E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care

For Advertisement

Mobile Version

গোপালগঞ্জ মৎস্যবীজ উৎপাদন খামারে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন 

২০২৬ জুলাই ১৮ ১৭:৪২:২৬
গোপালগঞ্জ মৎস্যবীজ উৎপাদন খামারে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন 

তুষার বিশ্বাস, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জ মৎস্যবীজ উৎপাদন খামারে শতভাগ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। গত ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে জেলার একমাত্র মৎস্যবীজ উৎপাদন খামারে ৭ লাখ ৮৭ হাজার ৮শ’ টাকার মাছের পোনা উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করে দেয় মৎস্য অধিদপ্তর। এরমধ্যে ১২৭ কেজি রেনু পোনা , কার্প জাতীয় মাছের পোনা ১ হাজার ৩৯১ কেজি ও ১ লাখ পাবদা মাছের পোনা রয়েছে।

মৎস্যবীজ উৎপাদন খামারের পুকুর ও হ্যাচারীতে নীবিড় তত্ত্ববধানে এসব মাছের গুনগত মানসম্পন্ন পোনা উৎপাদন করা হয়। তারপর ১২৭ কেজি রেনু ২ লাখ ৪১ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি করা হয়। ১ হাজার ৩৯১ কেজি কার্পজাতীয় পোনা ৩ লাখ ২৬ হাজার ৫০০ টাকা বিক্রি নেমেছে। ১ লাখ পাবদা মাছের পোনা ২ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া খামারের ফলমূল ও শাক-সবজি বিক্রি করে আয় হয়েছে আরো ২০ হাজার টাকা। গত অর্থ বছরে সর্ব সাকূল্যে এ খামার থেকে আয় হয়েছে ৭ লাখ ৮৭ হাজার ৮শ’ টাকা। আয়ের সমূদয় টাকা সরকারী কোষাগারে চালানের মাধ্যমে জমা দেওয়া হয়েছে।

গোপালগঞ্জ মৎস্যবীজ উৎপাদন খামারের খামার ব্যবস্থাপক তানজিলা আক্তার নিপা এসব তথ্য জানিয়েছেন।

ওই কর্মকর্তা এ প্রতিবেদককে বলেন, আমাদের খামারের আয়তন ১.৬২ হেক্টর। এখানে ৮ টি পুকুর ও ১টি হ্যাচারী রয়েছে। ৪টি পুকুর পোনার মজুদ পুকুর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অপর ৪টিতে ব্রুড মাছ সারাবছর সংরক্ষণ করা হয়। ব্রুড থেকে ডিম সংগ্রহ করে আমাদের নিজস্ব হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদন করি। পোনা উৎপাদনের প্রতিটি ধাপে মান নিয়ন্ত্রণ করা হয়। তাই এ খামার থেকে সঠিক সাইজ ও মানসম্পন্ন পোনা উৎপাদিত হয়ে আসছে। এখানে সরকার নির্ধারিত মূল্য পোনা বিক্রি করা হয়। এ পোনা নিয়ে চাষাবাদ করে মৎস্য চাষী লাভবান হয়ে আসছেন।

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার করপাড়া গ্রামের মৎস্যচাষী হাবিবুল বাহার (৫৯) বলেন, ১৫ বছর ধরে মাছের চাষ করছি। গোপালগঞ্জ মৎস্যবীজ উৎপাদন খামার থেকে সরকারি নির্ধারিত সাশ্রয়ী মূল্যে মাছের পোনা সংগ্রহ করে পুকুরে মাছ চাষাবাদ করি। এতে উৎপাদন ভাল হয়। এ পোনা মারা যাওয়ার হারও কম। বছর শেষে এ পোনা প্রত্যাশিত হারে বৃদ্ধি পায়। ওই খামারে পোনার মান খুবই ভাল। মানসম্মত পোনার চাষ করে আমি লাভের মুখ দেখে আসছি।

একই উপজেলার কাজুলিয়া গ্রামের মৎস্যচাষী কামরুল ইসলাম বলেন, গোপালগঞ্জ সরকারি মৎস্য খামার থেকে মাছের পোনা কিনে কেউ কোন দিন প্রতারিত হয়নি। এখানকার মাছের পোনা মাছ চাষের জন্য উপযোগি। কিন্তু চাহিদার তুলনায় তারা পোনা সরবরাহ করতে পারে না। তাই এ খামারে পোনার উৎপাদন আরো বৃদ্ধির দাবি জানাচ্ছি। এটি হলে জেলার মাছ চাষীরা অধিক লাভবান হবেন।

(টিবি/এসপি/জুলাই ১৮, ২০২৬)

পাঠকের মতামত:

১৮ জুলাই ২০২৬

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test