নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:আজ ২০ নভেম্বর শহীদ লে. আবু মঈন মোহাম্মদ আশফাকুস সামাদ বীরউত্তমের ৪৩ তম শাহাদৎ বার্ষিকী। ১৯৭১ সালের এ দিনে  নাগেশ্বরীর রায়গঞ্জ যুদ্ধে পাকি বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে তিনি শহীদ হন।

১৪ নভেম্বর ভূরুঙ্গামারী হানাদার মুক্ত হলে পাকিবাহিনী পিছু হটে নাগেশ্বরীর রায়গঞ্জে শক্ত ঘাটি স্থাপন করে। রায়গঞ্জ দখলে নিতে ১৯ নভেম্বর মধ্যরাতে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। এতে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি দল নিয়ে এগিয়ে যান ১৯৭১ সালে ৯ অক্টোবর কমিশন্ড অফিসার হিসেবে ৬নং সেক্টরের সাহেবগঞ্জ সাব-সেক্টরে যোগ দেয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ছাত্র লেঃ আশফাকুস সামাদ।

প্রচন্ড গোলাগুলির এক পর্যায়ে পাকিবাহিনীর একটি বুলেট তার মাথায় বিদ্ধ হলে তিনি ঘটনাস্থলে শহীদ হন।পাকি বাহিনীর অবস্থান খুব কাছাকাছি থাকায় সেদিন তার মৃতদেহ উদ্ধার করা যায়নি।

পরদিন তার মৃতদেহ উদ্ধার করে ভূরুঙ্গামারীর জয়মনিরহাট মসজিদের সামনে যথাযোগ্য মর্যাদায় একই যুদ্ধে শহীদ সহযোদ্ধা সহোদর আলী হোসেন, নূর মোহাম্মদ এবং আব্দুল আজিজকে সমাহিত করা হয়। পরবর্তীতে জয়মনির হাটের নাম রাখা হয় সামাদ নগর।



(এএইচএস/এসসি/নভেম্বর১৯,২০১৪)