ শতাদিক হকার মানবিক জীবন যাপন করছেন এই কারনে ওসি কোতোয়ালি স্যার সহ আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ঈদ রাত পর্যন্ত্য তাদের সুযোগ টুকু দিয়েছি শুধুই মানবতার দৃষ্টি কোন দিয়ে। এখানে কোতোয়ালী থানা পুলিশ ও ফাঁড়ি পুলিশ ঈদে কেনাকাটা করতে আসা মানুষের নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক নিয়োজিত।

(এনআরকে/এসপি/এপ্রিল ০৭, ২০২৪)