E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care

For Advertisement

Mobile Version

উত্তর মেরু অভিযানে যাচ্ছে বাংলাদেশী স্কুল শিক্ষার্থী

২০২৬ জুন ২৯ ১৯:৪৭:৩৫
উত্তর মেরু অভিযানে যাচ্ছে বাংলাদেশী স্কুল শিক্ষার্থী

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি : রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি কর্পোরেশন রসাটমের সপ্তম আন্তর্জাতিক শিক্ষামূলক প্রকল্প ‘আইসব্রেকার অব নলেজ’-এর একজন বিজয়ী হিসেবে উত্তর মেরুতে এক বিরল অভিযানের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের দশম শ্রেণীর ছাত্র মো. মালেকুল সালেহীন প্রত্যয়।

রসাটমের মিডিয়া উইং থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশসহ ২২টি দেশের ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সী প্রায় ৫,০০০ শিক্ষার্থীর সাথে প্রতিযোগিতা করে এই সম্মানজনক সুযোগ অর্জন করেছেন প্রত্যয়। গত ২৩ জুন মস্কোর মিউজিয়াম অব অ্যাটমিক এনার্জিতে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। আগামী আগস্ট মাসে তারা বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক আইসব্রেকার '৫০ লিয়েত পাবেদি'-তে চড়ে সুমেরু বা আর্কটিক অঞ্চলে এক অনন্য অভিযানে অংশ নেবেন।

তিনটি পর্যায় প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়: পারমাণবিক শক্তি, আর্কটিক অনুসন্ধান এবং বিকাশমান নতুন প্রযুক্তির ওপর একটি বিজ্ঞান কুইজ; বিশেষজ্ঞদের পরিচালনায় শিক্ষামূলক ওয়েবিনার; এবং “কীভাবে পারমাণবিক প্রযুক্তি আজকের বিশ্বকে বদলে দিচ্ছে” শীর্ষক চূড়ান্ত উপস্থাপনা। বিজ্ঞান, শিক্ষা, পারমাণবিক শিল্প এবং আর্কটিক গবেষণায় যুক্ত বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক জুরি বোর্ড চূড়ান্ত পর্বের প্রতিযোগীদের মূল্যায়ন করেন।

প্রত্যয় তার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, "আমার কাছে এখনও বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে যে, এমন একটি অনন্য সুযোগ পেয়েছি। এমন একটি অভিযানে অংশ নেওয়া কেবল ভ্রমণ নয়, বরং পরিচিত গণ্ডি পেরিয়ে বিজ্ঞানের জগৎ কতটা বিশাল হতে পারে, তা দেখার এক দারুণ সুযোগ। এটা আমি অনুপ্রেরণা হিসেবে ভবিষ্যতে কাজে লাগাতে চাই।"

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মেধাবী শিক্ষার্থীদের একত্রিত করবে এই অভিযান। এর মাধ্যমে তারা আর্কটিক অঞ্চল অন্বেষণ করার এবং পারমাণবিক প্রযুক্তি সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি শীর্ষ বিশেষজ্ঞদের বক্তৃতা শোনা, কর্মশালায় অংশগ্রহণ, বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও মতবিনিময় সেশনের মাধ্যমে তারা রসাটমের পারমাণবিক আইসব্রেকার বহর সম্পর্কেও প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন।

রসাটম আয়োজিত ‘আইসব্রেকার অব নলেজ’ প্রকল্পটি স্টেম (STEM) শিক্ষার প্রসার, তরুণ বৈজ্ঞানিক প্রতিভার বিকাশ এবং বিজ্ঞান ও প্রকৌশল খাতে ক্যারিয়ার গড়তে তরুণদের উৎসাহিত করে থাকে। একই সাথে প্রকল্পটি আর্কটিক অঞ্চলের উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সহযোগিতায় পারমাণবিক প্রযুক্তির ভূমিকা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরে।

(এসকেকে/এসপি/জুন ২৯, ২০২৬)

পাঠকের মতামত:

২৯ জুন ২০২৬

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test