E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care
Walton New
Mobile Version

ইউপি নির্বাচন

আ. লীগ নেতা ছানোয়োর হচ্ছেন বিএনপির প্রার্থী! 

২০২৬ অক্টোবর ২৮ ১৭:৫৭:২৬
আ. লীগ নেতা ছানোয়োর হচ্ছেন বিএনপির প্রার্থী! 

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নিজড়া ইউনিয়নের রাজনীতিতে নতুন মেরু করণ শুরু হয়েছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা উপজেলা শাখার কোষাধ্যক্ষ ও নিজড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা সৌদী প্রবাসী মো. ছানোয়ার হোসেন মোল্লা মিলন আওয়ামী লীগের পদ ছেড়ে নেতাকর্মীদের নিয়ে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। বিগত ২টি ইউপি নির্বাচনে তিনি নিজড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের প্রার্থী হওয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু সেই চেষ্টা ২ বারই ব্যর্থ হয়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি তার বেশ কিছু অনুসারী ও সমর্থক নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগ দেন।
নিজড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো.নজরুল ইসলাম মিনা বলেন আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি নিজেই প্রার্থী হতে চেয়েছিলাম। কিন্তু শারিরীক আসুস্থতার কারণে পারিবারিকভাবে আমি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করব না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। গত ৩ জুন নিজড়া ইউনিয়নের জাঙ্গাল বাজারে গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর জনসভা করেন। বেশ কিছু নেতাকর্মীকে সাথে নিয়ে মো.ছানোয়ার হোসেন মোল্লা সংসদ সদস্য ডা. কেএম বাবরের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে বিএনপিতে অনুষ্ঠানিকভাবে যোগদেন। তাই দলীয় ভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে আগামী নির্বাচনে মো. ছানোয়ার হোসেন মোল্লাই বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন। এ কারণে তৃনমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যে কোনো ধরনের বিভেদ হবে না।

আওয়ামী লীগের দুর্ভেদ্য এ ঘাঁটিতে গোপালগঞ্জের স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ছানোয়ার হোসেন মোল্লার ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতেই দল পরিবর্তন করেছেন। তার এ সিদ্ধান্ত বিএনপির তৃণমূলে ক্ষোভ দেখা দিতে পারে। এছাড়া আওয়ামী লীগ সমর্থকরা এটিকে কিভাবে গ্রহন করে সেটিই দেখার বিষয়। তবে ইউনিয়নের রাজনীতিতে এটি নতুম মেরু করন বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন।আগামী ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশ নেওয়া প্রায় অনিশ্চিত। দল বদলে প্রার্থী হওয়ার প্রভাব ইউনিয়ন ছাপিয়ে গোটা সদর উপজেলায় পড়ার আশংকা রয়েছে বলেও বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন।

ছানোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, ‘বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নিজড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি দুইবার চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি। প্রথমবার ভোট গ্রহণের মাত্র তিন দিন আগে বিভিন্ন চাপ ও প্রভাবের মাধ্যমে আমাকে নির্বাচন থেকে সরে যেতে বাধ্য করা হয়। দ্বিতীয়বারও নানা কৌশল ও অনিয়মের মাধ্যমে আমাকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তৎকালীন সময়ে গোপালগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে গেলে সাধারণ নেতা–কর্মীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো। অথচ বর্তমান গোপালগঞ্জ- ২ আসনের বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য কে এম বাবর ভাই অত্যন্ত সহজ-সরল ও জনবান্ধব মানুষ। তাঁকে ডাকলেই পাওয়া যায়, তিনি সবার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। তাঁর নেতৃত্ব ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমি বিএনপিতে যোগদান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দল নির্বাচন করার সুযোগ দিলে, নির্বাচন করবো।’

(টিবি/এসপি/অক্টোবর ২৮, ২০২৬)

পাঠকের মতামত:

২৮ অক্টোবর ২০২৬

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test