স্কুল প্রতিষ্ঠায় জমি দান, অব্যবহৃত দেড় একর জমি ফেরত চান দত্ত পরিবার
সালথা প্রতিনিধি : ফরিদপুরের সালথায় বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য জমি দান করেছিল একটি দত্ত পরিবার। তবে বিদ্যালয়ের নামে রেকর্ড হওয়া জমির একটি বড় অংশ বর্তমানে বিদ্যালয়ের কাজে ব্যবহার হচ্ছে না বলে দাবি করেছেন জমিদাতা পরিবারের উত্তরসূরি সনজিত কুমার দত্ত। তাঁর অভিযোগ, বিদ্যালয়ের প্রয়োজনের বাইরে থাকা এসব জমির কিছু অংশ স্থানীয় ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করছেন। আদালতের রায় ও ডিক্রি নিজেদের পক্ষে পাওয়ার পর অব্যবহৃত ১ দশমিক ৫০ একর জমি নিজেদের নামে নামজারি করে দখল ফিরে পেতে উপজেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছেন তিনি।
উপজেলার ১৮ নম্বর সলিয়া মৌজার বিভিন্ন খতিয়ানের আওতাধীন বিদ্যালয়ের নামে রেকর্ড হওয়া মোট ২ দশমিক ০১ একর জমির মধ্যে বিদ্যালয়ের ভবন ও ব্যবহারযোগ্য অংশ বাদ দিয়ে ১ দশমিক ৫০ একর জমি নিজেদের নামে নামজারির আবেদন করেছেন সনজিত কুমার দত্ত। গত ৯ জুলাইয়ের আদালতের আদেশসহ রায়-ডিক্রি, আরএস-এসএ খতিয়ান ও বিএস খতিয়ানের কপি সংযুক্ত করে তিনি সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর আবেদন করেন।
দত্ত পরিবারের ভাষ্যমতে জানা যায়, সনজিত কুমার দত্তের বাবা রমেন্দ্রনাথ দত্ত ১৯৬২ সালে সাড়ুকদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য ৪০ শতাংশ জমি দান করেছিলেন। ওই জমিতেই বিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে ভূমি রেকর্ডের সময় তাঁদের পরিবারের মালিকানাধীন আরও জমি বিদ্যালয়ের নামে রেকর্ড হয়। এরমধ্যে বিদ্যালয়ের ভবন ও শিক্ষা কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় জমি ব্যবহৃত হলেও বাকি জমির বড় অংশ বিদ্যালয়ের কোনো কাজে আসছে না। তাঁদের পূর্বপুরুষ উপেন্দ্রনাথ দত্ত ওরফে ‘পঞ্চায়েত বাবু’ এ এলাকার একজন প্রভাবশালী জমিদার ছিলেন। শিক্ষা, চিকিৎসা ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কাজে তাঁদের পরিবারের ভূমিকা ছিল। সাড়ুকদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ছাড়াও ভোট অফিস, কৃষি অফিস ও হাসপাতালের জন্য তাঁদের পরিবার জমি দান করেছে বলে তাঁরা দাবি করেন।
আবেদন সূত্রে জানা যায়, সালথার ১৮ নম্বর সলিয়া মৌজার আরএস ৫২, ৭৯ ও ৯১; এসএ ৫৬, ৭৪ ও ৯১ এবং বিএস ২, ৩, ৪ ও ২৫৬ নম্বর খতিয়ানের আওতাধীন মোট ২ দশমিক ০১ একর জমি নিয়ে দেওয়ানি ৮৮৩/২৬ নম্বর মামলা হয়। পরিবারের দাবি, ওই মামলায় তাঁদের পক্ষে রায় ও ডিক্রি হয়েছে।
সনজিত কুমার দত্তের আবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ৯ জুলাইয়ের ১০ নম্বর আদেশপত্রে উল্লিখিত রায়-ডিক্রির ভিত্তিতে বিদ্যালয়ের ব্যবহারের বাইরে থাকা ১ দশমিক ৫০ একর জমি তাঁদের নামে নামজারি করার আবেদন করা হয়েছে। আবেদনের সঙ্গে আদালতের রায়-ডিক্রির কপি এবং সংশ্লিষ্ট আরএস, এসএ ও বিএস খতিয়ানের নথিও দেওয়া হয়েছে।
দত্ত পরিবারের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের নামে রেকর্ড হওয়া জমির একটি অংশ বর্তমানে স্থানীয় বিভিন্ন ব্যক্তি দখল করে দোকানপাট ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। এসব জমি থেকে বিদ্যালয়ও কোনো সুবিধা পাচ্ছে না বলে তাঁরা দাবি করেন। তাঁদের ভাষ্য, বিদ্যালয়ের জন্য দান করা জমি নিয়ে তাঁদের কোনো আপত্তি নেই; বরং বিদ্যালয়ের ভবন ও কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় জমি তাঁরা বিদ্যালয়ের স্বার্থেই রাখতে চান। তাঁদের আপত্তি মূলত বিদ্যালয়ের কাজে ব্যবহার না হওয়া জমি নিয়ে।
সনজিত কুমার দত্ত বলেন, আমার বাবা ভোট অফিসকে ১০ শতাংশ, কৃষি অফিসকে ১৫ শতাংশ এবং হাসপাতালের জন্য ৩৫ শতাংশ জমি দিয়েছেন। স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্যও ৪০ শতাংশ জমি দান করেছেন। এরপরও আমাদের পরিবারের অনেক জমি হাতছাড়া হয়ে গেছে। বিভিন্ন ব্যক্তি আমাদের জমি ভোগদখল করছেন। বিদ্যালয়ের প্রয়োজনে ভবিষ্যতে আমাদের আরও জমি প্রয়োজন হলে আমরা সেটিও দিতে প্রস্তুত। কিন্তু বিদ্যালয়ের বাইরে আমাদের যে জমিগুলো রয়েছে, সেগুলো আমাদের বুঝিয়ে দিতে হবে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে আইনি লড়াই করেছি। আদালতের রায়ও আমাদের পক্ষে এসেছে। এখন আমরা চাই, আইন অনুযায়ী আমাদের জমির দখল আমাদের বুঝিয়ে দেওয়া হোক। আমরা স্কুলের বিরুদ্ধে নই। আমাদের বাবা-দাদারা শিক্ষা বিস্তারের জন্য জমি দিয়েছেন। বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় জমি বিদ্যালয়েরই থাকবে। কিন্তু আমাদের পরিবারের মালিকানাধীন যে জমি বিদ্যালয়ের কাজে ব্যবহার হচ্ছে না, সেগুলো যদি অন্যরা দখল করে রাখে, তাহলে আমরা কেন আমাদের জমির অধিকার থেকে বঞ্চিত হব?”
তিনি এ বিষয়ে প্রশাসনের পাশাপাশি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “আমরা চাই বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত হোক। সরকারি রেকর্ড, আদালতের রায়-ডিক্রি ও অন্যান্য কাগজপত্র যাচাই করে প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণ করা হোক। আমরা কোনো অন্যায় সুবিধা চাই না, শুধু আমাদের ন্যায্য অধিকার চাই।
স্থানীয় বাসিন্দা নাসির উদ্দিন বলেন, দত্ত পরিবার স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য জমি দিয়েছিল বলে আমরা জানি। কিন্তু স্কুলের ব্যবহারের বাইরে থাকা জমি যদি তাঁদের মালিকানাধীন হয় এবং অন্যরা দখল করে থাকে, তাহলে আইন অনুযায়ী প্রকৃত মালিককে জমি বুঝিয়ে দেওয়া উচিত।
সাড়ুকদিয়া গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দা আশরাফ আলী বলেন, আমার জানামতে, পঞ্চায়েত বাবুর বংশধরদের এই এলাকায় অনেক জমি ছিল। তাঁরাই স্কুল প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন। এখন তাঁদের কোনো জমি যদি অন্যরা দখল করে থাকে, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে সঠিক সমাধান হওয়া দরকার।
খাগৈর গ্রামের সোহেল মোল্লা বলেন, বিদ্যালয়ের ভেতরে যে অংশ নিয়ে বিরোধ আছে, সেটি নিয়ে আইনগত যে সিদ্ধান্ত হবে, সেটিই মেনে নেওয়া উচিত। তবে বিদ্যালয়ের বাইরে দত্ত পরিবারের জমি থাকলে এবং সেটির মালিকানা কাগজপত্রে প্রমাণিত হলে তাঁরা যেন তাঁদের জমি ফেরত পান।
এদিকে সাড়ুকদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিদ্যালয়ের সীমানা ও ব্যবহৃত জমির সুরক্ষার জন্য তারা আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়ন্ত কুমার বিশ্বাস বলেন, বিদ্যালয়ের ব্যবহারকৃত জমি বাদে বাইরের কিছু জায়গায় স্থানীয়রা দোকানপাট করে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করছে। এসব জায়গা থেকে বিদ্যালয় কোনো সুবিধা পাচ্ছে না। তবে যেহেতু আদালতের একটি রায় হয়েছে এবং রায়ভুক্ত জমির মধ্যে বিদ্যালয়ের ভবন রয়েছে, তাই বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে।
সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সাড়ুকদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি দবির উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, আদালতের রায়ভুক্ত জমির মধ্যে বিদ্যালয়ের ভবন রয়েছে। তাই বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আপিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে বিদ্যালয়ের সীমানার মধ্যে কোনো পক্ষ প্রবেশ করতে না পারে।
তিনি বলেন, বিদ্যালয়টি এলাকার গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান। তাই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। আদালতের আপিলের বিষয়টি নিষ্পত্তির পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিদ্যালয়ের বাইরে বিভিন্ন ব্যক্তির দখলে থাকা জমি সম্পর্কে ইউএনও বলেন, সনজিত কুমার দত্ত যদি বিদ্যালয়ের জমির বাইরে বিভিন্ন ব্যক্তির দখলে থাকা জমির বিষয়ে আদালত থেকে তাঁর পক্ষে রায় পান, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দত্ত পরিবারের দাবি ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের মধ্যে যে বিরোধ তৈরি হয়েছে, তার নিষ্পত্তিতে এখন আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্ত ও সরকারি নথিপত্রই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। জমির মালিকানা, রেকর্ড, আদালতের রায়-ডিক্রি এবং বর্তমান দখল সবকিছু যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার মাধ্যমেই দীর্ঘদিনের এ বিরোধের সমাধান সম্ভব বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
(এএন/এসপি/আগস্ট ২৪, ২০২৬)
পাঠকের মতামত:
- পলাশবাড়ীতে আনলকিং ফাইন্যান্সিয়াল সলিউশনস ফর ইয়ুথ এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট’ প্রকল্পের সমাপনি সভা
- চাটমোহরে তরুণদের উদ্যোগে পুঁথি পাঠের আসর বসবে বৃহস্পতিবার
- পারমাণবিক নিয়ন্ত্রণ কাঠামো উন্নয়নে ইন্দোনেশিয়াকে রাশিয়ার বিশেষ সহযোগিতা
- জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের সকল কার্যালয় তামাকমুক্ত ঘোষণা
- ঈশ্বরগঞ্জে একজনের কারাদণ্ড, দুইজনের ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা
- অপহরণ ধর্ষণ নির্যাতনের পৃথক মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন, তিনজনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা
- স্কুল ছাত্রী ফারজানা হত্যার আসামি মামুনের ডিএনএ পরীক্ষা সম্পন্ন
- ৪ জনের নাম উল্লেখ করে ছেলের মামলা, গ্রেপ্তার ১
- খুলনার জোড়া হত্যাকাণ্ডের দুই আসামি টুঙ্গিপাড়া থেকে গ্রেপ্তার
- সোনাতলায় কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
- ঢাকায় এফএইচের দাতা ও অংশীদারিত্ব সভা
- ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন
- স্কুল প্রতিষ্ঠায় জমি দান, অব্যবহৃত দেড় একর জমি ফেরত চান দত্ত পরিবার
- জহির খান’র কবিতা
- ব্যাঙছড়ি পাহাড়ে বিরল ‘ধনেশ’ পাখির সংসার
- সুবর্ণচরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
- নিউইয়র্কের বাংলাদেশ সোসাইটিতে তরুণ নেতৃত্বের সুযোগ সৃষ্টির আহ্বান
- বগুড়ায় সাবেক ইউপি সদস্য সাইফুলকে কুপিয়ে হত্যা
- পঁচা ডিমে জন্মদিনের কেক তৈরি, ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা
- বিএনপির কমিটি নিয়ে ঈশ্বরদীতে উত্তেজনা: পাল্টাপাল্টি ঝাড়ু ও আনন্দ মিছিল
- সংবাদ প্রকাশের পর স্কুলে ফিরল কেয়া–আয়শা, পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস প্রশাসনের
- নোয়াখালী ইবনে সিনা হাসপাতালে পৌর ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যদের মতবিনিময় সভা
- পারিবারিক কলহ ও সম্পত্তি আত্মসাতের জন্য যে ভাবে বড় ভাইকে খুন করে ছোট ভাই!
- রাজবাড়ীতে 'সেনা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ' উদ্বোধন করলেন সেনাপ্রধান
- ভারতে ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ককরোচ জনতা পার্টির
- তজুমদ্দিনে মেজর হাফিজকে গণসংবর্ধনা
- অভিজ্ঞতা, সততা ও উদ্যমে প্রীতম সাহার সাফল্যের নতুন অধ্যায়
- পঞ্চগড় সোহান স্মৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ শনিবার
- বরগুনায় সহকারী মৌলভীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
- ‘বিএনপি-জামায়াতের আর কোন নাশকতা সহ্য করা হবেনা’
- কলাপাড়ায় পাচারকালে ইলিশসহ ২৭ মণ সামুদ্রিক মাছ জব্দ
- নেতৃত্বের গল্প শোনাতে তানজানিয়া যাচ্ছেন শ্যামনগরের অপর্ণা মল্লিক
- পঞ্চগড় টুনিরহাট গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন
- চুয়াডাঙ্গায় ৪২ দশমিক ২ ডিগ্রি তাপমাত্রা, সতর্ক করতে মাইকিং
- গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য ৫০% ছাড়ে সাংবাদিকতা বিভাগে ভর্তি নিচ্ছে স্টেট ইউনিভার্সিটি
- কুষ্টিয়ায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
- ভৈরবে ব্যতিক্রম ধর্মী আয়োজনে শিক্ষকদের থ্যাংকস গিভেন পার্টি
- বাসযোগ্য অঞ্চলে পৃথিবীসদৃশ ৪৫ গ্রহ শনাক্ত
- রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব উড়িয়ে দিতে চাওয়া সেই মাসুদের গ্রেপ্তারের দাবি
- একুশে বইমেলায় শাহেদ কায়েস’র নতুন বই
- টুনিরহাট গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ম্যাচে বিজয়ী সৈয়দপুর
- পঞ্চগড়ের গলেহায় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন
- ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’র শুরুটা আশা জাগানিয়া
- নড়াইলে ক্যান্সার আক্রান্ত কলেজছাত্র হুরাইরাকে বাঁচাতে সাহায্যের আকুতি
- মোড়লের ক্ষমতা আর নেই, বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
২৪ আগস্ট ২০২৬
- পলাশবাড়ীতে আনলকিং ফাইন্যান্সিয়াল সলিউশনস ফর ইয়ুথ এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট’ প্রকল্পের সমাপনি সভা
- চাটমোহরে তরুণদের উদ্যোগে পুঁথি পাঠের আসর বসবে বৃহস্পতিবার
- ঈশ্বরগঞ্জে একজনের কারাদণ্ড, দুইজনের ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা
- স্কুল ছাত্রী ফারজানা হত্যার আসামি মামুনের ডিএনএ পরীক্ষা সম্পন্ন
- ৪ জনের নাম উল্লেখ করে ছেলের মামলা, গ্রেপ্তার ১
- খুলনার জোড়া হত্যাকাণ্ডের দুই আসামি টুঙ্গিপাড়া থেকে গ্রেপ্তার
- সোনাতলায় কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
- ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন
- স্কুল প্রতিষ্ঠায় জমি দান, অব্যবহৃত দেড় একর জমি ফেরত চান দত্ত পরিবার
- ব্যাঙছড়ি পাহাড়ে বিরল ‘ধনেশ’ পাখির সংসার
- সুবর্ণচরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
- বগুড়ায় সাবেক ইউপি সদস্য সাইফুলকে কুপিয়ে হত্যা
- পঁচা ডিমে জন্মদিনের কেক তৈরি, ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা
- বিএনপির কমিটি নিয়ে ঈশ্বরদীতে উত্তেজনা: পাল্টাপাল্টি ঝাড়ু ও আনন্দ মিছিল
- সংবাদ প্রকাশের পর স্কুলে ফিরল কেয়া–আয়শা, পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস প্রশাসনের
- নোয়াখালী ইবনে সিনা হাসপাতালে পৌর ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যদের মতবিনিময় সভা
- পারিবারিক কলহ ও সম্পত্তি আত্মসাতের জন্য যে ভাবে বড় ভাইকে খুন করে ছোট ভাই!
- রাজবাড়ীতে 'সেনা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ' উদ্বোধন করলেন সেনাপ্রধান
- নড়াইলে ইয়াবাসহ দম্পতি গ্রেফতার
-1.gif)








