গণভোট ও নির্বাচন: কি হবে?
শিতাংশু গুহ
বাংলাদেশে ৪র্থ গণভোট হচ্ছে ১২ই ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের সাথে, একত্রে। এবারের গণভোট ঠিক কি নিয়ে মানুষ এর খবরই রাখেনা। আপাতদৃষ্টিতে দেখা যায়, সরকার, এনসিপি, জামাত ব্যাতিত কেউ আর এর পক্ষে নয়। তারেক রহমান প্রথমে বলেছিলেন, গণভোটের চেয়ে আলুর ন্যায্যমূল্য পাওয়া অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পরে হয়তো চাপে পরে এখন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে কথা বলেছেন। যদিও বিএনপি কি বুথে ঢুকে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ দেবে তা বলা শক্ত। জামাত বলেছে, বিএনপি কর্মীদের ‘না’ ভোট দেয়ার কথা বলছে। জাতীয় পার্টির জিএম কাদের বলেছেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট জিতলে দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে। নির্বাচন কমিশন বলেছে, সরকারি কর্মকর্তারা ‘হ্যাঁ/না’ পক্ষে প্রচারণা চালাতে পারবে না। কমিশন বড্ড দেরি করে ফেলেছে, ইতিমধ্যে ড. ইউনুস, ক’জনা উপদেষ্টা ও সরকারি কর্মকর্তারা ‘হ্যাঁ’ ভোটার পক্ষে জোরালো বক্তব্য দিয়ে দিয়েছেন। এখনো পক্ষে প্রচারণা থেমে নেই? ভোটের পরে এটি গন্ডগোলের একটি সূত্র হতে পারে। বাংলাদেশের ইতিহাসে পূর্বেকার ৩টি গণভোটের মধ্যে ২টি সামরিক শাসকদের বৈধতার নিমিত্ত অনুষ্ঠিত হয়, এবং ব্যাপক ভোট জালিয়াতি হয়। তবে ৩য় গণভোট জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিলো, এবং সেটি অবাধ ও সুষ্ঠূ হয়। ৪র্থ গণভোট অবাধ ও সুষ্ঠূ হবার সম্ভবনা কম, এবং যেনতেন প্রকারে ‘হ্যাঁ’-জিতবে।
বাংলাদেশের ইতিহাসে এরআগে ৩বার জাতীয় রেফারেন্ডাম, যা ‘হ্যাঁ/না’ ভোট নামে সমধিক পরিচিত অনুষ্ঠিত হয়েছে। জিয়াউর রহমান এবং এরশাদ একবার করে তাঁদের প্রতি জনগণের সমর্থন আছে কিনা তা যাচাই করতে ১৯৭৭ ও ১৯৮৫ সালে ‘হ্যাঁ/না’ ভোট আয়োজন করেন। বলা বাহুল্য, এসব ভোট সবসময় সামরিক শাসকদের অনুকূলে যায়। ১৯৯১ সালের ব্যতিক্রমধর্মী রেফারেন্ডামটি ছিলো সংবিধান সংশোধন করে প্রেসিডেন্ট পদ্ধতি থেকে সংসদীয় পদ্ধতিতে ফিরে আসার জন্যে। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ‘হ্যাঁ/না’ ভোট করেন ৩০শে মে ১৯৭৭। এতে তারপক্ষে ভোট পরে ৯৮.৯%। মোট ভোট পড়েছিল ৮৮.১%। ২য় ‘হ্যাঁ/না’ আয়োজন করেন হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ, ২১শে মার্চ ১৯৮৫। তারপক্ষে ভোট পরে ৯৪.৫%। মোট ভোট পড়েছিল ৭২.২%। উভয় ক্ষেত্রে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ ওঠে। ৩য় রেফারেন্ডাম হয় ১৫ই সেপ্টেম্বর ১৯৯১। সংসদীয় পদ্ধতিতে ফিরে আসার পক্ষে ভোট পরে ৮৩.৬%, বিপক্ষে ১৫.৫%, মোট ভোট পড়েছিলো ৩৫.৫%। একই সংশোধনীতে প্রেসিডেন্ট সংসদে পরোক্ষ ভোট নির্বাচিত হবার বিধান এবং ভাইস-প্রেসিডেন্ট পদটি বিলুপ্ত করার পক্ষে জনগণ মত দেন। এই ভোটটি অবাধ ও সুষ্ঠূ হয়েছিলো।
এবারকার গণভোট কতপ্রকার ও কিকি জনগণ তা জানেনা, যদিও এটি পাশ হয়ে যাবে। এতে ভোটারদের ৪টি অনুচ্ছদে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিতে হবে। সমস্যা হচ্ছে ৪টি অনুচ্ছদে একত্রে ভোট দিতে হবে, ২টি ‘হ্যাঁ’, ২টি ‘না’ চলবে না। এসব অনুচ্ছদে তত্বাবধায়ক সরকার, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন, বিবিধ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ; পিআর পদ্ধতিতে ১০০ সদস্যের সংসদের উচ্চকক্ষ, সংবিধান সংশোধন, নারী প্রতিনিধি বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার, প্রধানমন্ত্রীর ১০বছর মেয়াদ, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা হ্রাস করে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি বা এ দুই পদে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখা, ইত্যাদি। এতে রাষ্ট্রের মূলনীতিতে আমূল পরিবর্তনের কথা আছে, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা বাদ পড়ছে, বাঙ্গালী শব্দটি বাদ পড়ছে, সবাই বাংলাদেশী হয়ে যাচ্ছে। বলা হচ্ছে, নির্বাচনের পর আগে ‘হ্যাঁ/না’ ভোটার ফলাফল বের হবে, পরে সংসদ নির্বাচনের রেজাল্ট দেয়া হবে? এই ‘পরে’-শব্দের ব্যাখ্যা কেউ জানে না? এজন্যে বলা হচ্ছে, নির্বাচন হয়ে গেলেও ড. ইউনুস ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা আরো বছরখানেক ক্ষমতায় থাকবেন। কিন্তু কিভাবে? এ প্রসঙ্গে ১৮০ কর্মদিবসের একটি হিসাব দেয়া হচ্ছে, এসময় সংসদ সদস্যরা একই সাথে গণপরিষদের সদস্য হিসাবে কাজ করবেন।
১৮০ কর্ম দিবস মানে ১৮০/৫=৩৬ সপ্তাহ। ৩৬x ৭=২৫২ দিন। এক বছরে বাকি থাকলো ৩৬৫-২৫২=১১৩ দিন্। এরমধ্যে ছুটি ইত্যাদি বাদ দিলে তেমন একটা সময় বাঁচে না? এই ১৮০ কর্মদবসে ‘হ্যাঁ’ ভোটে পাশ করা সংশোধনীগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। ক্ষমতায় বিএনপি গেলে তাঁরা যেসব অনুচ্ছেদে ‘ভোট অফ ডিসেন্ট’ দিয়েছিলো তা মানতে চাইবে না। জামাত ক্ষমতায় গেলে সবকিছু মেনে নেবে। গণভোট নিয়ে মামলা হবার সম্ভবনা রয়েছে। ক্ষমতায় যেই আসুক, সংসদ হবে ঝুলন্ত, কেউ কাউকে ছাড় দেবেনা, ফলে সমস্যা বাড়বে। নির্বাচন হয়ে গেলে, রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় এলে, মিলিটারি উঠে গেলে আওয়ামী লীগ বসে থাকবে না, সমস্যা আরো জটিল আকার ধারণ করার সম্ভবনা থাকবে। বিএনপি ও জামাত দুইটিই ইসলামপন্থী দল, একটি ‘নরম’ , অন্যটি ‘গরম’। ২০০১-২০০৬ এ দু’টি দল জোটবেঁধে একত্রে ক্ষমতায় আসে, এবং হিন্দু ও আওয়ামী লীগের ওপর অত্যাচার চালায়। ঐসময়ে বাংলাভাই, একসাথে ৬৪জেলায় বোমাবাজি ঘটেছিলো। শ্লোগান উঠেছিলো, ‘আমরা সবাই তালেবান, বাংলা হবে আফগান’। বেগম জিয়া পরপর ৫বার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ান হয়েছিলেন। এবার এ দু’টি দলের একটি ক্ষমতায় বসবে, অন্যটি বিরোধী দলে, আওয়ামী লীগ ঠেকাতে এই দুই দলের একত্রে কাজ করার সম্ভবনা উড়িয়ে দেয়া যায়না। আবার জামাত ঠেকাতে আওয়ামী লীগ-বিএনপি অলিখিত সমঝোতা অসম্ভব নয়। বিএনপি যেকোন মূল্যে ক্ষমতায় যেতে চায়, হয়তো ১৬৫-১৩৫ থিওরিতে যাবেও, কিন্তু দেশের জন্যে সু-সময় আসবে না? জামাতের সবদিক থেকেই লাভ, তারা এখন অলিখিতভাবে রাষ্ট্র চালাচ্ছে, সরকারে গেলে ভাল, না গেলেও বিরোধী দলে বসবে। আওয়ালী লীগ থাকলে তো তা হতোনা, তাই তারা যেকোন মূল্যে আওয়ালী লীগ ঠেকাবে।
আওয়ামী লীগের সমর্থন আছে, কর্মী আছে, নেতৃত্ব নাই। শেখ হাসিনা’র জনপ্রিয়তা বাড়ছে। দেশে সমস্যা বাড়লে শেখ হাসিনা’র জনপ্রিয়তা আরো বাড়বে। কিন্তু জনপ্রিয়তা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়া যাবেনা। আপাতত: ইসলামপন্থীদের হাতেই দেশ থাকছে। সামনের নির্বাচনে ক্ষমতার হাতবদল হয়তো হবে, সমস্যার সমাধান হবেনা। সমস্যা বাড়বে। বাংলাদেশে নির্বাচন হচ্ছে একটি প্রহসন, এবং এটি শুরু হয়েছে জিয়াউর রহমানের আমলে ১৯৭৯সালে জাতীয় নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে। ওই প্রথম জাতি দেখলো ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ এবং নির্বাচনের আগেপরে হিন্দুর ওপর নির্যাতন। এরপর এরশাদ, খালেদা জিয়া, শেখ হাসিনা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করেছেন, এবার করবেন ড. ইউনুস। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে জঘন্য নির্বাচনটি হয় ১৫ই ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ খালেদা জিয়ার আমলে, ওই সংসদ ১২ দিন টিকেছিল। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের পর জাতি দুই নেত্রীর হাতে গণতন্ত্রের চাবি তুলে দিয়েছিলো, কেউই এব্যাপারে আন্তরিক ছিলেন না, ‘নূর হোসেন বুকে-পিঠে ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’ লিখে অযথাই প্রাণ দিয়েছিলেন। খালেদা জিয়ার ক্ষমতার লিপ্সা এবং ১৯৯৬ ও ২০০৬-এ ক্ষমতা না ছাড়ার আপ্রাণ চেষ্টায় হয়তো বিরক্ত হয়ে শেখ হাসিনা একই পথ বেছে নেন, যদিও জাতি তার কাছে এমনটা প্রত্যাশা করেনি। স্মরণ রাখা দরকার ২০০১-এ পরাজয়ের পর শেখ হাসিনা সহজেই ক্ষমতা ছেড়ে দিয়েছিলেন।
অনেকেই বলছেন, জামাত ক্ষমতায় আসছে, এটি ভাবা যায়? একটি জাতি কতটা ‘বেঈমান’ হলে এমনটা সম্ভব? এথেকে এ সত্য প্রমাণিত হয় যে, একাত্তরে জনগণের একটি বড় অংশ পাকিস্তানের পক্ষে ছিলো। জামায়াতের নির্বাচনী ইশ্তেহারটি আমি পড়েছি। সব সুন্দর সুন্দর কথা লেখা। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহার সুন্দরই হয়, কিন্তু জিতে গেলে ওটি নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না? ইশতেহারে জামাত ২৬টি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে ১০টি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। মহিলাদের উন্নয়নের কথা আছে, অথচ জামাত প্রধান কর্মজীবী মহিলাদের ‘পতিতা’ বলেছেন। পরে তিনি অস্বীকার করেছেন, যদিও ফ্যাক্টফাইন্ডিং যাচাইয়ে দেখা যায়, তিনি ঐকথা বলেছেন। এমন মিথ্যাচার, জালিয়াতি জামাতকেই মানায়। অবাক কান্ড যে জামাতের মহিলারা এটি মেনে নিয়েছে। শুধু অশিক্ষিতরা নন, ঢাকা ভার্সিটি’র শিক্ষিকা মোনালি ম্যাডাম পর্যন্ত জামাতের রক্ষিতা হতে রাজি। জামাত মহিলাদের পক্ষে কথা বলছে, অথচ ১জন মহিলাকে মনোনয়ন দেয়নি। জামাত ‘সংস্কার’-র ওপর জোর দিচ্ছে। যাঁরা ৫৪ বছরে নিজেদের সংস্কার করে ‘রাজাকার’ থেকে ‘বাংলাদেশপন্থী’ হতে পারেনি, তাঁদের দিয়ে ইতিবাচক কোন সংস্কার সম্ভব নয়, তাদের সংস্কার হলো দেশটাকে ‘পূর্ব-পাকিস্তান’ বানানো। বিএনপি ও তারেক জিয়া এখন ক্ষমতায় যাবার স্বপ্নে বিভোর। স্বপ্ন দু:স্বপ্ন হয়ে যাবার সম্ভবনা উড়িয়ে দেয়া যায়না।
এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার প্রায় ১৩ কোটি (১২কোটি ৭৬লক্ষ ৯৫হাজার ১৮৩)। গণভোটের জন্যে ব্যালট ছাপা হয়েছে ২৬ কোটি, হয়তো দেখা যাবে ‘হ্যাঁ/না’ ভোট পড়েছে ভোটারের চেয়ে বেশি? এবারের নির্বাচনী প্রচারণা ধর্মযুদ্ধের মত, কে কত বড় ধার্মিক তা প্রমানে সবাই সচেষ্ট। ধর্ম ও ভারত-বিদ্বেষ ছাড়া এতে আর কিছু নেই। হুজুররা দেদারসে বেহেস্তের টিকিট বিলি করছে। কার্টুনিষ্ট টিপু আলম একটি কার্টুনে লিখেছেন, “হুজুর এত টিকিট দিচ্ছেন, বেহেশতের সংখ্যা তো বাড়াতে হবে’। নির্বাচনটি হয়ে গেলে এবারকার পার্লামেন্টটি হবে আফগানিস্তানের মত, দাঁড়ি, টুপী আর হিজাব-র একটি চমৎকার দৃশ্যের অবতারণা করবে। মিডিয়া জানাচ্ছে, মানিকগঞ্জে পাকিস্তানের রিভলবার পাওয়া গেছে। এবার নির্বাচনের মাঠে পাকিস্তান, তুরস্ক, কাতার, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইইউ, চীন, ভারত আছে, যদিও ভারত কিছুটা কোনঠাসা। এত বিদেশী আগে কখনো দেখা যায়নি। মিডিয়া বলছে, মুম্বাই হামলার কারিগররা এখন ঢাকায়। শুধু সংবাদ নয়, সন্ত্রাসীদের ছবিও ছেপেছে। নির্বাচনের পরে কি হবে বলা মুশকিল, ঝামেলা লাগবে তা বলা যায়। সেনাবাহিনী ক্ষমতা নেয়ার সম্ভবনা নেই, কারণ পেছন থেকে তারাই সবকিছু সামলাচ্ছনে। রাজনীতিবিদদের হাতে কতটা ক্ষমতা আছে, অথবা গণতন্ত্র কতটা বেসামরিক আছে তা চিন্তার বিষয়। মজার ব্যাপার হচ্ছে, নির্বাচনের বাকি আছে আর মাত্র এক সপ্তাহ, এখনো কেউ কেউ ভাবছেন, নির্বাচনটি কি হবে? হ্যাঁ হবে, এবং ড. ইউনূসের ইশারায় ‘মেটিক্যুলাস’ পদ্ধতিতে হবে। ড. ইউনুস বলেছেন, দেশ জালিয়াতে ভরে গেছে, অথচ লোকে বলছে, তিনিই এক নম্বর জালিয়াত এবং এবারের নির্বাচনটি হবে তার আর একটি মেটিক্যুলাস জালিয়াতি। আওয়ামী লীগ ভোট বয়কটের ডাক দিলেও তা বাস্তবায়নের কোন সুযোগ নেই?
লেখক : আমেরিকা প্রবাসী।
পাঠকের মতামত:
- ধানের শীষ
- নড়াইলে গাছ থেকে পড়ে গাছীর মৃত্যু
- ঈশ্বরদীর সার্বিক উন্নয়নে মোটরসাইকেলের বিকল্প নেই: মেহেদী হাসান
- ‘আগামীর বাংলাদেশ হবে তারেক রহমানের বাংলাদেশ’
- ৭৭% ভোটার মনে করেন রাস্তা, কালভার্ট ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হলেই উন্নয়ন নিশ্চিত হয়: সিপিডি
- ভোটের মাঠে কিশোর গ্যাংয়ের দাপট
- দিনাজপুর জেলা কারাগারে সাবেক মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেনের মৃত্যু
- ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
- বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে নীলফামারীতে তারেক রহমানের সমাবেশ
- গণভোট ও নির্বাচন: কি হবে?
- ‘শুধু জনপ্রতিনিধি নয়, এই নির্বাচন দেশ পুনর্গঠনের’
- যেসব জিনিস খাটের নিচে রাখবেন না
- সবজিতে কমবে লিভারের ফ্যাট
- রাষ্ট্রপতির কাছে পে-কমিশন চেয়ারম্যানের প্রতিবেদন পেশ
- ‘নির্বাচন ১২ তারিখেই হতে হবে’
- ‘গভীর ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে গুপ্ত সংগঠন জামায়াত ভোটে জেতার পায়তারা করছে’
- ‘দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে মুক্তিযোদ্ধাদের আবারও প্রস্তুত থাকার প্রয়োজন হতে পারে’
- ‘কেউ যদি ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করতে চায় ছাড় দেবো না’
- ছাত্রশিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরাতে র্যালি
- দেশে পৌঁছেছে ৪ লাখ ২২ হাজার প্রবাসীর ব্যালট
- নড়াইলে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামানের দাফন সম্পন্ন
- নেদারল্যান্ডসে বড় স্বীকৃতি পেলো বাংলাদেশের ‘মাস্টার’
- ‘মনে হচ্ছিল আমারই সুযোগ নেওয়া উচিত'
- পাকিস্তানে মসজিদে বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৩১
- বাড়লো সোনার দাম, ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা
- হেমন্ত এলো
- টুঙ্গিপাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় সাংবাদিক মেহেদী গ্রেপ্তার
- দিনাজপুর জেলা কারাগারে সাবেক মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেনের মৃত্যু
- ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
- সুনামগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের ৬ জনের মৃত্যু
- সাভারে দর্শনার্থীদের নজর কাড়ছে ১৬ ফুটের শ্যামা প্রতিমা
- ‘জুলাই যোদ্ধাদের স্বৈরাচারের দোসর বলাটা গুরুতর অসৌজন্যতা’
- বন্যার্ত মানুষের মাঝে দিনব্যাপী খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে মনিরুল চৌধুরী
- ‘ইসিকে অগাধ ক্ষমতা দেওয়া আছে, সমস্যা ছিল প্রয়োগে’
- বাউফলের কাছিপাড়ায় ট্রলি-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১
- মেহেরপুর ভাবনা সংগঠনের উদ্যোগে শীত উচ্ছ্বাস
- সোনাতলায় শিল্পীর শৈল্পিক কারুকার্যে গড়ে উঠছে দেবী দুর্গা
- ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বজ্রপাতে দুই জেলের মৃত্যু
- ভোটের মাঠে কিশোর গ্যাংয়ের দাপট
- মেহেরপুর পৌর গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন
- রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু
- এক সপ্তাহে ডেঙ্গুতে ১২ জনের মৃত্যু
- ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের বর্ণাঢ্য কর্মসূচি
- প্রতিপক্ষের হামলায় অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ আহত ৩
- কবি সুমন রায়হানের কবিতার বই 'নদীও জলে নামে'
-1.gif)








