E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care

For Advertisement

Mobile Version

গোপালগঞ্জে আ.লীগের ১২০০ নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান 

২০২৬ জুন ০৪ ১৭:৪৯:৫৩
গোপালগঞ্জে আ.লীগের ১২০০ নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান 

তুষার বিশ্বাস, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ মোঃ ছানোয়ার হোসেন মোল্লা দলীয় পদ ছেড়ে ১ হাজার ২ শ’ কর্মীকে সাথে নিয়ে বিএনপিতে যোগদান করেছেন। 

বুধবার (৩ জুন) দুপুরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নিজড়া ইউনিয়নের জাঙ্গাল বাজারে গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবরের হাতে ফুল দিয়ে তিনি বিএনপিতে আনুষ্ঠানিক ভাবে যোগদান করেন।

একই অনুষ্ঠানে নিজড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম শেখও বিএনপিতে যোগ দেন।

এ সময় বিএনপির স্থানীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শিকদার শহিদুল ইসলাম লেনিন, সাধারণ সম্পাদক ফজলুল কবির দ্বারা, পৌর বিএনপির সভাপতি শেখ হাচিবুর রহমান হাচিব, বিএনপি নেতা এস এম জিয়াউল কবির বিপ্লব, সাজ্জাদ হোসেন হীরা, যুবদল নেতা রাজিব বিশ্বাস, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম ও ইমরুল মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। যোগদান অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও অংশগ্রহণ করেন।

আওয়ামী লীগের সদ্য সাবেক কোষাধ্যক্ষ মোঃ ছানোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, “আমি দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলাম। প্রায় দুই বছর পর সম্প্রতি দেশে ফিরেছি। রাজনৈতিক বিভিন্ন বিষয় ও স্থানীয় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে বিএনপিতে যোগদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বিশেষ করে গোপালগঞ্জ-২ আসনের এমপি ডা. কে এম বাবরের মানুষের প্রতি আন্তরিকতা ও জনসম্পৃক্ত কর্মকাণ্ড আমাকে আকৃষ্ট করেছে। সাধারণ মানুষ খুব সহজেই তার সঙ্গে দেখা করতে পারছে এবং নিজেদের কথা বলতে পারছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই আমি বিএনপিতে যোগদান করেছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমার সঙ্গে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সাবেক নিজড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সহসভাপতি ও নুরুল ইসলাম শেখও বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। এছাড়া আমার ১ হাজার ২শ' নেতা, কর্মী-সমর্থকও এ সময় বিএনপিতে যোগদান করেছেন।”

নির্যাতনের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমি ৫ আগস্টের পর দেশে ছিলাম না। প্রবাসে থাকায় এ ধরনের কোনো ঘটনার মুখোমুখি হইনি।”

গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর অনুষ্ঠানে বলেন, “আপনাদের কাছে আমি একটা কথা বলতে চাই, আর এই জোর দখলের নির্বাচন আর হবে না। আপনারা আপনাদের পছন্দের নেতাকে নিজেরাই নির্বাচিত করবেন। এখানে কোনো জুলুম থাকবে না, কোনো ভয়ভীতি থাকবে না, কোনো সন্ত্রাসের মাধ্যমে কাউকে জেতানোও সম্ভব হবে না।”

তিনি আরও বলেন, “আপনারা আমাদের ওপর আস্থা রাখুন, আমার ওপর বিশ্বাস রাখুন। আমি চাই গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় কোনো অন্যায়-অত্যাচার না হয়, কেউ যেন কষ্ট না পায় বা ঠকানো না হয়, এমন পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে ইনশাল্লাহ।”

(বি/এসপি/ জুন ০৪, ২০২৬)

পাঠকের মতামত:

০৪ জুন ২০২৬

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test