বদরুল হায়দার’র একগুচ্ছ কবিতা
অসংগতির বিরহী পাঠ
হৃদয়হরণ কৌশল বদলে যাচ্ছে অবিকল।
বাজার বাগে আনতে যন্ত্রতন্ত্র নতুন উদ্যোগ। আমি
সমঝোতা আর প্রণোদনা ব্যয়ে অনাদায়ে
অজানার পায়ে বাঁধি পরোয়ানা ভোগান্তি অসুখ।
নিবন্ধিত না বলা কথার ঘাটতিতে বেদনার
মাপকাঠিতে তুমিও জেগে থাকা অর্পিত প্রেমের চোখ।
দখল ও ভরাটের খেলা চলে হৃদয় শহরে। আমি
হরিহরে ব্যথার শ্রীঘরে জীবন কবলা করে
খুঁজি ভোগ উপভোগ।
বরণ বিরোধিতা হাঁটে এক সাথে। গানিতিক
হৃদয়ের সংঘাতে ভালোবাসা বিলায় দুর্ভোগ।
আত্ম ধর্মঘটে শুরু হয় হৃদয় লোপাট। আমি
অন্তর কপাট খুলে ভুলে যাই অসংগতির বিরহী পাঠ।
করের হাটের অগোচরে ঘর বাঁধে পর। তুমি
বিদ্যাধর নিশাচরে ফাঁদে গড়ো শান্ত্বনার হাট।
কারণ-অকারণে পরিবেশে হৃদয়হরণ চলে করাপোষে।
আমি স্বভাবের প্রতিকূলে জীবনের ঋণ ভুলে সামলাই
সমূহমাতাল অবশেষে।
অজ্ঞতার স্বরলিপি
অনুকূল পরিবেশে মানুষেরা কমবেশি গুণগত মানে খুঁজে বেড়ায় স্বভাবে।
মর্নিং নিউজ এসবের উর্ধ্বে চিরায়ত চাষি হয়ে আমৃত্যু হাসিতে ফোটায় বসন্ত।
শান্ত অবসাদ থেকে নিতান্ত তোমার প্রতিবাদ এসে ধরা দেয় প্রলোভনে।
নিয়মমাফিক প্রয়োজনে বাদ-অপবাদে আনে দ্বৈত সংঘাত।
ঠাণ্ডা মাথায় নির্ঘুম রাত সাম্যের অজানা দেখে শাঁখের করাতে
কাটে অভিন্ন প্রভাত। ভরা ভাদরের আদরে জলডাঙ্গা অন্তরের ঘাতে
প্রেমহীন টার্মিনালে উড়ি দিনরাত।
বাক স্বাধীনতা নেই ঘরে ও বাইরে। কে কারে আপন করে
বিলায় প্রত্যাশা। প্রতিকূলতার রূপ কথার আলেখ্যে প্রাণে
অবাক তাড়িত করে ভালোবাসা।
শত সহস্র দিবালোকের বর্ষশেষে হেসে উঠে প্রাণ। আনন্দ-বেদনা
এসে ধরা দেয় নরাধমে। কামে ঘামে দায়সারা নিয়তির জ্যামে
নিরুদ্দেশ থেকে নেমে আসে অভিমান।
ভরা যৌবনের মাতোয়ারা অনুপ্রাসে তোমাদের আশার আগাম
কারুভাসে ভালোবাসার প্রকাশ্যে চিরদিন অভাগার ইতিহাসে নাম লিখি।
আমি শর্করার শস্যভাগ থেকে তোমাকে আলাদা করে হতবাগ
অন্তর বিরাগে অজ্ঞতার স্বরলিপি শিখি।
নিঃশব্দের গোপন পায়তারার আপন সঙ্গীতের সুরে তুমি
বহুদূরে চলে যাও। আমি সবুরে মেওয়া ফলের কবলে
বেদনার আন্ত:নগর জীবনের মানে খুঁজে বেড়াই স্বভাবে।
ইনিস্টেন্ট মায়াছলে
প্রজাপতির পাখনায় ভর করে উড়ে না সময়।
বিহঙ্গলতায় জড়িয়েছি স্বপ্নের ঠিকানা
লজ্জাবতীর দোটানা উত্তেজনায় তুমিও
প্রকৃতির অজানায় নাচো আনন্দ-বেদনা।
দিলখোলা স্বপ্নের শহরে গোলাভরা মন
কিস্তিও সুজনে ওজনে গড়ে গৃহ পর্যটন
নকল ইস্যুতে নিশুতির নিত্যাধ্যানে চলে
নৈরাশ্য শাসন। তুমি ইনিস্টেন্ট মায়াছলে
জনবলে যোগ করো নিষিদ্ধ আপন।
আমি ভালোবেসে সাবধানে নগরের কানে
বলে দিই শুভসংবাদ। পূর্বাভাসে
হৃদয়ের ডুবুচরে শ্বাসরুদ্ধ অবিশ্বাসে চলে
মহামূল্য হ্রাস। বানানো মিথ্যার চালে
সর্বনাশের কবলে পড়ে বাদ প্রতিবাদ।
বেপরোয়া অজানা শখের বসে সবুজ হৃদয় ঘাসে
খসে পড়ে রসের পুরাণ। তুমি স্বপ্নাকাশে
স্বর্ণলতায় বেঁধেছো প্রেমের দুঃশাসন।
নিরাশায় তোমাকে একাকী দেখে
আকাশের সব তারা খসে গেলে
তুমি বসে থাকো একা।
দেখা না দেখার আঁকাবাঁকা পথ
অধিক শেখার কাছে রেখাপাতে
তোমাকে অবাক করে টেনে নেয় রথ।
চির ভাগাভাগি চলে দিনরাত।
তোমার প্রভাতকলে আলো কেটে
ফেলে যাই নীরব আঘাত।
হৃদয় হারানোর বেদনার কাঁদে মন।
নিরাশায় তোমাকে একাকী দেখে
লিখে রাখি নিরুত্তর কথা
আদার চায়ের কাপে উত্তেজক
তোমার অদেখা।
শব্দের শহর ঢাকা
শব্দের শহর ঢাকা তবুও বকেয়া থাকে
প্রিয়াদের হাজারো না বলা কথা।
শত সমাঝোতা নৈ:শব্দের অপ্রিয় ব্যথা
নত উদারতা শেষে বঙ্গাব্দের সেলিব্রেট ক্রাইসিসে
প্রতিটি প্রহর জুড়ে ছিটমহল আঙ্গরপোতা
প্রতারিত জীবন খাতায় লিখে হার-জেতা।
লেনাদেনার বেড়াজালে হৃদয় শহরে
শাপবরে প্রীতি কূটনীতি চালে
সমস্যা ও সম্ভাবনা বাস করে রসাতলে।
সব ফাঁকা শুধু বাঁকা চোখে রঙিলা নাটকে
প্রতিযোগিতার নাকানিচুবানি মেখে
শাঁখা ও চুঁড়ির গোঁজামিলে হয়েছে অপরাজিতা।
ঝাকানাকা ঝনঝন পাকা মনে ঢাকা
গা ঢাকা কৌশলে আঁকাবাঁকা রেখা টেনে
ইটেঘেরা টাকার পাহারা মেনে
টমটমের ওজন ধরে রাখে আল্লারাখা।
পুণর্জন্ম
বালিহাসে উড়ে যাচ্ছে স্বপ্নসাধ।
আমি সমগ্র আকাশ হয়ে সূর্য্য চাঁদ
দিনরাত শান্ত অবসাদ নিয়ে গড়ে তুলি
নতুন আবাদ।
জলবায়ুর আয়ুর সাথে
শত ধ্যানজ্ঞান সাধনারা জন্ম দেয়
নদীমাতৃকতায় শতায়ু প্রেমধারা।
আমি শুধু উপলক্ষে সমকক্ষের সাগরে
সত্য সুন্দরের পক্ষে আর নত বিপক্ষের
বিরুদ্ধে ঐক্যের জয়গান করি।
প্রাণ কবিতা ও গানে ঋতুভেদে চির জাগরণ।
আমি আষাঢ় শ্রাবণে খুঁজি আলোকিত মন
যে জন নিজেকে চিনে ঋণ করে আপন জীবন।
জন্ম শুধু সোনার বাংলা জুড়ে তার চেয়ে
অধিক গর্বের ধ্যান জেগে থাকে কবির অন্তরে।
তুমি চোখ খোলো আমি কবিতার মূলে খুঁজি
শুদ্ধ সুপথ ও আনন্দের গুপ্ত আলো।
কবির অন্তর অধিবাসী
(মুজিবকন্যা শেখ হাসিনার জন্মদিনে)
হৃদয়ের দিঘিজল খুঁজে তুলে এনেছি তোমার মন।
আমি নদীমাতৃকতার ভূগোলে একলা থাকার
উপকূলে খুঁজি নিজস্ব ভুবন।
স্বপ্নজাল বুনে অগননে আমি বিশ্বায়নে
ডুব দিই প্রাণে। ভাদ্র ও অগ্রহায়ণে তুমি মানবায়নে
শরতের কাঁশফুলে মেলে ধরো প্রশান্তির ডানা।
ভাব তরঙ্গের অজানারা হৃদয়সাগরে করে আনাগোনা
বঙ্গীয় আবেগে আমি দোটানায় বশীভূত হয়ে
ভুল করি চিরচেনা।
প্রতিদিন স্মরণ মরণ সংঘাতে হৃদয় আঘাত চলে। তুমি
বাঁধাধরা মীথ অতীতের বিপরীতে ডিজিটাল স্রোতে
রক্ষিত হৃদয় বাঙ্খেুলে ধরো মনের জানালা।
ভুলি অন্ধত্ব অপ্রেম বিরুদ্ধ সুনাম খ্যাতি। আমি
জাতি থেকে আত্মঘাতি অভিঘাতে নিজের অবাধ্যে করি
শত নানকার পালা। গণতত্রের মানসকন্যা তুমি
হয়ে ওঠো বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা।
বেদনার আসমুদ্রে চলে আমরণ গোপন উতলা।
তুমি উচ্ছ্বলতার স্বদেশ প্রেমে রাখো শান্তি মানবতা।
পাষাণের ছলাকলার আমি হয়ে উঠি চির ছদ্মবেশী।
তুমি নেতা জাতির পিতার উত্তরসূরী বাঙালি নারীর অবয়বে
সত্য সুন্দর মঙ্গলে চিরজীবী কবির অন্তর অধিবাসী।
ইভটিজিং মানে রঙিন স্বপ্নের ছিনতাই
মনের বনের পাখি স্বযত্নে লালন করে আমি
কালাকানুন পালন শেষে তোমার মঞ্জিলে পৌঁছে যাই।
পাষাণ আনন্দে জয়ধ্বনি চলে তোমার সীমান্তে।
নিঃস্বীমতার নিবন্ধনে শনির কবলে আমি মনের অজান্তে
ঘাটতির আশঙ্কায় তুচ্ছ ইস্যুতে জড়িয়ে পড়ি।
চলতি ইভটিজিং মানে রঙিন স্বপ্নের ছিনতাই।
তোমার ঘরোয়া ভিজিটিং মন আততায়ী যানে
জীবন ভ্রমণে খোঁজে পোয়াভরা সময় রির্টাণ
স্বপ্নের জানালা খুলে যায় অভিসারে।
হৃদয় সার্ভারে পালা পার্বনের সংসার হয়
সুবিধাবাদীর কারবার।
পার্থক্য হৃদয় জানে। স্বীকৃতি ও গ্যারান্টির টানে
তুমি সয়ংক্রিয় সংযোজনে আনো প্যাকেজ বোনাস।
ডায়াল ও ট্রায়ালের দ্বিগুণ বাজার ধরে তুমি
গ্রাম ও শহরে করো লগইন ওয়ারেন্টি চাষ। আমি
কান্ট্রিসঙ সেরে ফ্যান্টাসির ঘরে সুচকের মহামূল্য হ্রাস।
নিষেধাজ্ঞার মধুর হুশিয়ারি
আলোদের সাথে দেখা হলে কালো রেখাগুলি মুছে যায়।
শরীর আগলে রাখে মহাজাতকের চোখ। তুমি
ভুলের কবুলে রহস্যের ফাঁকে খোঁজো নিরাময় রোগ।
শূণ্য গোয়ালের দুধে সুদে আমি আত্ম প্রতিরোধে
প্রাকৃত মায়ার জালে খুঁজি তোমার বানানো অভিযোগ।
বীণাতারে বাজে না সেতার। হৃদয়ের কাঁটাতারে
অকাতরে বলী হয় পরাভয়। ঘরে ও বাইরে চলে
ভালোবাসার জয় পরাজয়।
ধরাশায়ী মনে বহুজনে আবেগ ও আপ্যায়নে তুমি
হৃদয়ের চোরাবাঁকে ভাসো রণাঙ্গনে। আমি
রংতুলির সবাকে চির প্রেমিকের ইতিহাসে নাম লিখি।
সমমনের বাগানে ফোটে পরজীবী অর্কিডের ফুল
তুমি আদায় উসুলে ইস্কাবিবির কৌশলে ছাড়ো
প্রি-পেইড ভুল।
দেখা না দেখার রেখা টেনে পালামন
বেদনার দরশনে হয় দরদাম। তোমার শখের
অভিমান মনপুরার আবেগে খোঁজে নিরাবেগ সমাধান।
আমি পাষাণ হৃদয়ে নিষেধাজ্ঞার মধুর হুশিয়ারি মেনে
যৌবনের কাছে নত এক ভালোলাগা ব্যবধান।
পাঠকের মতামত:
- এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’র ৪ হাজার সদস্য
- সুবর্ণচর উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা করায় আনন্দ মিছিল
- রাঙ্গামাটিতে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা জারি
- নারী ফুটবলারদের যৌন হয়রানি, পাঁচ বছর নিষিদ্ধ গায়ানা ফুটবল কর্মকর্তা
- ফাঁকি দেওয়া করের ৫৩২ কোটি টাকা আদায়
- ইরানকে ‘পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলার’ হুমকি ট্রাম্পের
- ‘রাষ্ট্রের সম্পাদিত চুক্তি ইচ্ছামতো বাতিল করা যায় না’
- ‘ভারতের নির্বাচন অভ্যন্তরীণ বিষয়, সম্পর্ক অটুট থাকবে’
- নুসরাতকে এমপি নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ
- ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি খুব ভালো হয়েছে’
- সশস্ত্র বাহিনীকে জনমুখী করতে ডিসিদের নির্দেশনা
- সোনার দাম কমেছে
- ‘পশ্চিমবঙ্গে বদলা নয়, বদল হবে’
- ননিয়া নামক স্থানে পাক সেনাদের পৈশাচিক নির্যাতনে ২৬ জন মানুষ নিহত হয়
- খাটের নিচে রাখা বস্তায় মিললো ৩৮ কেজি গাঁজা, নারী আটক
- পুরোনো মালিকের কাছে ব্যাংকের মালিকানা ফিরানোর যৌক্তিকতা
- আগৈলঝাড়ায় ইয়াবাসহ তিন ব্যবসায়ী গ্রেফতার
- ৬ মাস ধরে নেই বিচারক, ভোগান্তিতে সাতক্ষীরার নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রার্থীরা
- সালথায় গ্রাম্য মোড়লদের দ্বন্দ্বের বলি হচ্ছে সাধারণ মানুষ, এর শেষ কোথায়
- ঠাকুরগাঁওয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে গৃহবন্দী পরিবার
- শ্যামনগরে অপহৃত পশু চিকিৎসক অনিমেষ মুক্ত, যুবদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩
- সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফকরুল মিয়ার মৃত্যুতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর শোক
- ব্রির নতুন মহাপরিচালক ড. আমিনুল ইসলাম
- ফরিদপুর বিআরটিএ-তে দুর্নীতি ও হয়রানি: পরিদর্শকের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ
- প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার নির্দেশ
- যশোরে থমথমে সবজির বাজার
- সম্প্রীতির নয়া দিগন্তে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক : সাত দফা সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর
- সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের ১০ বছর
- ইলিশের আবাসস্থলে ইলিশ নেই, পরিবেশ বিপর্যয় ও সামুদ্রিক দুর্যোগে কমছে উৎপাদন দাবি গবেষক ও পরিবেশবিদদের
- পলাশবাড়ীতে ঢেউটিন এবং আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ
- মোঃ সিরাজ আল মাসুদ’র কবিতা
- তিস্তা বাঁচাতে ৪৮ ঘণ্টার অবস্থান কর্মসূচি শুরু
- চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বোচ্চ ৪২.৭ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড
- ‘সৃষ্টিলগ্ন থেকে আওয়ামী লীগ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আজকের বাংলাদেশ গড়ছে’
- কুয়াকাটায় এবার ভেসে এলো ১০ ফুট লম্বা মৃত ডলফিন
- তোমার নালিশের পরে
- জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি হ্রাস ও পরিবেশ সুরক্ষার দাবিতে কলাপাড়ায় সাইকেল র্যালি
- মোবাইল মেলায় স্যামসাংয়ের ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ছাড়
- ইরানকে ‘পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলার’ হুমকি ট্রাম্পের
- ‘রাষ্ট্রের সম্পাদিত চুক্তি ইচ্ছামতো বাতিল করা যায় না’
- শরীয়তপুরে মিনি চিড়িয়াখানা থেকে দশ প্রজাতির ৩১ বন্যপ্রাণী উদ্ধার
- বদরুল হায়দার’র একগুচ্ছ কবিতা
- ‘শিল্পকে নোংরা রাজনীতির বাইরে রাখতে হবে’
- কার্টুনিস্ট ওবায়দুর রহমানের ‘জিঙ্গার টুঞ্জ: ডার্ক এন' টুইস্টেড’
- রাজশাহীতে আম সংগ্রহ শুরু
-1.gif)








