E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care
Walton New
Mobile Version

ফরিদপুর-খুলনা মহাসড়কে দু'টি পেট্রোল পাম্পে অভিযান, জরিমানা

২০২৬ মার্চ ২৯ ১৭:২১:৩৪
ফরিদপুর-খুলনা মহাসড়কে দু'টি পেট্রোল পাম্পে অভিযান, জরিমানা

রিয়াজুল রিয়াজ, বিশেষ প্রতিনিধি : ফরিদপুর জেলা প্রশাসন কর্তৃক সদর উপজেলার ফরিদপুর-খুলনা মহাসড়কে পার্শ্ববর্তী পেট্রোল পাম্পে অভিযান, একটি পাম্পকে ৫০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড  করা হয়েছে। এসময় পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল সরবারাহ শুরু করে পেট্রোল পাম্পগুলো।

জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশনায় পেট্রোলিয়াম পণ্য মজুদ ও ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রি বন্ধ রয়েছে মর্মে অভিযোগের প্রেক্ষিতে গতকাল শনিবার দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত ফরিদপুর সদর উপজেলার ফরিদপুর-খুলনা মহাসড়কের পার্শ্ববর্তী কানাইপুর বাজারে, হোসেন ফিলিং স্টেশন নামক পেট্রোল পাম্প ও রয়েল ফিলিং স্টেশন পেট্রোল পাম্পে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার , ফরিদপুর সদর ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া-এর নেতৃত্বে এসিল্যান্ড ফরিদপুর সদর ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম , সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট দীপ্ত চক্রবর্তী এবং সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব রহমান আকাশ কর্তৃক এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযোগ থাকলেও অভিযান পরিচালনাকালে কানাইপুর বাজারে দুলাল কুন্ডুর দোকান, গুদাম ও তার বাড়িতে তল্লাশী করে পেট্রোল ও অকটেনের মজুদ পাওয়া যায়নি, দোকানে শুধুমাত্র অনুমোদিত মাত্রায় ডিজেল পাওয়া গিয়েছে।

পরবর্তীতে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম কর্তৃক হোসেন ফিলিং স্টেশনে অভিযান পরিচালনাকালে পেট্রোল পাম্প বন্ধ পাওয়া যায়, উল্লিখিত পাম্পে ৭০০০ লিটার পেট্রোল, ৬৫০০ লিটার অকটেন ও ১৪৫০০ লিটার ডিজেল মজুদ থাকা সত্ত্বেও ভোক্তাদের তেল সরবরাহ না করার অভিযোগ সরাসরি ঘটনাস্থলে সত্যতা পাওয়া যায়।

অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় হোসেল ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার সাবির চৌধুরীকে ভোক্তা অধিকার ও সংরক্ষণ আইনে ২০০৯ এর আওতায় ৫০০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়, পাম্প সকল ভোক্তাদের জন্য চালু করে বাস, ট্রাক, কৃষক, প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেলে প্রয়োজনীয় পেট্রোলিয়াম প্রদান করার ব্যবস্থা করা হয়। এ সময় পেট্রোল পাম্প কর্তৃপক্ষ ভুল করেছেন মর্মে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

ফরিদপুর-খুলনা মহাসড়কের পার্শ্বে ফরিদপুর সদরের কানাইপুর এলাকায় রয়েল ফিলিং স্টেশনে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে, এ সময় অভিযানকালে ভোক্তাদের শুধু ডিজেল বিক্রি করা হচ্ছে মর্মে দেখা যায়, পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি বন্ধ ছিলো। মজুদ যাচাই করে দেখা যায় পেট্রোল রয়েছে ৩৫০০ লিটার, অকটেন রয়েছে ৩৪০০ লিটার ও ডিজেল রয়েছে ১৯০০০লিটার।

পাম্পের মালিক ও ম্যানেজার মেশিনের সমস্যা উল্লেখ করে ক্ষমা প্রার্থনা করায় তাতক্ষণিকভাবে পেট্রোল ও অক্টেন সরবরাহ লাইন অপেন করে ভোক্তাদের সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়। এ পাম্পকে কোন অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড প্রদান করা হয়নি। এ পাম্পে বর্তমানে স্বাভাবিকভাবে তেল প্রদান অব্যাহত রয়েছে।

(আরআর/এসপি/মার্চ ২৯, ২০২৬)

পাঠকের মতামত:

৩০ মার্চ ২০২৬

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test