ভাষা নিয়ে ভাসাভাসা কথা: ভাষা দিবস ও রাজনীতির ভাষা
ড. মাহরুফ চৌধুরী
২১ ফেব্রুয়ারি শুধুমাত্র একটি দিনপঞ্জির তারিখ নয়; এটি ভাষা, পরিচয়, আদর্শ ও রাজনৈতিক অধিকারের প্রশ্নে বাঙালির আত্মনির্ধারণের এক জাগ্রত ইতিহাস। এই দিনটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে রাষ্ট্র কেবল ভৌগোলিক সীমানা নয়, বরং ভাষা ও চেতনার ওপর নির্মিত একটি নৈতিক ও সাংস্কৃতিক সত্তা। ভাষার জন্য বাংলাদেশীদের আত্মত্যাগ মানবিক মর্যাদা ও রাজনৈতিক স্বাধিকারের প্রশ্নকে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করেছিল। ফলে ২১ ফেব্রুয়ারি কেবল শোকের নয়, বরং নাগরিক আত্মমর্যাদা ও প্রতিরোধের দর্শনের এক প্রতীক। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, মাতৃভাষার অধিকারের প্রশ্নটি ছিল উপনিবেশ-উত্তর রাষ্ট্রগঠনের অন্তর্গত একটি মৌলিক সংকট। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের অবসানের পর পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠিত হলে সেই রাষ্ট্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী ছিল বাংলাভাষী। কিন্তু ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ উর্দুকে একক রাষ্ট্রভাষা ঘোষণার অবস্থান নিলে তা ভাষাগত বৈচিত্র্যকে অস্বীকার করে একটি কেন্দ্রীভূত জাতীয়তাবাদের ভিত্তি নির্মাণের প্রচেষ্টা হিসেবে প্রতিভাত হয়। ভাষাবিজ্ঞান ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আলোচনায় ‘লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা’ কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং ক্ষমতার কাঠামো নিয়ন্ত্রণের একটি উপায়। উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার সিদ্ধান্ত তাই কেবল প্রশাসনিক নয়; এটি ছিল সাংস্কৃতিক আধিপত্যের ঘোষণা হিসেবেও বিবেচিত হয়।
এই ঘোষণার পরপরই বাঙালি শিক্ষার্থী, বুদ্ধিজীবী ও সাধারণ জনগণের মধ্যে গভীর অসন্তোষ জন্ম নেয়। বিশেষত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক ছাত্রসমাজ বাংলা ভাষার সমান মর্যাদার দাবিতে সংগঠিত হয়। সমাজবিজ্ঞানের ভাষায় এটি ছিল ‘সাংস্কৃতিক বঞ্চনা’ থেকে উদ্ভূত গণ-সচেতনতার উত্থান, যেখানে ভাষা হয়ে ওঠে পরিচয়ের কেন্দ্রীয় অক্ষ। ভাষার অধিকারকে তারা কেবল শিক্ষার বা প্রশাসনের প্রশ্ন হিসেবে দেখেনি; বরং এটি ছিল নাগরিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের প্রশ্ন। ঘটনার ধারাবাহিকতায় ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে পুলিশ গুলিবর্ষণে কয়েকজন ছাত্র নিহত হন। এই ঘটনাই ভাষা আন্দোলনকে নৈতিক উচ্চতায় উন্নীত করে এবং শহীদদের আত্মত্যাগ ভাষাকে রক্তঋণে আবদ্ধ এক রাজনৈতিক অঙ্গীকারে রূপ দেয়। রাজনৈতিক তত্ত্বে বলা হয়, যখন রাষ্ট্রের সহিংসতা নাগরিকের ন্যায্য দাবিকে দমন করে, তখন সেই দাবি অধিকতর নৈতিক বৈধতা অর্জন করে। ভাষা আন্দোলনের ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছিল। ফলে শহীদদের রক্ত গণআন্দোলনকে ত্বরান্বিত করে এবং ভাষাকে জাতিসত্তার কেন্দ্রীয় উপাদানে পরিণত করে। এই ধারাবাহিক সংগ্রামের ফলস্বরূপ ১৯৫৬ সালের পাকিস্তান সংবিধানে বাংলা ভাষা সরকারিভাবে স্বীকৃতি পায়। কিন্তু ততদিনে ভাষা আন্দোলন কেবল ভাষার স্বীকৃতির লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ ছিল না; এটি হয়ে উঠেছিল রাজনৈতিক স্বাধিকারের ভিত্তি। সেই বীজ থেকেই ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুষ্ট হয় এবং স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলা রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্থায়ী স্বীকৃতি লাভ করে। ভাষা আন্দোলন তাই একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি স্বাধীনতার পথরেখা নির্মাণের প্রথম দৃশ্যমান রাজনৈতিক মাইলফলক।
ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও মানবাধিকারভিত্তিক তাৎপর্যের স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও প্রতিফলিত হয়েছে। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর সাধারণ সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ ঘোষণা করা হয়, যা ২০০০ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে। এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে আমাদের দেশের স্থানীয় আন্দোলন বৈশ্বিক মানবিক মূল্যবোধের অংশে পরিণত হয়। দিবসটির উদ্দেশ্য কেবল একটি ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণ নয়; বরং ভাষাগত বৈচিত্র্যের সংরক্ষণ, মাতৃভাষাভিত্তিক শিক্ষার প্রসার, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা এবং ভাষাগত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আন্তর্জাতিক সচেতনতা সৃষ্টি। ইউনেস্কোর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বে বর্তমানে প্রায় ৬,০০০টিরও বেশি ভাষা প্রচলিত থাকলেও এর অন্তত ৪৩ শতাংশ ভাষার অস্তিত্ব হুমকির সম্মুখিন। বিশ্বায়ন, একভাষিক আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা, রাষ্ট্রীয় ভাষানীতি এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সীমিত ভাষার আধিপত্য- এসব কারণে বহু ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর ভাষা বর্তমানে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। ভাষাবিজ্ঞানীরা দেখিয়েছেন, কোনো ভাষার মৃত্যু মানে কেবল শব্দভাণ্ডারের ক্ষয় নয়; বরং একটি স্বতন্ত্র জ্ঞানব্যবস্থা, ইতিহাস-চর্চা, লোকঐতিহ্য ও জীবনদর্শনের বিলোপ। ফলে মাতৃভাষা রক্ষার প্রশ্নটি সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদ ও মানবাধিকার রক্ষার প্রশ্নের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
ভাষা কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়; এটি একটি জাতির সাংস্কৃতিক আত্মা, স্মৃতির আধার এবং রাজনৈতিক শক্তির প্রতীক। দার্শনিক আলোচনায় ভাষাকে চিন্তার বাহন বলা হলেও আধুনিক রাজনৈতিক তত্ত্ব দেখায়, ভাষা একই সঙ্গে ক্ষমতার নির্মাণ ও বণ্টনের ক্ষেত্র। ভাষা আন্দোলন আমাদের শিখিয়েছে যে ভাষার অধিকার কেবল সংবিধানের কোনো অনুচ্ছেদে সন্নিবেশিত বিধান নয়; এটি রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্কের ভিত্তিগত প্রশ্ন। যখন রাষ্ট্র ভাষার মর্যাদা নির্ধারণ করে, শিক্ষাব্যবস্থায় ভাষার স্থান নির্ধারণ করে কিংবা প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ভাষা ব্যবহারের সীমা টেনে দেয়, তখন তা সরাসরি নাগরিকের অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নের সুযোগকে প্রভাবিত করে। এই প্রেক্ষাপটে ভাষার রাজনীতি একটি অনিবার্য বাস্তবতা। ভাষানীতি রাষ্ট্রীয় অন্তর্ভুক্তি ও বর্জনের রেখা টেনে দেয়- কারা শাসনকাঠামোর অংশ হবে, কারা প্রান্তিক থাকবে। ভাষা আন্দোলনের চেতনা তাই বাংলাদেশের রাষ্ট্রগঠনের উৎসস্থলে অবস্থান করে। এটি কেবল একটি ঐতিহাসিক সংগ্রাম নয়; বরং একটি রাজনৈতিক দর্শন, যেখানে ভাষাকে মানুষের মৌলিক অধিকারের প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ভাষার মর্যাদা রক্ষার সংগ্রাম জাতীয় ঐক্য, ন্যায়বিচার ও আত্মনিয়ন্ত্রণের প্রশ্নকে একসূত্রে গেঁথে দিয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভেতরে নাগরিকের মর্যাদাকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছে।
ইউনেস্কো এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন উদ্যোগ ভাষাগত বৈচিত্র্য, মাতৃভাষাভিত্তিক শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক অধিকারের প্রশ্নে আন্তর্জাতিক পরিসরে একটি নৈতিক কাঠামো তৈরি করেছে। কিন্তু নীতিগত স্বীকৃতি আর বাস্তব প্রয়োগের মধ্যে ব্যবধান স্পষ্ট। বহু রাষ্ট্রেই শিক্ষানীতি, প্রশাসনিক ভাষা ব্যবহার, আদালতের ভাষা, এমনকি ডিজিটাল প্রযুক্তির ইন্টারফেসে ভাষাগত বৈচিত্র্যের প্রতিফলন সমানভাবে দেখা যায় না। ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার থাকা সত্ত্বেও ভাষা-অধিকার বাস্তবে নির্ভর করে রাষ্ট্রের রাজনৈতিক সদিচ্ছা, সাংবিধানিক কাঠামো ও নীতিনির্ধারণের অগ্রাধিকারের ওপর। জাতিগত, ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক পার্থক্য রাজনীতিকে কখনও সহযোগিতার ভিত্তি দেয়, আবার কখনও বিভাজনের রেখা টানে।
রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আলোচনায় ভাষা প্রায়ই নাগরিকত্বের সীমানা নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়েছে। প্রকৃত অর্থে, কারা ‘মূলধারার’ নাগরিক, আর কারা প্রান্তিক সেটা নির্ধারণ করে। ভাষার রাজনীতি তাই নিছক শব্দচয়ন বা প্রতীকী মর্যাদার প্রশ্ন নয়; এটি শিক্ষার অধিকার, সরকারি চাকরিতে প্রবেশ, বিচারপ্রাপ্তি, সামাজিক সুরক্ষা এবং অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্রের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। ভাষানীতি মূলত রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত; সংবিধানের ঘোষণাপত্র যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেই ঘোষণার বাস্তবায়ন কাঠামো।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশ্বজুড়ে ভাষার অধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার প্রশ্নে নতুন মনোযোগ সৃষ্টি করেছে। ভাষাবিজ্ঞান, নীতিনির্ধারণ ও উন্নয়ন আলোচনায় এখন মাতৃভাষাভিত্তিক প্রাথমিক শিক্ষা, বহুভাষিক দক্ষতা এবং প্রযুক্তিতে ভাষাগত অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। এর ফলে ভাষা প্রশ্নটি কেবল ঐতিহাসিক স্মৃতির পরিসরে সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও টেকসই উন্নয়ন আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদানে পরিণত হয়েছে। ভাষা-অধিকার এখন বৈশ্বিক নাগরিকতার অংশ। প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী ভাষাসচেতনতার দিন হিসেবে পালিত হলেও এর অন্তর্নিহিত তাৎপর্য আরও গভীর। এটি ভাষার মর্যাদা, মানবিক অধিকার ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার এক নৈতিক আহ্বান।
ভাষা দিবসের রাজনীতি অতীতের আত্মত্যাগকে স্মরণ করার পাশাপাশি বর্তমান রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক কাঠামোয় ভাষার দায় ও দায়িত্বকে সামনে আনে। ভাষা মানুষের আত্মপরিচয়ের মৌলিক উপাদান; রাষ্ট্র যদি ভাষার মর্যাদা রক্ষা না করে, তবে সে রাষ্ট্র নাগরিকের সাংস্কৃতিক বিকাশ ও গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণকে সীমিত করে। এই অর্থে ভাষা দিবস কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি রাষ্ট্র ও নাগরিকের পারস্পরিক সম্পর্কের মানদণ্ড। ভাষা কেবল উৎসবের বিষয় নয়; এটি নীতির প্রশ্ন, ন্যায়বিচারের প্রশ্ন, অন্তর্ভুক্তির প্রশ্ন। ভাষার প্রতি রাষ্ট্রের আচরণই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করে সে রাষ্ট্র কতটা মানবিক, কতটা গণতান্ত্রিক এবং কতটা অন্তর্ভুক্তিমূলক।
ভাষা নিয়ে ভাসাভাসা আবেগ নয়, প্রয়োজন গভীর আত্মসমালোচনা। আমরা যে ভাষার অধিকারের জন্য রক্ত দিয়েছি, সেই ভাষা আজও কি রাষ্ট্রের সর্বস্তরে কার্যকর? প্রশাসন, উচ্চশিক্ষা, আদালত, প্রযুক্তি ও নীতিনির্ধারণের বয়ানে কি সত্যিই বাংলা তার ন্যায্য মর্যাদা পেয়েছে? নাকি ভাষা দিবস কেবল আনুষ্ঠানিকতা, আর বাস্তবে ক্ষমতার ভাষা অন্য কোথাও প্রাধান্য পাচ্ছে? ইতিহাস আমাদের শিখিয়েছে যে, ভাষা বঞ্চিত হলে মানুষও বঞ্চিত হয়; ভাষা অবদমিত হলে নাগরিক মর্যাদাও সংকুচিত হয়। ভাষা আন্দোলন আমাদের শুধু একটি রাষ্ট্র দেয়নি; দিয়েছে একটি নৈতিক মানদণ্ড। সেই মানদণ্ড হলো রাষ্ট্রের ভাষা হতে হবে মানুষের ভাষা, রাজনীতির ভাষা হতে হবে দায়িত্বশীল, সংযত ও মানবিক। আজ আমাদের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে যে বিভাজনমূলক, অবমাননাকর ও উত্তেজনাপূর্ণ বয়ান দেখা যায়, তা আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির গভীর সংকটের ইঙ্গিত বহন করে। ভাষা যেমন চিন্তার বাহন, তেমনি চরিত্রেরও প্রকাশ। রাজনৈতিক ভাষা যদি অসহিষ্ণু হয়, তবে গণতন্ত্রও দুর্বল হয়; ভাষা যদি বিদ্বেষে পূর্ণ হয়, তবে সমাজও বিভক্ত হয়।
২১ ফেব্রুয়ারি তাই কেবল শহীদদের স্মরণ নয়; এটি আমাদের ভাষাচর্চা, বাগভঙ্গি ও রাজনৈতিক বয়ানের শুদ্ধতার প্রতিশ্রুতি নবায়নের দিন। ভাষার মর্যাদা রক্ষা মানে কেবল বাংলা ব্যবহার নিশ্চিত করা নয়। বরং ভাষাকে সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার বাহনে পরিণত করা। রাষ্ট্র যদি তার নীতি, শিক্ষা ও প্রশাসনে ভাষাগত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে পারে, আর রাজনীতি যদি শালীন ও দায়িত্বশীল ভাষা চর্চায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়, তবেই ভাষা আন্দোলনের চেতনা সত্যিকার অর্থে বাস্তবায়িত হবে। অতএব, ভাষা দিবস আমাদের সামনে একটি স্পষ্ট প্রশ্ন রেখে যায়: আমরা কি ভাষাকে কেবল স্মৃতির প্রতীক হিসেবে রাখব, নাকি তাকে ন্যায়ভিত্তিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও পরিশীলিত রাজনীতির ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করব? ইতিহাসের রক্তঋণ আমাদের দ্বিতীয় পথটিই বেছে নিতে আহ্বান জানায়।
লেখক : ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি, ইউনিভার্সিটি অব রোহ্যাম্পটন, যুক্তরাজ্য।
পাঠকের মতামত:
- মাদক সেবীকে আটক করে পুলিশে দিলেন এলাকাবাসী
- দ্রব্যমূল্য ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ফরিদপুরে মতবিনিময় সভা
- পাংশায় আ. লীগের কার্যালয়ের সামনে উদ্বোধনের ব্যানার
- বেতনের টাকা নয় ছয়, ৭ মাস আউটসোর্সিং কর্মীদের বেতন বন্ধ
- স্বর্গীয় হরিপদ পোদ্দারের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী শনিবার
- ‘ক্লিন নড়াইল’ কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন এমপি আতাউর রহমান বাচ্চু
- একুশ থেকে একাত্তর: চেতনার মহাকাব্য ও স্বাধীন বাংলাদেশ
- ভাষা নিয়ে ভাসাভাসা কথা: ভাষা দিবস ও রাজনীতির ভাষা
- লালপুরে নিজ শরীরে আগুন লাগিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা
- নোয়াখালী ক্ষুদ্র মৎসজীবী সমিতির সভপতি এড. হায়দার, সম্পাদক মামুন
- ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তির সংগ্রাম: নেতৃত্বের স্থপতি বঙ্গবন্ধু
- জমি রেজিস্ট্রি করতে গুনতে হয় অতিরিক্ত টাকা
- আজ বিজয় সরকারের ১২৩তম জন্মদিন
- ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদের ঐতিহাসিক নির্মাণ
- জামায়াত-এনসিপি বাংলা ভাষা ও দেশ বিরোধী : মোমিন মেহেদী
- ফরিদপুরে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ও জাল শিক্ষা সনদে চাকরির অভিযোগ
- ফুলপুরে রমজান উপলক্ষে বিএনপি নেতার ধর্মীয় গ্রন্থ বিতরণ
- ফাল্গুন
- আট বছর আগে একদিন
- দিনাজপুরে ট্রাকের ধাক্কায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
- ঢাকার বাতাস ছুটির দিনেও ‘দুর্যোগপূর্ণ’
- রোজায় সুস্থ থাকতে ইফতারে যা খাবেন
- অভিনয় থেকে বিরতির ঘোষণা মাহির
- নির্বাচনি অনিয়মের শুনানির জন্য হাইকোর্টে ট্রাইব্যুনাল গঠন
- ১৫ দিনের মধ্যে খাল খনন কর্মসূচি শুরু, নদী-জলাশয় দখলমুক্তের ঘোষণা
- মেজর জেনারেল জিয়া বঙ্গবন্ধুর খুনি মেজর ডালিমকে পরম উষ্ণতায় জড়িয়ে ধরে বলেছিলেন, ‘ইউ হ্যাভ ডান সাচ এ গ্রেট জব! কিস মি! কিস মি!’
- ‘প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ ধরা থেকে বিরত থাকুন’
- কবি সুমন রায়হানের কবিতার বই 'নদীও জলে নামে'
- বাংলাদেশীদের জন্য অবকাশ ভ্রমণে জনপ্রিয় গন্তব্য সৌদি
- লালপুরে নিজ শরীরে আগুন লাগিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা
- গুলি করে বাংলাদেশি ৩ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি
- 'ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে রক্তের দাগ শুকায়নি; বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রী সভার অনেকেই ঘাতক মোশতাকের মন্ত্রী সভায় ঠাঁই করে নিয়েছেন'
- মহম্মদপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
- ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৭৬২
- ‘ভারত ভাগ হয়েছে ধর্মের জন্যে, ভাতের জন্যে নয়’
- চাঁদপুরে জাহাজে ৭ খুন : ঘাতক ইরফান সম্পর্কে যা জানা গেলো
- লালমনিরহাটে ট্রেনে কাটা পড়ে ৪ জন নিহত
- নোয়াখালী ক্ষুদ্র মৎসজীবী সমিতির সভপতি এড. হায়দার, সম্পাদক মামুন
- ‘বাড়ানো হচ্ছে সৈয়দপুর রেলকারখানার উৎপাদন সক্ষমতা’
- মেহেরপুর জেলা বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
- বাগেরহাটে বিএনপি নেতাকে বহিস্কার, প্রতিবাদে মিছিল সমাবেশ মানববন্ধন
- মেহেরপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রি-ডিপার্চার ওরিয়েন্টেশন কোর্সের উদ্বোধন
- বেগম রোকেয়া দিবসে ঈশ্বরদীতে ৫ জন নারীকে সম্মাননা প্রদান
- কুমিল্লায় ‘যুদ্ধসমাধিতে’ মিলল ২৩ জাপানি সেনার দেহাবশেষ
- জরায়ুর টিকা নেয়ার পর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় ছাত্রীরা অসুস্থ হচ্ছেন বলে অভিযোগ অভিভাবকদের
-1.gif)








