ঝালকাঠি প্রতিনিধি : মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের উদ্যোগে ঝালকাঠিতে শনিবার ‘মাধ্যমিক শিক্ষা উপবৃত্তি, দ্বিতীয় পর্যায় প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়নের কৌশল নির্ধারণ’ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ গাউস প্রধান অতিথি হিসেবে এর উদ্বোধন করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মোঃ শাখাওয়াত হোসেন। সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক শিক্ষা উপবৃত্তির প্রকল্প পরিচালক মোঃ আফজাল হোসেন। মাধ্যমিক শিক্ষা উপবৃত্তির প্রকল্প উপ-পরিচালক শরীফ মোর্তজা মামুন ও ঝালকাঠি সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার খোন্দকার আমিনুল ইসলাম বক্তৃতা করেন। জেলা শিক্ষা অফিসার নিখিল রঞ্জন চক্রবর্তী, ঝালকাঠি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইউসুফ আলী হাওলাদার ও প্রকল্পের কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

ঝালকাঠি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সদর উপজেলা ও কাঁঠালিয়া উপজেলা থেকে মাধ্যমিক স্কুল ও মাদ্রাসা প্রধান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সভাপতি, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য ও শিক্ষার্থী অভিভাবকসহ তিনশ জন প্রতিনিধি অংশ নেন। তাদেরকে প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, উপবৃত্তি পাওয়ার শর্তাবলী, দরিদ্র শিক্ষার্থীর উপবৃত্তি প্রাপ্তির যোগ্যতা, উপবৃত্তি ও টিউশন ফি এর হার, প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রম প্রভৃতি বিষয়ে ধারণা দেয়াসহ সুপারিশমালা প্রণয়ন করা হয়। মাধ্যমিক শিক্ষা উপবৃত্তির প্রকল্প উপ-পরিচালক শরীফ মোর্তজা মামুন ও সহকারী পরিচালক মোঃ ফরিদ আহম্মেদ কর্মপত্র উপস্থাপন করেন।

কর্মশালায় জানানো হয়, মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার গুনগত মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধিসহ ঝরে পড়া রোধ, মেয়েদের শিক্ষাসুবিধা সম্প্রসারণসহ তাদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে সরকার চলতি বছরে মাধ্যমিক শিক্ষা উপবৃত্তি, ২য় পর্যায় প্রকল্প চালু করেছে।

দেশের ৫৩ জেলার ২১৭ টি উপজেলার ১৫ হাজার মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৪৩ লাখ ৪০ হাজার শিক্ষার্থীকে এর আওতায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে ৩০ ভাগ গরিব ছাত্রী ও ১০ ভাগ গরিব ছাত্রকে নির্ধারিত হারে উপবৃত্তি দেয়া হবে।

প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৯১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবে ২০১৭ সালের জুন মাসে।

(এএম/পিএস/জুন ২০, ২০১৫)