‘সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে জনমত নেওয়া প্রয়োজন’
স্টাফ রিপোর্টার : সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মতামতের ভিত্তিতে নেওয়া উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ।
তিনি বলেন, কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে জনমত যাচাই, স্থায়ী কমিটিতে আলোচনা ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের মতামত নেওয়া প্রয়োজন।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের মিডিয়া বাজারে 'সরকারের অগ্রাধিকার ও শিক্ষা খাত: বাজেট ও বাস্তবতা' শীর্ষক নাগরিক প্ল্যাটফর্ম সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। 'এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ' এর আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, শিক্ষক নিয়োগ, স্কুল পরিচালনা ও অবকাঠামোগত সমস্যার নানা দিক তুলে ধরেন এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্কুলগুলোতে বিপুল সংখ্যক শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে।
প্রায় ৭৩ হাজার পদ খালি আছে। অথচ ২০২৫ সালে মাত্র ১০ হাজার পদের সার্কুলার হয়েছে।
এটি শুধু অর্থের সমস্যা নয়, বরং প্রশাসনিক ব্যর্থতা। কারণ অর্থের অভাব হলে বেতন দেওয়া যেত না। কিন্তু এখানে নিয়োগ প্রক্রিয়াই সম্পন্ন করা হচ্ছে না।
স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটি (এসএমসি) নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সংসদ সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা না থাকলেও এসএমসিতে শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত রাখা হয়েছে। এছাড়া অনেক প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষকই এসএমসির প্রধান হন। ফলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা কঠিন হয়ে পড়ে।
ইংলিশ মিডিয়াম ও কওমি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা নিয়েও তিনি কথা বলেন। তার মতে, অনেক এলাকায় ছোট ছোট ভবনের একেকটি ফ্লোরে মাদরাসা বা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল চালু করা হচ্ছে। যেখানে ন্যূনতম মান বজায় রাখা হয় না। তিনি একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রক বোর্ড গঠনের প্রস্তাব দেন, যাতে নিবন্ধন ও ন্যূনতম মান নিশ্চিত করা যায়।
ফাজিল ও কামিল ডিগ্রিধারীদের চাকরির ক্ষেত্রেও সমস্যা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, কাগজে সমমান থাকলেও বাস্তবে অনেক চাকরির আবেদনে তাদের সুযোগ দেওয়া হয় না। তিনি এ বিষয়ে স্পষ্ট নীতিমালার দাবি জানান।
স্কুল ভবন নির্মাণ নিয়ে তিনি বলেন, নতুন ভবন করার আগে পুরোনো ভবনের অবস্থা মূল্যায়ন জরুরি। তিনি জানান, নির্বাচনের সময় তিনি কয়েকটি স্কুলে গিয়ে দেখেছেন, অধিকাংশ শ্রেণিকক্ষ ব্যবহার অনুপযোগী। ফলে খোলা মাঠে প্যান্ডেল করে ভোটকেন্দ্র পরিচালনা করতে হয়েছে।
শিক্ষকদের জন্য ট্যাব দেওয়ার পরিকল্পনারও সমালোচনা করেন তিনি। তার মতে, ট্যাবের চেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য স্টেশনারি, পোস্টার ও সৃজনশীল উপকরণ বেশি কার্যকর হবে। এতে শিশুদের সৃজনশীলতা বাড়বে।
কোচিং নিয়েও তিনি একটি প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, স্কুলের শিক্ষকরা স্কুলেই অতিরিক্ত ক্লাস নেবেন এবং এর খরচ সরকার বহন করবে। তবে তারা বাইরে ব্যক্তিগত টিউশন করতে পারবেন না। নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, শুধু নিষেধাজ্ঞা দিলেই সমাধান হয় না; কার্যকর ব্যবস্থাও দরকার।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো নির্মাণে স্থানীয় উপকরণ ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে তিনি বলেন, দেশের সব জায়গায় একই ধরনের নকশা ব্যবহার না করে স্থানীয় পরিবেশ ও উপকরণ অনুযায়ী স্কুল ভবন নির্মাণ করা উচিত। এতে খরচ কমবে এবং পরিবেশও রক্ষা পাবে। ফেরোসিমেন্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম খরচে টেকসই ভবন নির্মাণের বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন।
(ওএস/এএস/মে ০৮, ২০২৬)
পাঠকের মতামত:
- সিডনিতে বাংলাদেশের ‘মাস্টার’
- ‘সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে জনমত নেওয়া প্রয়োজন’
- টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ৪ কিংবা ৫-এ থাকতে চায় বাংলাদেশ
- সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে দিনাজপুরে ট্রাক মালিক-শ্রমিকদের ধর্মঘটের ডাক
- ছুটির দিনেও বায়ুদূষণের শীর্ষে ঢাকা
- বৈধ প্রক্রিয়ায় হজের অনুমতিপত্র গ্রহণের অনুরোধ ধর্ম মন্ত্রণালয়ের
- জেট ফুয়েলের দাম কমানোর প্রজ্ঞাপন জারি
- ট্রাম্পের ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা মার্কিন আদালতের
- ‘ঈদুল আজহায় অপরাধ দমনে সর্বোচ্চ সজাগ থাকতে হবে’
- সুবর্ণচরে চিকিৎসার নামে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার
- মন্ত্রিসভায় জাতীয় পাবলিক টয়লেট নীতিমালা অনুমোদন
- ঈদুল আজহার ছুটি ৭ দিন
- কানাইপুরে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালায় রাজাকার ও বিহারীরা
- নড়াইলে প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলার আসামী ফরিদপুর থেকে গ্রেপ্তার, থানায় হস্তান্তর
- রূপপুর প্রকল্পের প্রথম ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা স্থাপন সম্পন্ন
- নোয়াখালীতে ছাত্রদলের বিশাল শোভাযাত্রা, নেতৃত্বে নতুন উদ্দীপনা
- দাদীকে খুঁজতে গিয়ে কাপ্তাই খালে প্রাণ গেল ৫ বছরের শিশুর
- কৃষি পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ে 'ধলতা' প্রথার নামে অতিরিক্ত পণ্য আদায় বন্ধ
- সালথায় দাঙ্গা রোধে পুলিশের অভিযান, আটক ১১
- গোপালগঞ্জে হামের উপসর্গে নারীর মৃত্যু
- মহম্মদপুরে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ফলের চারা ও ফিউচার কার্ড বিতরণ
- শিক্ষককে লাঞ্ছনা ও ছাত্রীদের ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে উত্তাল সাতক্ষীরা
- কাজুবাদাম চাষে নতুন দিগন্ত, সফলতার পথে রাইখালী কৃষি গবেষণা কেন্দ্র
- ‘৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে’
- চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ সকল কারাবন্দির মুক্তির দাবি ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি
- পটুয়াখালীতে ভূয়া সচিবসহ ৩ প্রতারক আটক
- সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঝালকাঠিতে ঈদ উদযাপন
- নাটোরে খ্রিস্টান ধর্মপল্লীগুলোতে ইস্টার সানডে পালিত
- সমৃদ্ধ আগামীর প্রত্যয়ে নীলফামারীতে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
- ঠাকুরগাঁওয়ে কাঁচামাল আড়তেই নেই পেঁয়াজ
- সিরাজগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ডাকাত দলের পাঁচ সদস্য গ্রেফতার
- কার্টুনিস্ট ওবায়দুর রহমানের ‘জিঙ্গার টুঞ্জ: ডার্ক এন' টুইস্টেড’
- চাকসু নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন
- ফুড ভিলেজ প্লাসে থামবে না আর কোনো গাড়ি
- নবীনগরে এবার জমির মালিককে গ্রেপ্তারের নির্দেশ বাদল এমপির
- ভৈরবে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ৫০ জন
- সিরাজগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ স্কুল শ্রেণি শিক্ষক শাহানাজ পারভীন
- টাঙ্গাইলে পানিতে ডুবে শিক্ষার্থীসহ ২ জন নিহত
- নবীনগরে শিক্ষার্থীদের সংববর্ধনা ও শীতার্তদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ
- চৌদ্দগ্রামে ফেন্সিডিলসহ দুই মাদক কারবারি আটক
- মরক্কোয় ‘জেন জি’ বিক্ষোভে সহিংসতা, ২৪০০ জনকে অভিযুক্ত
- আড়াইহাজারে ধারালো অস্ত্র-ককটেলসহ সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের ৯ সদস্য আটক
- দুই দিনের রিমাণ্ডে সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কেরামত আলী
- নতুন টুইটে খবরের শিরোনামে দক্ষিণী সুপারস্টার বিজয়
- বৈধ প্রক্রিয়ায় হজের অনুমতিপত্র গ্রহণের অনুরোধ ধর্ম মন্ত্রণালয়ের
-1.gif)








