E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care
Walton New
Mobile Version

নোয়াখালীতে মাদ্রাসার জায়গা দখল, চাঁদা দাবী ও হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

২০২৬ মে ২০ ১৭:৪১:৪৬
নোয়াখালীতে মাদ্রাসার জায়গা দখল, চাঁদা দাবী ও হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

মোঃ ইমাম উদ্দিন সুমন, নোয়াখালী : নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের করমুল্যাহ গ্রামে অবস্থিত 'করমুল্যাহ হযরত আয়েশা (রাঃ) মহিলা মাদ্রাসা ও এতিমখানা'র জায়গা দখল, নারী শিক্ষার্থীদের শ্লীলতাহানি, চলাচলে বাঁধা প্রধান চাঁদা দাবী ও হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে মাদ্রাসা শিক্ষক শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।

আজ বুধবার দুপুরে করমুল্যাহ গ্রামে প্রধান সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, শিক্ষক শিক্ষিকা সহ এলাকার শত শত নারী পুরুষ অংশ গ্রহন করে।

বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে একই এলাকার মৃত কোরবান আলীর পুত্র কথিত চাঁদাবাজ আলা উদ্দিন, মৃত সিদ্দিক উল্যার পুত্র আব্দুর রহিম মাদ্রাসার জায়গা জমি দখলের চেষ্টা করে যাচ্ছে এতে প্রতিবাদ করলে মাদ্রাসার নারী শিক্ষার্থীদের শ্লীলতাহানি, মাদ্রাসা চলাচলের জায়গা বন্ধ করে দেয়া ও মোটা অংকের চাঁদা দাবী করে আসছে এবং সন্ত্রাসী আলা উদ্দিন, আব্দুর রহিম মাদ্রাসার পরিচালক আব্দুল মোতালেব ওরপে কামাল হুজুরকে মারধর করেছে সে ঘটনায় মামলা করার পর তারা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে নারী শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতন নিপীড়ন হুমকি ধমকি দিয়ে যাচ্ছে যাতে করে মাদ্রাসা বন্ধ হয়ে যায়।

আব্দুল মোতালেব ওরপে কামাল হুজুর বলেন, ২০০৪ সালে আমি এলাকার নেতৃস্থানীয় মানুষদের নিয়ে এলাকায় শিক্ষার আলো জ্বালিয়ে দিতে মহিলা মাদ্রাসাটি চালু করি বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের ধারে ধারে গিয়ে হাত পেতে কোন মতে প্রতিষ্ঠানটা চালিয়ে যাচ্ছি, আমি আমার স্ত্রী, আমার মেয়ে এ মাদ্রাসার
শিক্ষকতা করছি অন্য শিক্ষকদের বেতন দিলেও আমরা কোনদিন ১ টাকা বেতন নেয়নি কোন রকম ডালভাত খেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করে যাচ্ছি। নিজে না খেয়েও অনেক কষ্টে আজকে প্রতিষ্ঠানটি একটি ভালো পর্যায়ে পৌঁছাতে পেরেছি ২০২০ সালের পর থেকে আলা উদ্দিন আব্দুর রহিম ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা মাদ্রাসার মেয়েদের ইভটিজিং, শ্লীলতাহানির ও বাজে প্রস্তাব দিয়ে আসছিলো আমি প্রদিবাদ করায় আসাকেও মারধর করে ২/৩ টি মামলা করেছি কোন প্রতিকার পাইনি এখন তারা এ প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংস করার পায়তারক করছে একটি কুচক্রী মহলকে সাথে নিয়ে তারা মোটা অংকের টাকা চাঁদা দাবী করছে নয়তো তারা মাদ্রাসার জায়গা দখল করে নিবে মর্মে হৃমকি দিচ্ছে আমি এদের বিচার চাই।

মাদ্রাসার দাতা সদস্য মাইজদী পাবলিক কলেজ প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল আশরাফুল করিম এডভোকেট বলেন, মাদ্রাসাটি আমরা কিছু লোক সামান্য দান চাদাকা দিয়ে চালানোর চেষ্টা করছি এ টাকায় এতোজন শিক্ষকের বেতন চলা সম্বব নয় তবুও তারা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কথা ভেবে চাকুরি করছেন, কামাল হুজুর কোন প্রকার অনিয়মের সাথে জড়িত নয়, উনার প্রতিটি টাকার হিসেব আমরা পাই। যারা এসব কাজ করছে তারা সংশোধন হওয়া প্রয়োজন।

(এস/এসপি/মে ২০, ২০২৬)

পাঠকের মতামত:

২০ মে ২০২৬

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test