E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care
Walton New
Mobile Version

দুই বছরের সম্পর্কের পর চীনা যুবকের সঙ্গে কলেজছাত্রীর বিয়ে, এলাকায় চাঞ্চল্য

২০২৬ নভেম্বর ০১ ১৭:১১:৩৫
দুই বছরের সম্পর্কের পর চীনা যুবকের সঙ্গে কলেজছাত্রীর বিয়ে, এলাকায় চাঞ্চল্য

সালথা প্রতিনিধি : সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়, এরপর প্রেম। দুই বছরের সম্পর্কের পর পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে। চীনা নাগরিক বলে পরিচিত এক যুবককে বিয়ে করে স্বামীর সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে এসেছেন ফরিদপুরের সালথা উপজেলার এক কলেজছাত্রী। বিদেশি যুবকের সঙ্গে স্থানীয় তরুণীর বিয়ের খবর ছড়িয়ে পড়লে নবদম্পতিকে একনজর দেখতে তাঁদের বাড়িতে ভিড় করেন উৎসুক মানুষ। এ নিয়ে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে কৌতূহল ও চাঞ্চল্য।

ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের নকুলহাটি গ্রামে। তবে শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে ওই বাড়িতে গিয়ে নবদম্পতিকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাঁরা লোকচক্ষুর আড়ালে চলে গেছেন।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই যুবকের নাম ওয়াং চাও (২৫)। তিনি চীনের নাগরিক বলে দাবি করা হচ্ছে। বিয়ের পর তাঁর নাম রাখা হয়েছে আরিফ ইসলাম। তাঁর স্ত্রী তাহমিনা আক্তার (২০) ফরিদপুর শহরের সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তাঁর গ্রামের বাড়ি সালথার নকুলহাটি।

তাহমিনার পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় দুই বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওয়াং চাওয়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রথম দিকে পরিবারের সদস্যরা এ সম্পর্ক মেনে নিতে চাননি। তবে তাহমিনা নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় পরে পরিবার বিয়েতে সম্মতি দেয়। এরপর গত ১৯ অক্টোবর ঢাকায় পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তাঁদের বিয়ে হয়।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, বিয়ের আগে হলফনামার মাধ্যমে ওই যুবকের ধর্ম ও নাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। পরে মুসলিম রীতি অনুযায়ী তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

বিয়ের পর গত ২৬ অক্টোবর রাতে স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি নকুলহাটি গ্রামে আসেন ওয়াং চাও। বিদেশি যুবকের সঙ্গে স্থানীয় কলেজছাত্রীর বিয়ের খবর ছড়িয়ে পড়লে তাঁকে দেখতে বাড়িতে ভিড় করেন স্থানীয় লোকজন। তবে শনিবার বিকেলে তাঁদের আর বাড়িতে পাওয়া যায়নি।

তাহমিনার পরিবারের সদস্যরা জানান, ওয়াং চাও সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাঁদের জানা নেই। বর্তমানে তাহমিনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরির কাজ চলছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে তাঁরা দুজনই চীনে চলে যাবেন।

এ বিষয়ে আটঘর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফারুক হোসেন বলেন, বিষয়টি আজই লোকমুখে জানতে পেরেছি। আমি ওই বাড়িতে যাচ্ছি। পরে বিস্তারিত জানাতে পারব।

(এএন/এসপি/নভেম্বর ০১, ২০২৬)

পাঠকের মতামত:

০১ নভেম্বর ২০২৬

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test