E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care
Walton New
Mobile Version

‘কিছু মানুষকে কৃতিত্ব দিতে হবে’

২০২৬ জানুয়ারি ২২ ১৪:৩৩:১৩
‘কিছু মানুষকে কৃতিত্ব দিতে হবে’

স্পোর্টস ডেস্ক : বয়সভিত্তিক দলে লম্বা সময় কাজ করেছেন নির্বাচক হিসেবে। পদোন্নতি পেয়ে হয়েছেন জাতীয় দলের নির্বাচকও। কিন্তু সব ছেড়ে গত বছর যোগ দেন কোচিংয়ে। হেড কোচ হিসেবে একের পর এক সাফল্য পাচ্ছেন হান্নান সরকার। আবাহনীকে প্রিমিয়ার লিগ জেতানোর পর এবার তার দল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স বিপিএলের ফাইনালে উঠেছে। তবে কোচ হিসেবে এই সাফল্যের কৃতিত্ব একা নিতে চান না হান্নান।

গতকাল বুধবার সিলেট টাইটান্সকে ১২ রানে হারিয়ে হারিয়ে চলতি বিপিএলের ফাইনালে উঠেছে রাজশাহী। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে কোচিং ক্যারিয়ার নিয়ে হান্নান বলেন, ‘উপভোগ তো করছি। ফলাফলই এর প্রমাণ। আমি আমার জায়গা থেকে সবসময় সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করি। ২০১১ সালে যখন খেলা ছেড়েছি তারপর থেকেই স্বপ্ন ছিল কোচিং লাইনেই থাকব। ৯ বছর সিলেকশন প্যানেলে ছিলাম। কোচিংয়ে ভেবেচিন্তেই এসেছি। আমি যেভাবে কাজ করছিলাম, যেভাবে সিলেক্টর থাকাকালে প্লেয়ারদের সঙ্গে কমিউনিউকেশন করছিলাম…সবাই বলত কোচিংয়ে আসলে হয়তো ভালো করবে। এটা আমাকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে।’

খেলোয়াড়দের কৃতিত্ব দিতে চান হান্নান, ‘ঢাকা লিগ বা বিপিএলে কাজ করা, নিশ্চিতভাবেই প্লেয়ারদের কৃতিত্ব আগে দিতে হবে। তবে নিজের জায়গা থেকে বলতে পারি, প্লেয়ার সিলেকশনের কাজ যেহেতু করে এসেছি, টিম সিলেকশনের ক্ষেত্রেও কাজগুলো ভালোভাবে এগিয়ে দিয়েছে। ২৩ জানুয়ারি ফাইনালের পর আরও ভালো উত্তর দিতে পারব।’

এখন পর্যন্ত পাওয়া সাফল্য সহকর্মী কোচদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চান হান্নান। তিনি বলেন, ‘আমাদের বোলিং-ফিল্ডিং টুর্নামেন্টজুড়ে ভালো ছিল। ফিল্ডিং নিয়ে আলাদা করে বলতে চাই। ক্যাচ ও গ্রাউন্ড ফিল্ডিং ভালো হচ্ছে। ডিরেক্ট থ্রোতে আমরা কোনো রান আউট করতে পারিনি, এটা নিয়ে মজা করি রেগুলার। তবে ফিল্ডিং কোচ আবুল বাশারের কথা বলতে চাই। এই নামটা কখনোই সামনে আসে না। কী পরিমাণ হার্ডওয়ার্ক করছে, সেটা যদি দেখেন...আজ ফারহান পাঁচটা ক্যাচ নিয়েছে। টুর্নামেন্টজুড়ে ক্যাচ ও গ্রাউন্ড ফিল্ডিং যদি দেখেন, বুঝতে পারবেন কত হার্ডওয়ার্ক করেছে। আবুল বাশারকে ক্রেডিট দিতে হবে।’

রাজিন সালেহ ও তারেক আজিজের কথা উল্লেখ করে রাজশাহী কোচ বলেন, ‘কিছু মানুষকে কৃতিত্ব দিতে হবে। হেড কোচ হিসেবে আমি সামনে আসছি। কিন্তু আমার সাপোর্টিং স্টাফ কারা? রাজিন সালেহ মোস্ট এক্সপিরিয়েন্সড, তারেক আজিজ মোস্ট এক্সপিরিয়েন্সড। কোচিং স্টাফ যখন ভালো করবেন তখন দলের বন্ডিং ভালো হয়। বিশ্বাস করে প্লেয়াররা। (পেসার) রিপন-সাকলাইন সম্প্রতি তারেকের সঙ্গে কাজ করেছে। রাজিন-মুশফিক জাতীয় দলে খেলেছে। রাজিনের ওপর বলার কিছু নেই। ওদের বিশ্বাসের কারণেই টিমে বন্ডিং তৈরি হয়।’

(ওএস/এএস/জানুয়ারি ২২, ২০২৬)






পাঠকের মতামত:

২২ জানুয়ারি ২০২৬

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test