E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care

For Advertisement

Mobile Version

নিম্নমানের ইট দিয়ে চলছে রাস্তা সংস্কার, ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা

২০২৬ জুন ১১ ১৮:৪৯:১৩
নিম্নমানের ইট দিয়ে চলছে রাস্তা সংস্কার, ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা

একে আজাদ, রাজবাড়ী : রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার একটি রাস্তা সংস্কার কাজে নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহারের অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে স্থানীয়রা। নিম্ন মানের ইটের খোয়া সড়িয়ে নিতে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কে চিঠি দিয়েছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)।

উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, “দুর্গত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ সড়ক অবকাঠামো পুনর্বাসন” প্রকল্পের আওতায় উপজেলার জংগল ইউনিয়নের ভীমনগর থেকে কামারখালী (এনএইচডব্লিউ) সংযোগ সড়কের প্রায় ৩ দশমিক ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। সম্প্রতি নির্মাণকাজে ব্যবহৃত ইট ও অন্যান্য সামগ্রীর মান নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের পর এলজিইডির কর্মকর্তারা নির্মাণস্থল পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনে ব্যবহৃত কিছু ইট ও নির্মাণসামগ্রীর মান নিয়ে আপত্তি পাওয়া গেলে গত ৭ জুন উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স বরেন্দ্র কনস্ট্রাকশন এন্টারপ্রাইজকে একটি সতর্কতামূলক চিঠি প্রদান করা হয়। চিঠিতে নিম্নমানের সামগ্রী অপসারণ করে প্রকল্পের নির্ধারিত মান অনুযায়ী উপকরণ ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম পরিহারের জন্যও সতর্ক করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জনগণের অর্থে বাস্তবায়িত উন্নয়ন প্রকল্পে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হলে সড়কের স্থায়িত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং জনদুর্ভোগ বাড়বে। তারা নির্মাণ কাজের সুষ্ঠু তদারকি ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

সরেজমিনে দেখা যায়, নির্মাণস্থলে ইট ও অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করে দ্রুতগতিতে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ সময় কিছু ইটের মান নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দেয়।

এ বিষয়ে কাজের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদার মো. মিঠু বলেন, “আমাদের কিছু শ্রমিক ভুলবশত নিম্নমানের ইট নিয়ে এসেছিল। বিষয়টি জানার পর সেগুলো অপসারণ করা হয়েছে এবং বর্তমানে মানসম্মত ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। রাস্তার ওপর সব সময় ধুলাবালি থাকায় অনেক সময় ইটের প্রকৃত মান বোঝা কঠিন হয়।”

উপজেলা প্রকৌশলী রাহাত ফেরদৌস বলেন, “কাজের মান নিয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি তদন্ত করা হয়েছে। ঠিকাদারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনো অবস্থাতেই নিম্নমানের কাজ গ্রহণ করা হবে না। প্রকল্পের নির্ধারিত মান বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকবে।”

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারির মাধ্যমে প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত মান বজায় রেখে সম্পন্ন হবে এবং জনগণের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।

(একে/এসপি/জুন ১১, ২০২৬)

পাঠকের মতামত:

১১ জুন ২০২৬

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test