E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care
Walton New
Mobile Version

রাজারহাটে টিসিবি পণ্য নিতে দীর্ঘ লাইন, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৫ ১৭:৩০:২৭
রাজারহাটে টিসিবি পণ্য নিতে দীর্ঘ লাইন, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

প্রহলাদ মন্ডল সৈকত, কুড়িগ্রাম : পবিত্র মাহে রমজানকে কেন্দ্র করে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা বেড়েছে কয়েকগুণ। আর এই সুযোগে বাজারে মূল্যবৃদ্ধির চাপ সামাল দিতে সাশ্রয়ী দামে পণ্য নিতে রাজারহাট উপজেলায় সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর বিক্রয় কার্যক্রমে প্রতিদিনই দেখা যাচ্ছে দীর্ঘ লাইন। ভোর থেকেই বিভিন্ন পয়েন্টে নারী-পুরুষের ভিড় বাড়ছে, অনেককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে পণ্য সংগ্রহ করতে হচ্ছে।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে টিসিবি’র ডিলারের মাধ্যমে নির্ধারিত মূল্যে চাল, চিনি, সয়াবিন তেল, মসুর ডাল ও ছোলা বিক্রি করা হচ্ছে। এবারে প্যাকেজ মূল্য ধরা হয়েছে ৬’শ টাকা।

আজ বুধবার সকালে রাজারহাট বাজারের পাশে গিয়ে দেখা যায়, সকাল ৮টার আগেই টিসিবির কার্ডধারী শতাধিক মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। অনেকেই জানান, বাজারে চাল, তেল, ছোলা ও চিনির দাম বেশি হওয়ায় স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোর জন্য টিসিবি’র পণ্যই একমাত্র ভরসা। তবে রমজানে টিসিবিতে খেঁজুর থাকলে ইফতারি জন্য আরও ভাল হতো।

লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা খোকা মামুদ(৭০) নামের এক ভোক্তা বলেন, “খুব সকালে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছি। রোজার মাসে খরচ বেশি, তাই টিসিবিই একমাত্র আমাদের জন্য সাশ্রয়। কম দামে পণ্য নিতে বাধ্য হয়েই লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে।”

অপর আরেকজন শাহের বানু(৬২) নামের এক নারী ক্রেতা অভিযোগ করেন, “আমরা মহিলা মানুষ, ভোরে এসে লাইন ধরে টাকা দিয়ে টিসির মাল নিতে হয়। এতে আমাদের খুব কষ্ট হয়।”

এ বিষয়ে চাকিরপশার ইউনিয়নের ডিলার মনু মিয়া বলেন, ইউনিয়নে একজন মাত্র ডিলার। তাই তিন দিন ভাগ করে পন্য দেয়া হচ্ছে। কিন্তু রমজানে চাহিদা বাড়ায় এক সঙ্গে সবাই আসায় চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

রমজান জুড়ে এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে-এমন আশঙ্কাই করছেন ভোক্তারা।

এ ব্যাপারে রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, উপজেলায় প্রায় ২১,৩৮৬ জন টিসিবির একটিভিশন কার্ডধারী ভোক্তা রয়েছেন। এদের মাঝে নির্ধারিত মূল্যে পন্য সরবরাহ করতে ১৩ জন ডিলার রয়েছে। তারাই মূলত টিসিবির পন্য সরবরাহ করে। রমজানে একটু চাপ বেশী। তবে প্রতিটি ডিলারকে তাদের লোকবল বাড়াতে বলা হয়েছে। লাইনে বিশৃঙ্খলা হলে প্রয়োজনে পুলিশ বা গ্রাম পুলিশ তারা নিতে পারে।

(পিএস/এসপি/ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬)

পাঠকের মতামত:

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test