E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care
Walton New
Mobile Version

রোগীদের সহজে চলাফেরার জন্য ৪টি হুইল চেয়ার দেয়া হয়েছে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে

২০২৫ আগস্ট ৩১ ১৯:৫৪:১৭
রোগীদের সহজে চলাফেরার জন্য ৪টি হুইল চেয়ার দেয়া হয়েছে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে

মাদারীপুর প্রতিনিধি : মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে হুইল চেয়ার না থাকায় দুর্বল রোগী, বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের চলাফেরা করতে অসুবিধা হয়। তাই তাদের সুবিধার জন্য চারটি হুইল চেয়ার হাসপাতালে দিয়েছে আফতাব উদ্দিন মিয়া ওয়ার্ল্ড ফাউন্ডেশন এবং নকশি কাথা নামের দুটি সংগঠন।

আজ রবিবার দুপুরে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. নুরুল ইসলামের কাছে এই চারটি হুইলচেয়ার তুলে দেয়া হয়।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মাদারীপুর জেলার সবচেয়ে বড় সরকারী হাসপাতাল ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে হুইল চেয়ার না থাকায় রোগীদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। জরুরি বিভাগ থেকে রোগীদের বিভিন্ন ওর্য়াডে দেয়া হয়, আবার কোন পরীক্ষা নিরিক্ষার জন্য রোগীকে আনা নেয়া করতে হয়। তখন রোগীসহ রোগীদের স্বজনদের নানা সমস্যায় পড়তে হয়। তাই তাদের সুবিধার জন্য আফতাব উদ্দিন মিয়া ওয়ার্ল্ড ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ওয়াদুদ মিয়া (জনি মিয়া) এর অর্থায়নে ও স্বেচ্ছাসেবি সংগঠন নকশি কাথার সাধারণ সম্পাদক আয়শা সিদ্দিকা আকাশীর সহযোগিতায় এই চারটি হুইল চেয়ার কেনা হয়। পরবর্তীতে চেয়ারগুলো হাসপাতালে দেয়া হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. নুরুল ইসলাম, মাদারীপুর সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. সরদার মোহাম্মাদ খলিলুজ্জামান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ি রেজাউল হক রেজা, সাংবাদিক শফিক স্বপন, সাংবাদিক আয়শা সিদ্দিকা আকাশী, মৈত্রি মিডিয়া সেন্টারের সাধারণ সম্পাদক এসএম আরাফাত হাসান, সাংবাদিক রিপন চন্দ্র মল্লিক, তারুণ্য পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা সোহাগ হাসান, ব্যবসায়ি সায়ান সৈকত প্রমুখ।

হাসপাতালের এক রোগীর আত্মীয় মনোয়ারা বেগম বলেন, আমরা গরীব মানুষ, আমাদের কেউ অসুস্থ হলে এই হাসপাতালেই আনতে হয়। অনেক সময় রোগী বেশি অসুস্থ থাকলে বেডে নিতে বা পরীক্ষা নিরিক্ষা করার জন্য রোগীকে দুই তিনজন ধরে অনেক কষ্ট করে আনা নেয়া করতে হয়। তাই এই হুইল চেয়ার পেয়ে আমাদের অনেক উপকার হলো। এটা রোগীদের অনেক কাজে লাগবে।

মাদারীপুর সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. সরদার মোহাম্মাদ খলিলুজ্জামান বলেন, চেয়ারগুলো পেয়ে হাসপাতালে আসা রোগীদের অনেক উপকারে আসবে। এজন্য ইতালী প্রবাসী ওয়াদুদ মিয়া জনি ও আয়শা সিদ্দিকা আকাশীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।

(এএসএ/এসপি/আগস্ট ৩১, ২০২৫)

পাঠকের মতামত:

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test