E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care
Walton New
Mobile Version

ঝিনাইদহে রাতের আঁধারে মাদরাসায় নিয়োগ পরীক্ষা!

২০২৬ জানুয়ারি ১৭ ১৩:৫৫:৪৫
ঝিনাইদহে রাতের আঁধারে মাদরাসায় নিয়োগ পরীক্ষা!

হাবিবুর রহমান, ঝিনাইদহ : ঝিনাইদহের শৈলকুপায় একটি মাদরাসায় রাতের আঁধারে নাইটগার্ড নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাদরাসার সুপার, সভাপতি ও মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজির প্রতিনিধি পরিচয় দেওয়া এক নারী কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন স্থানীয়রা।

সোমবার (১৬ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮ টার দিকে উপজেলার পুটিমারি আউলিয়া মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়ম বহির্ভূতভাবে রাতের আঁধারেওই মাদরাসায় নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছিল। বিষয়টি জানতে পেরে আশপাশের গ্রামের শত শত মানুষ মাদরাসা প্রাঙ্গণে গিয়ে পরীক্ষা নিতে বাধা দেন। সে সময় নিয়োগ পরীক্ষায় জড়িত সংশ্লিষ্টদের অবরুদ্ধ করে রাখেন।

মাদরাসা সুপার রুহুল আমিন দাবি করেন, ‘নিয়ম মেনেই পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছিল। নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল ১২ জনের।’

তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেছেন মাত্র ১০ জন পরীক্ষার্থী এবং নিয়োগ পরীক্ষা কেন্দ্রে পাওয়া যায় মাত্র ৩ জন পরীক্ষার্থীকে।

স্থানীয়দের দাবি, সন্ধ্যার দিকে একটি সাদা রঙের প্রাইভেট কারে করে ডিজির প্রীতনিধি পরিচয়ে এক নারী কর্মকর্তা ওই মাদরাসায় আসেন। এ সময় তার সঙ্গে তার মেয়ে, বোন ও নাতিও ছিলেন। রাতের বেলায় নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে সন্দেহ ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

মাদরাসা সুপার রুহুল আমিন বলেন, ‘ডিজির প্রতিনিধি দেরিতে আসায় পরীক্ষাও দেরিতে শুরু হয়। সন্ধ্য সাড়ে ৭টার দিকে তারা পরীক্ষার খাতা ও কাগজপত্র তৈরি করছিলেন। সে সময় স্থানীয়রা এসে বাধা দিলে পরীক্ষা বন্ধ হয়ে যায়।’

শৈলকুপা থানার ওসি হুমায়ন কবির মোল্লা বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে মাদরাসা সুপার ও ডিজির প্রতিনিধি পরিচয় দেওয়া নারী কর্মকর্তাকে উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়েছে।’

এদিকে এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

(এইচআর/এএস/জানুয়ারি ১৭, ২০২৬)

পাঠকের মতামত:

১৭ জানুয়ারি ২০২৬

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test