রিকশা-অটোর ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে সড়কের শৃঙ্খলা
মীর আব্দুর আলীম
রাজধানী ঢাকা একসময় যার পরিচয় ছিল প্রাণচঞ্চল নগরী হিসেবে, আজ তা ধীরে ধীরে রূপ নিচ্ছে এক অনিয়ন্ত্রিত যানবাহনের জটে আটকে পড়া শহরে। বিশেষ করে রিকশা ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অপ্রতিরোধ্য বিস্তার যেন নগরের স্বাভাবিক গতিকে থামিয়ে দিয়েছে। এটি শুধু যানজটের সমস্যা নয়; বরং এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও সামাজিক কাঠামোর গভীরে। এই বাস্তবতায় অটো নিয়ন্ত্রণ আজ আর বিলাসিতা নয় অপরিহার্য জাতীয় দাবি। ঢাকার সড়কগুলো মূলত পরিকল্পিত হয়েছে মোটরযান চলাচলের জন্য, যেখানে নির্দিষ্ট গতিতে যানবাহন চলবে এবং শহরের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল থাকবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, রিকশা ও অটোর অপ্রতিরোধ্য দখলদারিত্ব এই কাঠামোকে ভেঙে দিচ্ছে। ধীরগতির এই যানবাহনগুলো প্রধান সড়কে চলাচল করায় দ্রুতগতির বাস, কার ও অ্যাম্বুলেন্স আটকে যাচ্ছে। ফলে জরুরি সেবাও ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে শুধু যানজট নয়, মানুষের দৈনন্দিন জীবনও বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। অফিসগামী মানুষ সময়মতো পৌঁছাতে পারছে না, শিক্ষার্থীরা ক্লাস মিস করছে, ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়ছে। এই দীর্ঘস্থায়ী যানজট দেশের উৎপাদনশীলতা কমিয়ে দিচ্ছে, যা জাতীয় অর্থনীতির ওপর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
ব্যাটারিচালিত অটোর বিস্তার যত বাড়ছে, ততই বিদ্যুতের অদৃশ্য ওপর চাপ বাড়ছে। প্রতিটি অটো প্রতিদিন চার্জ নিতে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে, যা সম্মিলিতভাবে একটি বড় লোড তৈরি করছে জাতীয় গ্রিডে। এই চাপ পরিকল্পিত বিদ্যুৎ ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি করছে। বাংলাদেশে যেখানে এখনও বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ পুরোপুরি স্থিতিশীল নয়, সেখানে এই অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার লোডশেডিংয়ের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। গ্রামীণ ও প্রান্তিক অঞ্চলে এর প্রভাব আরও বেশি পড়ছে, যেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ তুলনামূলক দুর্বল। অর্থাৎ, একটি অনিয়ন্ত্রিত পরিবহন ব্যবস্থা পরোক্ষভাবে পুরো দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাকে চাপে ফেলছে, যা দীর্ঘমেয়াদে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনীতিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। ঢাকার যানজট শুধু সময়ের অপচয় নয়, এটি জ্বালানিরও এক বিশাল অপচয়ের কারণ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানবাহন স্থির বা ধীরগতিতে চলায় পেট্রোল ও ডিজেল অকারণে পুড়ছে। এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় বাড়ছে, কারণ জ্বালানির একটি বড় অংশ আমদানিনির্ভর।
একই সঙ্গে এই অতিরিক্ত জ্বালানি পোড়ার ফলে বায়ুদূষণ মারাত্মক আকার ধারণ করছে। কার্বন ডাই-অক্সাইড ও অন্যান্য ক্ষতিকর গ্যাসের নিঃসরণ নগরের বায়ুকে বিষাক্ত করে তুলছে। এতে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি ও অন্যান্য রোগ বাড়ছে। অতএব, অটোর কারণে সৃষ্ট যানজট শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতি নয়, এটি একটি পরিবেশগত বিপর্যয়ের দিকেও আমাদের ঠেলে দিচ্ছে। একসময় ঢাকার মানুষ স্বল্প দূরত্ব হাঁটতে অভ্যস্ত ছিল। কিন্তু এখন অটোর সহজলভ্যতা মানুষকে অলস করে তুলছে। এক কিলোমিটার দূরত্বও এখন অনেকের কাছে হাঁটার অযোগ্য মনে হচ্ছে। এই পরিবর্তন শুধু অভ্যাসের নয়, এটি একটি সামাজিক রূপান্তর। মানুষ ধীরে ধীরে শারীরিক পরিশ্রম থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। শিশু-কিশোরদের মধ্যেও এই প্রবণতা বাড়ছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উদ্বেগজনক। ফলে নগরজীবনে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে এবং একটি নিষ্ক্রিয় জীবনধারার দিকে সমাজ এগিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে শারীরিক পরিশ্রম কমে যাওয়ার সরাসরি প্রভাব পড়ছে মানুষের স্বাস্থ্যে। নিয়মিত হাঁটা বা শারীরিক কার্যক্রম না থাকায় ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের মতো রোগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নগর জীবনের এই পরিবর্তিত পরিবহন সংস্কৃতি মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। অটো নির্ভরতা মানুষকে আরও স্থবির করে তুলছে। এটি শুধু ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সমস্যা নয়; বরং জাতীয় স্বাস্থ্যখাতে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে, যা ভবিষ্যতে বড় অর্থনৈতিক বোঝা হয়ে দাঁড়াতে পারে। অদক্ষ ও অপ্রাপ্তবয়স্ক চালকের ঝুঁকি দিনদিন বাড়ছেই। অটো চালানোর জন্য কোনো কঠোর প্রশিক্ষণ বা লাইসেন্সিং ব্যবস্থা না থাকায় অনেক অপ্রশিক্ষিত ব্যক্তি এই পেশায় যুক্ত হচ্ছে। এমনকি অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুরাও অটো চালাতে দেখা যায়, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক। এই চালকদের ট্রাফিক আইন সম্পর্কে জ্ঞান সীমিত, ফলে তারা নিয়ম ভাঙতে দ্বিধা করে না। হঠাৎ দিক পরিবর্তন, সিগন্যাল অমান্য করা এসব ঘটনা নিত্যদিনের চিত্র। এর ফলে সড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে বিঘিœত হচ্ছে।
নিয়ন্ত্রণহীন অটো এখন সড়ক দুর্ঘটনার একটি প্রধান কারণ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বিশেষ করে ব্যস্ত সড়কে হঠাৎ মোড় নেওয়া বা উল্টো পথে চলার কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে। এই দুর্ঘটনাগুলো শুধু প্রাণহানিই ঘটাচ্ছে না, বরং বহু মানুষকে স্থায়ীভাবে পঙ্গু করে দিচ্ছে। এর সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবও ব্যাপক। অতএব, অটো নিয়ন্ত্রণ না করলে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশে কতসংখ্যক অটো চলাচল করছে, তার কোনো নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান নেই। এই তথ্যের অভাব নীতিনির্ধারণকে দুর্বল করে দিচ্ছে। যেখানে একটি খাতকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে তার সঠিক তথ্য জানা জরুরি, সেখানে এই অজ্ঞতা পরিকল্পনাকে অকার্যকর করে তুলছে। ফলে সরকার কার্যকর নীতি গ্রহণ করতে পারছে না এবং সমস্যা দিন দিন জটিল হচ্ছে। এর কারনে গ্রাম থেকে শহরমুখী জনস্রোত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
অটো চালানো আজ গ্রামবাংলার বহু মানুষের কাছে একটি সহজ ও দ্রুত আয়ের মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জমি চাষের অনিশ্চয়তা, কৃষিতে লাভের ঘাটতি এবং গ্রামীণ কর্মসংস্থানের সংকট মানুষকে শহরের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই বাস্তবতায় অটো একটি বিকল্প জীবিকার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, ফলে প্রতিদিনই নতুন নতুন মানুষ শহরমুখী হচ্ছে। কিন্তু এই জনস্রোতের চাপ বহন করার মতো সক্ষমতা ঢাকার নেই। আবাসন সংকট, বস্তির বিস্তার, পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন সমস্যার অবনতি সবকিছুই আরও তীব্র হচ্ছে। শহরের পরিকল্পিত উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে এবং জীবনযাত্রার মান ক্রমাগত নিচের দিকে নামছে। এছাড়া এই অভিবাসনের ফলে গ্রাম তার কর্মক্ষম জনশক্তি হারাচ্ছে। কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়ছে, যা জাতীয় উন্নয়নের ভারসাম্য নষ্ট করছে। এর ফলে কৃষিজমি হ্রাস ও খাদ্যঝুঁকি বাড়বে। গ্রাম থেকে মানুষ শহরে চলে আসার ফলে অনেক কৃষিজমি অনাবাদি হয়ে পড়ছে। যারা একসময় চাষাবাদ করত, তারা এখন শহরে এসে অটো চালানোর মতো পেশায় যুক্ত হচ্ছে। ফলে জমি পড়ে থাকছে কিংবা কম উৎপাদন হচ্ছে। অন্যদিকে, শহরের বিস্তারের কারণে কৃষিজমি ধীরে ধীরে বসতিতে পরিণত হচ্ছে। আবাসন প্রকল্প, অবৈধ দখল ও অপরিকল্পিত নগরায়ণ উর্বর জমিকে কংক্রিটে ঢেকে দিচ্ছে।
এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব অত্যন্ত ভয়াবহ হতে পারে। খাদ্য উৎপাদন কমে গেলে আমদানিনির্ভরতা বাড়বে, যা অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করবে এবং খাদ্য নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে। ঢাকার নগর পরিকল্পনা মূলত একটি সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে তৈরি হয়েছিল, যেখানে বাস, ট্রেন ও অন্যান্য গণপরিবহন প্রধান ভূমিকা পালন করবে। কিন্তু বাস্তবে অটোর অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার এই পরিকল্পনাকে ভেঙে দিয়েছে। প্রধান সড়কে ছোট যানবাহনের আধিপত্য বড় যানবাহনের চলাচল ব্যাহত করছে। ফলে গণপরিবহন তার কার্যকারিতা হারাচ্ছে এবং মানুষ বাধ্য হয়ে ছোট যানবাহনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে যা একটি দুষ্টচক্র তৈরি করছে। এই পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতের উন্নয়ন প্রকল্প, যেমন মেট্রোরেল বা বাস র্যাপিড ট্রানজিট, তাদের পূর্ণ সম্ভাবনা অর্জন করতে পারছে না। ফলে বিপুল বিনিয়োগের সুফলও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ছে। অটো চালানো সহজ আয়ের পথ হওয়ায় অনেক মানুষ দীর্ঘমেয়াদি দক্ষতা উন্নয়ন বা স্থায়ী পেশার দিকে আগ্রহ হারাচ্ছে। এতে একটি বড় জনগোষ্ঠী অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতিতে আটকে যাচ্ছে, যেখানে কোনো সামাজিক নিরাপত্তা নেই। এই খাতের আয় অনিশ্চিত এবং অস্থায়ী। ফলে তারা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করতে পারে না, যা সামাজিক অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে দেশের দক্ষ জনশক্তি তৈরির প্রক্রিয়াও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে এটি অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর, কারণ একটি শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তুলতে হলে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত কর্মশক্তি অপরিহার্য।
প্রশ্ন হলো এর সমাধানের পথ কী? এই সংকট মোকাবিলায় প্রথমেই প্রয়োজন একটি সমন্বিত জাতীয় নীতি। অটোর নিবন্ধন ও লাইসেন্সিং বাধ্যতামূলক করতে হবে, যাতে প্রতিটি যানবাহন ও চালক সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসে। একটি ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি করে কতসংখ্যক অটো চলছে, কোথায় চলছে তার পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহ জরুরি। দ্বিতীয়ত, নির্দিষ্ট রুট ও জোন নির্ধারণ করতে হবে। আবাসিক এলাকা বা ছোট সড়কে অটো চলতে পারলেও প্রধান সড়কগুলোতে তাদের প্রবেশ সীমিত করতে হবে। এতে ট্রাফিক ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। তৃতীয়ত, গণপরিবহন ব্যবস্থাকে আধুনিক, নিরাপদ ও সহজলভ্য করতে হবে। বাস সার্ভিস উন্নত করা, মেট্রোরেল ও অন্যান্য পরিবহন সম্প্রসারণ করা জরুরি, যাতে মানুষ বিকল্প পায় এবং অটোর ওপর নির্ভরতা কমে। চতুর্থত, অপ্রাপ্তবয়স্ক ও অদক্ষ চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করতে হবে। প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্স ছাড়া কাউকে অটো চালাতে দেওয়া যাবে না। পঞ্চমত, জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। মানুষকে হাঁটার অভ্যাসে ফিরিয়ে আনতে হবে, স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করতে হবে এবং পরিবেশবান্ধব জীবনধারার প্রতি উৎসাহিত করতে হবে। সবশেষে, বিদ্যুৎ ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে এবং বিকল্প শক্তির উৎস ব্যবহারের পরিকল্পনা নিতে হবে, যাতে জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমে।
উপসংহার এটাই বলতে চাই ঢাকার সড়কে অটোর এই অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার একটি বহুমাত্রিক সংকট তৈরি করেছে, যা শুধু যানজট নয় বরং অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে। এটি একটি নীরব বিপর্যয়, যা প্রতিদিন আমাদের নগরজীবনকে আরও জটিল করে তুলছে। এখনই যদি কার্যকর ও সাহসী পদক্ষেপ নেওয়া না হয়, তবে ভবিষ্যতে এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। একটি পরিকল্পিত, টেকসই ও মানবিক নগর গড়তে হলে অটো নিয়ন্ত্রণের বিকল্প নেই। সময় এসেছে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঢাকাকে আমরা কি চলমান রাখব, নাকি স্থবিরতার দিকে ঠেলে দেব।
লেখক : সাংবাদিক, সমাজ গবেষক, মহাসচিব-কলামিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ।
পাঠকের মতামত:
- ১২০ সেরা পরিবেশক প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করলো মার্সেল
- সাতক্ষীরায় ৪৭ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন
- ‘মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করা হবে’
- কালিগঞ্জে কাটা তাল গাছের মাথার আঘাতে কৃষকের মৃত্যু
- সংসারের সুখ ফেরাতে গিয়ে ফিরলেন লাশ হয়ে: লেবাননে নিহত দিপালীর বাড়িতে মাতম
- ফরিদপুরে বান্ধব পল্লীতে বহুতল আবাসিক ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন
- সুন্দরবনে হরিণ শিকারের ২৫টি ফাঁদ উদ্ধার
- পাংশায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার ৫
- মহম্মদপুরে সংস্কৃতিমন্ত্রী এ্যাড. নিতাই রায় চৌধুরীকে সংবর্ধনা
- নড়াইল- ২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন ফারজানা সিঁথি
- সোনাতলায় হাম আতঙ্কে সতর্কতা জোরদার, টিকাদান শুরু ২০ এপ্রিল
- কোটালীপাড়ায় ভেজাল গুড় তৈরী, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
- সময় গেলে সাধন হবে না
- কাপ্তাইয়ে বিজ্ঞান মেলা ও অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত
- তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে লৌহজংয়ে মানববন্ধন
- মাদক নির্মূলে প্রয়োজন সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড ও খেলাধুলা বৃদ্ধি
- নড়াইলে ক্যান্সার আক্রান্ত কলেজছাত্র হুরাইরাকে বাঁচাতে সাহায্যের আকুতি
- ‘ফেসবুক’কে নিরাপদ করতে সরকারের কাছে টিক্যাবের ৫ দাবি
- ঝিনাইদহে বিকাশ প্রতারণার টাকাসহ হারানো ৫৭ মোবাইল উদ্ধার
- বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল: উত্তরাঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত
- রিকশা-অটোর ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে সড়কের শৃঙ্খলা
- সিবিপি'র হেফাজতে আটক শিশুর মৃত্যু, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পরিবারের মামলা
- ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি নারী ইয়াসমিনের হত্যাকারীকে ‘পশু’ বললেন ট্রাম্প
- ‘এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে ঢাকা-গোপালগঞ্জ ট্রেন চালু হবে’
- ‘বিচার বিভাগ নিয়ে অধ্যাদেশ বাতিলের ফল ভালো হবে না’
- কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা কবির শিকদার গ্রেফতার
- একাত্তরে নিখোঁজ হওয়া পিতার প্রথম মৃত্যু সংবাদ পেলাম পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট
- ‘সুশাসনের জন্য প্রশাসনের কাজের রোল মডেল হোক চাঁদপুর’
- ফরিদগঞ্জে তিন সন্তানের জননী ও যুবকের আত্মহত্যা
- কুমিল্লায় দায়িত্ব পালনকালে গাড়িচাপায় এসআই নিহত
- ঝালকাঠিতে নির্ধারিত স্থানে সভা করতে পারেনি এনসিপি
- এস.এম সুলতানের শিষ্য ও শিশুস্বর্গের চিত্রাংকন বিভাগের শিক্ষক সমীর মজুমদার আর নেই
- আজ আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস
- স্বপ্ন বিনির্মাণে ওরা ৬ জন
- নড়াইল- ২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন ফারজানা সিঁথি
- কথাশিল্পী কায়েস আহমদের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
- উকিল কমিশন গিয়ে দেখলেন রাস্তা না থাকায় দুর্ভোগে শতাধিক পরিবার
- মেহেরপুরে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ও জাতীয় প্রবাসী দিবস পালন
- আদমদীঘিতে বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১
- বই মেলায় ‘দ্যা এপিক ফল অফ ডিক্টেটর শেখ হাসিনা’
- ভোলার তজুমদ্দিনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
- গোবিন্দগঞ্জে গৃহবধূসহ ২ জনের মরদেহ উদ্ধার
- ‘দ্যা এপিক ফল অব ডিক্টেটর শেখ হাসিনা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন
- ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবিতে শরীয়তপুরে মহিলা দলের বিক্ষোভ মিছিল
- হাত লাগলেই খসে পড়ছে ‘মুজিববর্ষে’র ঘরগুলোর আস্তরণ
-1.gif)








